। হুযাইফাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করেছেন। তিনি রুকূ‘তে ‘সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম’ এবং সিজদাতে ‘সুবহানা রব্বিয়াল আলা’ পাঠ করতেন এবং কুরআন তিলাওয়াতকালে তিনি কোন রহমতের আয়াতে পৌঁছলে সেখানে থেমে রহমতের দু‘আ করতেন এবং কোন ‘আযাবের আয়াত তিলাওয়াতকালে সেখানে থেমে ‘আযাব থেকে পরিত্রান চাইতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 872 — Sunan Abu Dawud 2:482
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (487)
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ " سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ رَبُّ الْمَلاَئِكَةِ وَالرُّوحِ " .
। ‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায়ে দাঁড়ালাম। তিনি সূরাহ বাক্বারাহ্ তিলাওয়াতের সময় কোন রহমতের আয়াতে পৌঁছলে তথায় থেমে রহমত চাইতেন এবং যখন কোন আযাবের আয়াতে পৌঁছতেন, তখন সেখানে থেমে আযাব হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। অতঃপর তিনি ক্বিয়ামের সমপরিমাণ সময় রুকূ‘তে অবস্থান করেন এবং তাতে ‘‘সুবহানা যিল্ জাবারূতি ওয়াল মালাকূতি ওয়াল কিবরিয়াই ওয়াল ‘আযমাতি’’ পাঠ করেন। অতঃপর তিনি ক্বিয়ামের সমপরিমাণ সময় সিজদাতে অবস্থান করেন এবং তাতেও উক্ত দু‘আ পাঠ করেন। অতঃপর তিনি (দ্বিতীয় রাক‘আতে) দাঁড়িয়ে সূরাহ্ আলে-‘ইমরান তিলাওয়াত করেন। অতঃপর (প্রত্যেক রাক‘আতে) একটি করে সূরাহ তিলাওয়াত করেন।[1] সহীহ।
। হুযাইফাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাত আদায় করতে দেখলেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলার পর ‘যুল-মালাকূতি ওয়াল জাবারূতি ওয়াল কিবরিয়াই ওয়াল ‘আযমাতি’ পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সূরাহ্ বাক্বারাহ তিলাওয়াত শুরু করেন এবং তাঁর রুকূ‘ ছিলো ক্বিয়ামের সমপরিমাণ সময়। তিনি রুকূ‘তে ‘সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম, সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম’ পাঠ করেন। অতঃপর রুকূ‘ হতে মাথা উঠিয়ে প্রায় রুকূ‘র সমপরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন এবং এ সময় ‘‘লি-রব্বিয়াল হামদ’’ পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সিজদায় গিয়ে তাতে ক্বিয়ামের অনুরূপ সময় অবস্থান করেন এবং এ সময় ‘সুবহানা রব্বিয়াল আ‘লা’ পাঠ করেন। অতঃপর সিজদা্ হতে মাথা উঠিয়ে দু’ সাজদার মাঝে সিজদায় অবস্থানের সমপরিমাণ সময় বসে থাকেন এবং এখানে তিনি ‘রব্বিগফিরলী’ পাঠ করেন। এরূপে তিনি চার রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং এ সালাতে সূরাহ আল-বাক্বারাহ, সূরাহ আলে-‘ইমরান, সূরাহ নিসা এবং সূরাহ মায়িদাহ্ অথবা সূরাহ আন‘আম তিলাওয়াত করেন।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘ ও সিজদাতে বেশি করে এ দু‘আ পড়তেনঃ ‘‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী’’। তিনি এভাবে কুরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বিছানায় না পেয়ে তার খোঁজে মসজিদে গিয়ে সেখানে তাঁকে সাজদারত দেখতে পেলাম। এ সময় তাঁর দু’ পায়ের পাতা খাড়া ছিল। তিনি এ দু‘আ পড়ছিলেনঃ ‘‘আউযু বিরিদাকা মিন্ সাখাতিকা ওয়া আ‘উযু বিমা‘আফাতিকা মিন ‘উকুবাতিকা ওয়া আ‘উযুবিকা মিনকা লা উহসী সানায়ান ‘আলাইকা আনতা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা।’’[1] সহীহ : মুসলিম।
। ‘উরওয়াহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) তাঁকে অবহিত করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে এ দু‘আ পড়তেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন ‘আযাবিল কবরি ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জাল ওয়া আ‘উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাত। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিনাল মা’সামি ওয়াল মাগরাম।’’ তখন এক ব্যক্তি বললো, মাগরাব (ঋণ) হতে অধিক পরিমাণে আশ্রয় প্রার্থনার কারণ কি? জবাবে তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত হলে কথা বলার সময় মিথ্যা বলে এবং ওয়াদাহ্ করলে তা ভঙ্গ করে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।