। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। (বয়োঃবৃদ্ধির কারণে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শরীর ভারী হয়ে গেলে তামীম আদ-দারী (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহ রসূল! আমি কি আপনার জন্য একটা মিম্বার তৈরি করে দিবো না, যার উপর আপনার শরীরের ভার রাখবেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। কাজেই তিনি তাঁর জন্য দুই ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বার তৈরী করে দেয়া হয়।[1] সহীহ : বুখারী মু‘আল্লাক্ব ভাবে।
হাদিস 1082 — Sunan Abu Dawud 2:693
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (497) Sahih Muslim (509)
حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ كَانَ بَيْنَ مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبَيْنَ الْحَائِطِ كَقَدْرِ مَمَرِّ الشَّاةِ .
। সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বার এবং (মসজিদের) দেওয়ালের মাঝখানে একটি বকরী চলাচল করার পরিমাণ ফাঁকা ছিলো।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (4168) Sahih Muslim (860)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْحَارِثِ، سَمِعْتُ إِيَاسَ بْنَ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ وَلَيْسَ لِلْحِيطَانِ فَىْءٌ .
। ইয়াস ইবনু সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমু‘আহর সালাত আদায় করে ফিরে আসার পরও প্রাচীরসমূহে ছায়া দেখা যেতো না।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্নিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বাকর এবং ‘উমার (রাঃ) এর যুগে জুমু‘আহর প্রথম আযান দেয়া হতো ইমাম মিম্বারে বসলে। কিন্তু ‘উসমান (রাঃ) এর খিলাফাতের সময় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জুমু‘আহর সালাতের জন্য তৃতীয় আযানের নির্দেশ দেন। এ আযান সর্বপ্রথম (মদীনার) আয-যাওরা নামক স্থানে দেয়া হয়। এরপর থেকেই এ নিয়ম বহাল হয়ে যায়।[1] সহীহ : বুখারী।
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন যখন মিম্বারের উপর বসতেন তখন তাঁর সামনে মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে আযান দেয়া হতো। আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ) এর সামনেও অনুরূপ করা হতো। অতঃপর হাদীসের পরবর্তী অংশ ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।[1] মুনকার।
হাদিস 1089 — Sunan Abu Dawud 2:700
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ، قَالَ لَمْ يَكُنْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مُؤَذِّنٌ وَاحِدٌ بِلاَلٌ ثُمَّ ذَكَرَ مَعْنَاهُ .
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাত্র একজন মুয়াযযিন ছিলেন। তিনি হলেন বিলাল (রাঃ)। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।[1] সহীহ।
। আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একমাত্র মুয়াযযিন (বিলাল) ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্য কোন মুয়াযযিন ছিল না। অতঃপর বর্ণনাকারী উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন, তবে পুরো অংশ নয়।[1] সহীহ : বুখারী।