। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সা’দ আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ কি কারণে গোসল ওয়াজিব হয়? এবং গোসলের (বা পেশাবের) পর পুরুষাঙ্গ থেকে নির্গত পানি (মযী) সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, ঐ পানিকে বীর্যরস বলা হয়। প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক লোকেরই বীর্যরস নির্গত হয়। বীর্যরস বের হলে তোমার লজ্জাস্থান ও অন্ডকোষ ধুয়ে ফেলবে এবং সালাতের অযুর ন্যায় অযু করবে।[1] সহীহ।
। হারাম ইবনু হাকীম থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার স্ত্রী হায়িয অবস্থায় আমার জন্য কতটুকু হালাল? তিনি বললেন, পায়জামার উপরের অংশ তোমার জন্য হালাল। তিনি ঋতুবতী স্ত্রীকে নিয়ে একত্রে পানাহার করার কথাও উল্লেখ করলেন। অতঃপর শেষ পর্যন্ত হাদীস বর্ণনা করেন।[1] সহীহ।
। মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম, ঋতুবতী অবস্থায় স্ত্রীলোক পুরুষের জন্য কতটুকু হালাল? তিনি বললেন, পায়জামার উপরের অংশ (হালাল)। তবে তা থেকেও বেঁচে থাকা উত্তম।[1] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ৫১১৫, মিশকাত ৫৫২। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি শক্তিশালী নয়।
। উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলামের প্রাথমিক অবস্থায় লোকদের কাপড়-চোপড়ের স্বল্পতার কারণে কেবল সহবাসে বীর্য নির্গত না হলে গোসল না করার অনুমতি প্রদান করেন। তবে পরবর্তীতে এরূপ অবস্থায় (বীর্যপাত না হলেও) তিনি গোসল করার নির্দেশ দেন এবং গোসল ত্যাগ না করতে বলেন। [1] সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ বীর্যপাত হলে গোসল করা।
। উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। মুফতীগণ ফাতাওয়াহ দিতেন যে, কেবল বীর্য বের হলেই গোসল করতে হবে। এটা ছিল এক ধরনের বিশেষ সুবিধা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলামের প্রাথমিক অবস্থায় এই বিশেষ সুবিধা দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি গোসল করার নির্দেশ দেন।[1] সহীহ।
হাদিস 216 — Sunan Abu Dawud 1:216
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (291) Sahih Muslim (248)
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْفَرَاهِيدِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، وَشُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا قَعَدَ بَيْنَ شُعَبِهَا الأَرْبَعِ وَأَلْزَقَ الْخِتَانَ بِالْخِتَانِ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ " .
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (স্ত্রীর) চার অঙ্গের মাঝখানে বসলে এবং এক যৌনাঙ্গ অপর যৌনাঙ্গে ঢুকিয়ে দিলেই গোসল ওয়াজিব হবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের কেউ একবার সহবাস করার পর পুনরায় সহবাসের ইচ্ছা করলে সে যেন অযু করে নেয়।[1] সহীহ : মুসলিম।