। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রতিবার তাকে আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি প্রদান করবে, কেবল তিরস্কার করেই ছেড়ে দিবে না। চতুর্থবার যদি সে এরূপ করে, তাহলে তাকে আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি দেয়ার পর একটি পশমের রশির বিনিময়ে হলেও বিক্রি করে দাও।[1] সহীহ।
হাদিস 4472 — Sunan Abu Dawud 40:122
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو أُمَامَةَ بْنُ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ بَعْضُ، أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الأَنْصَارِ أَنَّهُ اشْتَكَى رَجُلٌ مِنْهُمْ حَتَّى أُضْنِيَ فَعَادَ جِلْدَةً عَلَى عَظْمٍ فَدَخَلَتْ عَلَيْهِ جَارِيَةٌ لِبَعْضِهِمْ فَهَشَّ لَهَا فَوَقَعَ عَلَيْهَا فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ رِجَالُ قَوْمِهِ يَعُودُونَهُ أَخْبَرَهُمْ بِذَلِكَ وَقَالَ اسْتَفْتُوا لِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنِّي قَدْ وَقَعْتُ عَلَى جَارِيَةٍ دَخَلَتْ عَلَىَّ . فَذَكَرُوا ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالُوا مَا رَأَيْنَا بِأَحَدٍ مِنَ النَّاسِ مِنَ الضُّرِّ مِثْلَ الَّذِي هُوَ بِهِ لَوْ حَمَلْنَاهُ إِلَيْكَ لَتَفَسَّخَتْ عِظَامُهُ مَا هُوَ إِلاَّ جِلْدٌ عَلَى عَظْمٍ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَأْخُذُوا لَهُ مِائَةَ شِمْرَاخٍ فَيَضْرِبُوهُ بِهَا ضَرْبَةً وَاحِدَةً .
। আবূ উমামাহ ইবনু সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কতক আনসারী সাহাবীর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তাদের একজন রোগী আক্রান্ত হয়ে হাড্ডিসার হয়ে যায়। এমতাবস্থায় তাদের কারো এক দাসী তার নিকট এলে সে শিহরিত হয়ে তার সঙ্গে সঙ্গম করে। তার গোত্রের লোকজন তাকে দেখলে এলে, সে তাদেরকে তা অবহিত করে এবং বলে, তোমরা আমার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে এ বিষয়ে ফাতাওয়া চাইবে যে, আমার নিকট আগত দাসীর সঙ্গে আমি যেনা করেছি। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে এই ঘটনা জানালো এবং বললো, রোগে শুকিয়ে তার মতো হাড্ডিসার হতে আমরা কোনো লোককে দেখিনি। তাকে যদি আপনার নিকট বহন করে আনি তবে তার হাড়গোড় আলাদা হয়ে যাবে। তার হাড়ে চামড়া ছাড়া আর কিছুই নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে আদেশ দিলেনঃ তারা যেন একশো পাতা বিশিষ্ট একটি ডাল নিয়ে তদ্বারা তাকে একবার প্রহার করে।[1] সহীহ।
। আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারের এক দাসী ব্যভিচার করলো। তখন তিনি আলী (রাঃ)-কে ডেকে বললেনঃ হে আলী! তুমি তাকে নিয়ে যাও এবং তার উপর হাদ্দ কার্যকর করো। আমি (আলী) তার নিকট গিয়ে দেখি বিরামহীনভাবে তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কাজেই আমি তাঁর কাছে ফিরে আসলাম। তিনি বললেনঃ হে আলী! তুমি কি কাজ সেরে এসেছো? আমি বললাম, আমি তার নিকট গিয়ে দেখি, তার অবিরাম রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তিনি বললেনঃ রক্ত বন্ধ হওয়া পর্যন্ত তাকে রেখে দাও, অতঃপর তার উপর হাদ্দ কার্যকর করো। আর তোমাদের ডান হাতের মালিকানায় যারা আছে (দাস-দাসী) তাদের উপর হাদ্দ কায়িম করো। শু‘বাহ (রহঃ) আব্দুল আলা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ প্রসব করার পূর্ব পর্যন্ত তাকে প্রহার করো না। তবে প্রথম বর্ণনাটি অধিক সহীহ।[1] সহীহ।
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার সমর্থনে যখন আয়াত অবতীর্ণ হলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করেন। অতঃপর তিনি মিম্বার থেকে নেমে এসে দু’ জন পুরুষ ও একজন নারী সম্পর্কে নির্দেশ দিলে তাদের উপর হাদ্দ কার্যকর করা হয়।[1] হাসান।
। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তবে তিনি আয়িশাহ (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করেননি। তিনি বলেছেনঃ যারা অশ্লীল কথা রটিয়েছিল, তিনি তাদের মধ্যে দু’ জন পুরুষ ও একজন নারী সম্পর্কে আদেশ দেন। পুরুষ দু’ জন হলোঃ হাসান ইবনু সাবিত ও মিসতাহ ইবনু উসাসাহ। নুফাইলী বলেনঃ তারা বলতেনঃ মহিলাটি হলো হামনা বিনতু জাহশ।[1] হাসান।
হাদিস 4476 — Sunan Abu Dawud 40:126
দাঈফদাঈফদাঈফসহিহ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، - وَهَذَا حَدِيثُهُ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ رُكَانَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَقِتْ فِي الْخَمْرِ حَدًّا . وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ شَرِبَ رَجُلٌ فَسَكِرَ فَلُقِيَ يَمِيلُ فِي الْفَجِّ فَانْطُلِقَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا حَاذَى بِدَارِ الْعَبَّاسِ انْفَلَتَ فَدَخَلَ عَلَى الْعَبَّاسِ فَالْتَزَمَهُ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَضَحِكَ وَقَالَ " أَفَعَلَهَا " . وَلَمْ يَأْمُرْ فِيهِ بِشَىْءٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا مِمَّا تَفَرَّدَ بِهِ أَهْلُ الْمَدِينَةِ حَدِيثُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ هَذَا .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদক গ্রহণের শাস্তিস্বরূপ হাদ্দ নির্দিষ্ট করেননি। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি মদ পান করে মাতাল হয়। এ সময় তাকে রাস্তায় দুলতে দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে আসা হয়। সে আব্বাস (রাঃ)-এর ঘর বরাবর এলে জ্ঞান ফিরে পায় এবং আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে (শাস্তির ভয়ে) তাকে জড়িয়ে ধরে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ ঘটনা বর্ণনা করা হলে তিনি হেসে বললেনঃ সে কি তাই করেছে? তিনি তার ব্যাপারে কোনো আদেশ দেননি।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৩৬২২।
হাদিস 4477 — Sunan Abu Dawud 40:127
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (6777)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِرَجُلٍ قَدْ شَرِبَ فَقَالَ " اضْرِبُوهُ " . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَمِنَّا الضَّارِبُ بِيَدِهِ وَالضَّارِبُ بِنَعْلِهِ وَالضَّارِبُ بِثَوْبِهِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ أَخْزَاكَ اللَّهُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقُولُوا هَكَذَا لاَ تُعِينُوا عَلَيْهِ الشَّيْطَانَ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। জনৈক মাতাল ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা একে প্রহার করো। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আমাদের মাঝ থেকে কেউ তাকে হাত দিয়ে মেরেছে, কেউ বা জুতা পেটা করেছে আর কেউ বা কাপড় দিয়ে মেরেছে। অতঃপর সে চলে যাওয়ার সময় উপস্থিত লোকজনের কেউ বললো, আল্লাহ তোমাকে অপদস্থ করেছেন। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এভাবে বলো না, তার বিরুদ্ধে শয়তানকে সহযোগিতা করো না।[1] সহীহ।
হাদিস 4478 — Sunan Abu Dawud 40:128
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ أَبِي نَاجِيَةَ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَحَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، وَابْنُ، لَهِيعَةَ عَنِ ابْنِ الْهَادِ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ قَالَ فِيهِ بَعْدَ الضَّرْبِ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَصْحَابِهِ " بَكِّتُوهُ " . فَأَقْبَلُوا عَلَيْهِ يَقُولُونَ مَا اتَّقَيْتَ اللَّهَ مَا خَشِيتَ اللَّهَ وَمَا اسْتَحَيْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ أَرْسَلُوهُ وَقَالَ فِي آخِرِهِ " وَلَكِنْ قُولُوا اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ " . وَبَعْضُهُمْ يَزِيدُ الْكَلِمَةَ وَنَحْوَهَا .
। ইবনুল হাদ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, তাকে প্রহারের পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বললেনঃ তোমরা তাকে মৌখিক ধমক দিয়ে নসীহত করো। সুতরাং তারা তার নিকট এসে বললেন, তুমি আল্লাহকে ভয় করনি, তুমি আল্লাহকে ভয় করনি এবং তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে লজ্জিত হওনি। অতঃপর তারা তাকে ছেড়ে দিলেন। হাদীসের শেষাংশে তিনি বলেনঃ বরং তোমরা বলো, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও, হে আল্লাহ! তার উপর করুণা বর্ষণ করো।[1] সহীহ।
হাদিস 4479 — Sunan Abu Dawud 40:129
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (6773) Sahih Muslim (1706)
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامٍ، - الْمَعْنَى - عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَلَدَ فِي الْخَمْرِ بِالْجَرِيدِ وَالنِّعَالِ وَجَلَدَ أَبُو بَكْرٍ رضى الله عنه أَرْبَعِينَ فَلَمَّا وَلِيَ عُمَرُ دَعَا النَّاسَ فَقَالَ لَهُمْ إِنَّ النَّاسَ قَدْ دَنَوْا مِنَ الرِّيفِ - وَقَالَ مُسَدَّدٌ مِنَ الْقُرَى وَالرِّيفِ - فَمَا تَرَوْنَ فِي حَدِّ الْخَمْرِ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ نَرَى أَنْ تَجْعَلَهُ كَأَخَفِّ الْحُدُودِ . فَجَلَدَ فِيهِ ثَمَانِينَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ ابْنُ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ جَلَدَ بِالْجَرِيدِ وَالنِّعَالِ أَرْبَعِينَ . وَرَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ضَرَبَ بِجَرِيدَتَيْنِ نَحْوَ الأَرْبَعِينَ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদক গ্রহণের অপরাধে (এক ব্যক্তিকে) খেজুরের ডাল ও জুতা দিয়ে আঘাত করেন। আর আবূ বাকর (রাঃ) চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেন। অতঃপর উমার (রাঃ) যখন খলীফা হন, তিনি লোকদেরকে ডেকে বললেনঃ অনেক লোক পানির উৎসসমূহে ও গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। কাজেই এখন আপনারা মাদক গ্রহণের হাদ্দ প্রসঙ্গে কি বলেন? তখন আব্দুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ) বলেন, আমরা হাদ্দের আওতায় লঘু শাস্তি দেয়ার মত দিচ্ছি। সুতরাং তিনি এর শাস্তি হিসেবে আশিটি বেত্রাঘাত নির্ধারিত করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু আবূ আরুবাহ কাতাদাহর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ্যপায়ীদের খেজুরের ডাল ও জুতা দিয়ে চল্লিশ ঘা প্রহার করেছেন। শু‘বাহ (রহঃ) কাতাদাহ থেকে আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেন, তিনি দু’টি খেজুরের ডাল দিয়ে প্রায় চল্লিশ ঘা প্রহার করেছেন।[1] সহীহ।
। হুসাইন ইবনুল মুনযির আর-রাকাশী ওরফে আবূ সাসান (রহঃ) বলেন, একদা আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন ওয়ালীদ ইবনু উকবাহকে ধরে আনা হলো। হুমরান এবং অপর এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলো। তাদের একজন সাক্ষ্য দিলো যে, সে তাকে মদ খেতে দেখেছে। অপর ব্যক্তি সাক্ষ্য দিলো যে, সে তাকে মদ বমি করে ফেলতে দেখেছে। উসমান (রাঃ) বললেন, মদ পান না করলে তা বমি করতে পারে না। তাই তিনি আলী (রাঃ)-কে তার উপর শাস্তি বাস্তবায়িত করতে নির্দেশ দিলেন। আলী (রাঃ) হাসান (রাঃ)-কে বললেন, তুমি তাকে শাস্তি দাও। হাসান (রাঃ) বলেন, যিনি খিলাফাতের সুবিধা ভোগ করছেন তিনি ভার বহন করবেন। অতঃপর আলী (রাঃ) আব্দুল্লাহ ইবনু জা‘ফারকে বললেন, তুমি তার উপর হাদ্দ কার্যকর করো। অতএব তিনি একটি চাবুক নিয়ে তাকে প্রহার করতে শুরু করলেন। আর আলী (রাঃ) তা গণনা করতে থাকলেন। যখন তিনি চল্লিশে পৌঁছলেন আলী (রাঃ) বললেন, থামো, যথেষ্ট হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন। আমি মনে করি, আবূ বাকরও চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন, কিন্তু উমার আশিটি বেত্রাঘাত করেছেন। এর প্রতিটি সুন্নাত। তবে আমি চল্লিশটি পছন্দ করি।[1] সহীহ।