। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার ঋতুস্রাব হলে আমি বিছানা ছেড়ে চাটাইয়ে অবস্থান করতাম। পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটবর্তী হতাম না।[1] দুর্বল।
হাদিস 272 — Sunan Abu Dawud 1:272
সহিহসহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ بَعْضِ، أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ مِنَ الْحَائِضِ شَيْئًا أَلْقَى عَلَى فَرْجِهَا ثَوْبًا .
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন এক স্ত্রী সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে কিছু করতে চাইলে স্ত্রীর লজ্জাস্থানের উপর কাপড় রেখে তারপর করতেন।[1] সহীহ।
হাদিস 273 — Sunan Abu Dawud 1:273
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (302) Sahih Muslim (293)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا فِي فَوْحِ حَيْضِنَا أَنْ نَتَّزِرَ ثُمَّ يُبَاشِرُنَا وَأَيُّكُمْ يَمْلِكُ إِرْبَهُ كَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمْلِكُ إِرْبَهُ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের হায়িযের প্রাথমিক অবস্থায় শক্ত করে ইযার (পাজামা) পরিধানের নির্দেশ দিতেন। অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মেলামেশা করতেন। তোমাদের কেউ কি তার উত্তেজনার মুহূর্তে নিজেকে সংযত রাখতে সেরূপ সক্ষম, যেরূপ সক্ষম ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম?[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 274 — Sunan Abu Dawud 1:274
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ امْرَأَةً كَانَتْ تُهَرَاقُ الدِّمَاءَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَفْتَتْ لَهَا أُمُّ سَلَمَةَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " لِتَنْظُرْ عِدَّةَ اللَّيَالِي وَالأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُهُنَّ مِنَ الشَّهْرِ قَبْلَ أَنْ يُصِيبَهَا الَّذِي أَصَابَهَا فَلْتَتْرُكِ الصَّلاَةَ قَدْرَ ذَلِكَ مِنَ الشَّهْرِ فَإِذَا خَلَّفَتْ ذَلِكَ فَلْتَغْتَسِلْ ثُمَّ لْتَسْتَثْفِرْ بِثَوْبٍ ثُمَّ لْتُصَلِّ فِيهِ " .
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক মহিলার (হায়িয-নিফাসের নির্দ্দিষ্ট সময় অতিক্রমের পরও) রক্তস্রাব হতো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ঐ মহিলার জন্য কি বিধান তা জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে যেন ইস্তিহাযায় আক্রান্ত হবার আগে মাসের যে ক’দিন তার হায়িয হত তা খেয়াল করে গুনে রাখে এবং প্রতিমাসে সেই ক’দিন সে সালাত ছেড়ে দেয়। ঐ ক’দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে সে যেন গোসল করে নেয়, অতঃপর (লজ্জাস্থানে) পট্টি বেঁধে সালাত আদায় করে।[1] সহীহ।
। উম্মু সালামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক মহিলার অত্যধিক রক্তস্রাব হতো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে বলেন, যখন হায়িযের সময়সীমা পার হয়ে যাবে এবং সালাতের সময় উপস্থিত হবে তখন সে যেন গোসল করে নেয়। পূর্বোক্ত হাদীসের সমঅর্থবোধক।[1] সহীহ।
। জনৈক আনসারী সূত্রে বর্ণিত। এক মহিলার অত্যধিক রক্তস্রাব হতো। অতঃপর বর্ণনাকারী লাইসের পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করে বলেন, যখন তাদের হায়িযের সময়সীমা অতিবাহিত হবে এবং সালাতের সময় উপস্থিত হবে তখন তারা যেন গোসল করে নেয়। তারপর পূর্বের ন্যায় বর্ণনা করেন।[1] সহীহ।
। নাফি' লাইসের বর্ণিত (২৭৫নং) হাদীসের সূত্র ও অর্থানুরূপ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, সে যেন হায়িযের সময়সীমার (দিনগুলোতে) সালাত বর্জন করে। এরপর থেকে সালাতের সময় উপস্থিত হলে সে যেন গোসল করে এবং পট্টি বেঁধে সালাত আদায় করে।[1] সহীহ।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রক্তস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর পানির পাত্র রক্তে পরিপূর্ণ দেখতে পেলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘‘তুমি তোমার হায়িযের নির্ধারিত দিনগুলো পর্যন্ত সালাত থেকে বিরত থাকবে, এরপর গোসল করবে।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 280 — Sunan Abu Dawud 1:280
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْمُنْذِرِ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، حَدَّثَتْهُ أَنَّهَا، سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَشَكَتْ إِلَيْهِ الدَّمَ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ فَانْظُرِي إِذَا أَتَى قُرْؤُكِ فَلاَ تُصَلِّي فَإِذَا مَرَّ قُرْؤُكِ فَتَطَهَّرِي ثُمَّ صَلِّي مَا بَيْنَ الْقُرْءِ إِلَى الْقُرْءِ " .
। ‘উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবাইশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রক্তস্রাবের সম্পর্কে অভিযোগ করেন এবং এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা এক বিশেষ শিরা থেকে নির্গত রক্ত। অতএব তুমি তোমার হায়িযের নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে এবং ঐ সময়ে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। অতঃপর হায়িযের নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেলে তুমি পবিত্র হবে। তারপর পরবর্তী হায়িয আসা পর্যন্ত (গোসল করে) সালাত আদায় করবে।[1] সহীহ।