। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ সিজদা করার সময় যেন স্বীয় দু’ হাত কুকুরের ন্যায় বিছিয়ে না রাখে এবং দু’ উরু যেন মিলিয়ে রাখে।[1] দুর্বল।
হাদিস 902 — Sunan Abu Dawud 2:512
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سُمَىٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ اشْتَكَى أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَشَقَّةَ السُّجُودِ عَلَيْهِمْ إِذَا انْفَرَجُوا فَقَالَ " اسْتَعِينُوا بِالرُّكَبِ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তাদের সমস্যার কথা জানান যে, সিজদার সময় তারা হাতকে বগল থেকে এবং পেটকে উরু থেকে আলাদা করে রাখলে এতে তাদের কষ্টবোধ হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এক্ষেত্রে তোমরা হাঁটুর সাহায্য নাও।[1] দুর্বল।
। যিয়াদ ইবনু সুবাইহ আল-হানাফী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ইবনু ‘উমারের পাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করি এবং আমি আমার কোমরের দু’ পার্শ্বের উপর দু’ হাতের ভর করি। সালাত শেষে তিনি আমাকে বললেনঃ এটা হচ্ছে সালাতের শূলী। এমনটি করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 904 — Sunan Abu Dawud 2:514
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلاَّمٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ هَارُونَ - أَخْبَرَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ - عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي وَفِي صَدْرِهِ أَزِيزٌ كَأَزِيزِ الرَّحَى مِنَ الْبُكَاءِ صلى الله عليه وسلم .
। মুত্বাররিফ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করছিলেন এবং এ সময় তাঁর বুক থেকে যাঁতা পেষার আওয়াজের ন্যায় কান্নার আওয়াজ হচ্ছিল।[1] সহীহ।
। ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ উত্তমরূপে অযু করে একাগ্রচিত্তে খালিস অন্তরে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 907 — Sunan Abu Dawud 2:517
হাসানহাসানহাসান Lighairihi
। মিসওয়ার ইবনু ইয়াযীদ আল-মালিকী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করি। সালাতের ক্বিরাআতে তাঁর পঠিত আয়াতের অংশ বিশেষ ভুলবশত ছুটে গেলে সালাত শেষে এক ব্যক্তি তাঁকে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক অমুক আয়াত ছেড়ে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি আমাকে তা স্মরণ করিয়ে দাওনি কেন? সুলাইমানের বর্ণনায় রয়েছেঃ আমি ভেবেছিলাম, তা মানসূখ হয়ে গেছে। হাসান। ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সালাতে ক্বিরাআত পাঠে আটকে গেলেন। সালাত শেষে তিনি উবাই ইবনু কা‘বকে বললেন, তুমি কি আমাদের সাথে সালাত আদায় করেছো? তিনি বললেন, হাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাকে কিসে বাঁধা দিয়েছে (আমাকে আয়াত মনে করিয়ে দিতে)? [1] সহীহ।
। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে ‘আলী! তুমি সালাতের মধ্যে ইমামের ভুল শোধরাবে না।[1] দুর্বল। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হারীসের কাছ থেকে আবূ ইসহাক কেবল চারটি হাদীস শুনেছেন। তাতে এ হাদীসটি নেই।
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের মধ্যে বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত এদিক সেদিক না তাকায়, ততক্ষণ পর্যন্ত মহান আল্লাহর দৃষ্টি তার দিকে থাকে (বা আল্লাহ তার সামনেই থাকেন)। পক্ষান্তরে যখন সে এদিক সেদিক তাকায়, তখন মহান আল্লাহ তার থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেন।[1] দুর্বল।
হাদিস 910 — Sunan Abu Dawud 2:521
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (751)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنِ الأَشْعَثِ، - يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمٍ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْتِفَاتِ الرَّجُلِ فِي الصَّلاَةِ فَقَالَ " إِنَّمَا هُوَ اخْتِلاَسٌ يَخْتَلِسُهُ الشَّيْطَانُ مِنْ صَلاَةِ الْعَبْدِ " .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতের মধ্যে এদিক সেদিক তাকানোর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এটাতো শয়তানের ছোঁ মারা, সে বান্দার সালাতের কিছু অংশ ছোবল মেরে নিয়ে যায়।[1] সহীহ : বুখারী।