। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমরা যদি এ দরজাটি কেবল মহিলাদের জন্য ছেড়ে দেই, তবে ভালই হয়। নাফি‘ (রহঃ) বলেন, অতঃপর ইবনু ‘উমার (রাঃ) মৃত্যু পর্যন্ত ঐ দরজা দিয়ে আর কখনো মসজিদে প্রবেশ করেননি।[1] সহীহ ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম আইয়ূব হতে, তিনি নাফি' হতে ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটাই অধিক সহীহ।
হাদিস 572 — Sunan Abu Dawud 2:182
হাসান Sahihহাসান Sahihসহিহ Bukhari (636) Sahih Muslim (602)
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সালাতের জন্য স্বাভাবিক গতিতে শান্তভাবে আসবে। অতঃপর (ইমামের সাথে) যেটুকু পাবে আদায় করবে, যেটুকু ছুটে গেছে তা পূর্ণ করে নিবে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে ইবনু সীরীন কিছুটা শাব্দিক পার্থক্য সহকারে এরূপই বর্ণনা করেছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 574 — Sunan Abu Dawud 2:184
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبْصَرَ رَجُلاً يُصَلِّي وَحْدَهُ فَقَالَ " أَلاَ رَجُلٌ يَتَصَدَّقُ عَلَى هَذَا فَيُصَلِّيَ مَعَهُ " .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একাকী সালাত আদায় করতে দেখে বললেনঃ এ লোকটিকে সাদাকা করার মত কি এমন কেউ নেই যে তার সাথে সালাত আদায় করবে?[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু ইয়াযীদ ইবনু আসওয়াদ তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করে বলেন, তিনি যুবক বয়সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে দেখা গেল, দু’জন লোক সালাত আদায় না করে মসজিদের কোণে বসে আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডাকলেন। তারা এরূপ অবস্থায় আসল যে, ভয়ে তাদের পাঁজরের গোশত কাঁপছিল। তিনি বললেনঃ আমাদের সাথে সালাত আদায় করতে কোন জিনিস তোমাদেরকে বাধা দিল? তারা বলল, আমরা তো ঘরে সালাত আদায় করেছি। তিনি বললেনঃ তোমরা এরূপ করবে না। তোমাদের কেউ ঘরে সালাত আদায়ের পর ইমামকে এসে সালাত আদায়রত পেলে সে যেন তার সাথে সালাত আদায় করে। যা তার জন্য নফল হিসেবে গণ্য হবে।[1] সহীহ।
হাদিস 576 — Sunan Abu Dawud 2:186
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا ابْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ بِمِنًى بِمَعْنَاهُ .
। জাবির ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মিনাতে ফজরের সালাত আদায় করলাম ...... পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক।[1] সহীহ।
। ইয়াযীদ ইবনু ‘আমির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে সালাতরত পেয়ে তাঁদের সাথে সালাত আদায়ে শামিল না হয়ে বসে পড়লাম। সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিকে ফিরে ইয়াযীদকে বসে থাকতে দেখে বললেনঃ তুমি কি ইসলাম গ্রহণ করনি, হে ইয়াযীদ? ইয়াযীদ (রাঃ) বলেন, অবশ্যই হে আল্লাহর রসূল! আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে কেন তুমি লোকদের সাথে জামা‘আতে শামিল হওনি? ইয়াযীদ (রাঃ) বলেন, আমি ভেবেছিলাম আপনারা সালাত আদায় করে ফেলেছেন, তাই আমি বাড়িতে সালাত আদায় করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ তুমি মসজিদে এসে লোকদের সালাতরত পেলে তাদের সাথে সালাতে শরীক হবে, যদিও তুমি তা আগে আদায় করে থাক। সেটা (জামা‘আতের সাথে আদায়কৃত সালাত) তোমার জন্য নফল হিসেবে এবং এটা (ঘরে আদায়কৃত সালাত) ফরয হিসেবে গণ্য হবে।[1] দুর্বল : মিশকাত ১১১৫।
। বানু আসাদ ইবনু খুযাইমার জনৈক ব্যক্তি সূত্রে বর্ণিত। তিনি আবূ আইয়ূব আল-আনসারী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমাদের কেউ বাড়িতে সালাত আদায়ের পর মসজিদে এসে সেখানে সালাতের জামা‘আত হতে দেখলে আমি তাদের সাথে সালাত আদায় করব কিনা এ ব্যাপারে আমার মনে একটা খটকা অনুভব করি। আবূ আইয়ূব (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছিলেনঃ (জামা‘আতে শরীক হলে) তার জন্যও এর সাওয়াবের অংশ রয়েছে।[1] দুর্বল : মিশকাত ১১৫৪।
। সুলায়মান ইবনু ইয়াসার অর্থাৎ মায়মূনাহ্ (রাঃ)-এর মুক্ত দাস সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বালাত নামক স্থানে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে দেখা করতে এসে লোকদেরকে সালাত আদায়রত পাই। আমি বললাম, আপনি তাদের সাথে সালাত আদায় করছেন না কেন? তিনি বললেন, আমি ইতিপূর্বে সালাত আদায় করেছি। আমি রসূলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা একদিনে কোন সালাত দু’বার আদায় করো না।[1] হাসান সহীহ।
। ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) বলেন, আমি রসূলু্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কেউ সঠিক সময়ে লোকদের ইমামতি করলে সে নিজেও এবং মুক্তাদীরাও (এর পূর্ণ সাওয়াব) পাবে। আর কোন ইমাম যদি বিলম্বে সালাত আদায় করে, তাহলে সে গুনাহগার হবে, মুক্তাদীরা নয়।[1] হাসান সহীহ।