। ‘উসমান ইবনু আবূল ‘আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে আমার সম্প্রদায়ের ইমাম নিয়োগ করুন। তিনি বলেনঃ যাও, তোমাকে তাদের ইমাম নিযুক্ত করা হলো। তবে দূর্বল মুক্তাদীদের প্রতি খেয়াল রাখবে এবং এমন একজন মুয়াজ্জিন নিয়োগ করবে যে তার আযানের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করবে না।[1] সহীহ : মুসলিম, মুয়াজ্জিন নিয়োগের কথাটি বাদে।
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা বিলাল (রাঃ) সুবহে সাদিকের আগেই আযান দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পুনরায় আযান দেয়ার স্থানে ফিরে গিয়ে এ ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ দিলেনঃ জেনে রাখ, বান্দা (বিলাল) আযানের সময় সম্পর্কে অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল। [1] সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ ছাড়া অন্য কেউ আইয়ূব (রাঃ) সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেননি।
। নাফি' (রহঃ) বলেন, ‘উমার (রাঃ)-এর মাসরূহ নামক এক মুয়াজ্জিন ছিল। একদা তিনি সুবহে সাদিকের পূর্বেই আযান দিলে ‘উমার (রাঃ) তাকে (পুনরায় আযান দেয়ার) নির্দেশ দিলেন ... তারপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।[1] সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু যায়িদ হতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার থেকে নাফি' অথবা অন্য কারো সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, দারাওয়ার্দী, ‘উবাইদুল্লাহ হতে নাফি' থেকে ইবনু ‘উমার সূত্রে বর্ণনা করেনঃ ‘উমার (রাঃ)-এর মাস‘ঊদ নামক একজন মুয়াজ্জিন ছিল। আর এটাই প্রথম কথার চাইতে অধিকতর সহীহ।
। বিলাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ভোরের আলো এরূপ প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত তুমি আযান দিবে না। এই বলে তিনি তাঁর উভয় হাত (উত্তর ও দক্ষিন দিকে) প্রসারিত করলেন। [1] হাসান। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, শাদ্দাদ (রহঃ) বিলাল (রাঃ)-এর সাক্ষাত পাননি।
। আবূশ্-শা‘সা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সাথে মসজিদে ছিলাম। মুয়াজ্জিন ‘আসরের আযান দিলে এক ব্যক্তি মাসজিদ থেকে বের হয়ে যায়। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, লোকটি আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিরুদ্ধাচারণ করল।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 537 — Sunan Abu Dawud 2:147
সহিহসহিহসহিহ Muslim (606)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ بِلاَلٌ يُؤَذِّنُ ثُمَّ يُمْهِلُ فَإِذَا رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَدْ خَرَجَ أَقَامَ الصَّلاَةَ .
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) আযান দেয়ার পর অপেক্ষমান থাকতেন। তিনি যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বের হতে দেখতেন, তখন সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। মুজাহিদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। এক ব্যক্তি যুহর কিংবা ‘আসরের সালাতের জন্য তাসবীব (পুনরায় আহবান) করায় ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, চল আমরা এখান থেকে বেরিয়ে যাই। কারণ এটা বিদ‘আত।[1] হাসান।
। ইয়াহ্ইয়াহ (রহঃ) একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে রয়েছেঃ যতক্ষণ না তোমরা দেখবে, আমি বের হয়েছি। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি বের হয়েছি, শব্দগুলো মা’মার ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। ইবনু ‘উয়াইনাহও মা’মার সূত্রে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতেও ‘আমি বের হয়েছি’ কথাটি উল্লেখ নেই।[1] সহীহ : মুসলিম।