حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ " .
। আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির উপর জুমুআর দিন গোসল করা ওয়াজিব।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। হাফসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক লোকের জন্য জুমুআর সালাতে যাওয়া একান্ত কর্তব্য। আর যে ব্যক্তি জুমুআর সালাতে যাবে তার জন্য গোসল করা জরুরী।[1] সহীহ: বুখারী ও মুসলিম। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি জুমুআর দিন ফজরের পর গোসল করলেও যথেষ্ট হবে, যদিও তা জানাবাতের গোসল হয়।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিন গোসল করে উত্তম পোশাক পরিধান করবে, তার কাছে সুগন্ধি থাকলে ব্যবহার করবে, তারপর জুমুআর সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাবে, সেখানে (সামনে যাওয়ার জন্য) লোকদের ঘাড় টপকাবে না এবং মহান আল্লাহর নির্ধারিত সালাত আদায় করে ইমামের খুতবার জন্য বের হওয়া থেকে সালাত শেষ করা পর্যন্ত সময় নীরবতা অবলম্বন করবে-তাহলে এটা তার জন্য এ জুমু‘আহ্ ও তার পূর্ববর্তী জুমুআর মধ্যবর্তী যাবতীয় গুনহর কাফফারা হয়ে যাবে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, আরো অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহেরও কাফফারা হবে। কেননা নেক কাজের সাওয়াব (কমপক্ষে) দশ গুণ হয়।[1] হাসান।
। ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির উপর জুমুআহর দিন গোসল করা, মিসওয়াক করা এবং সাধ্যানুযায়ী সুগন্ধি ব্যবহার করা কর্তব্য। কিন্তু বুকাইর সানাদে ‘আবদুর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি এবং বর্ণনাকারী সুগন্ধি সম্পর্কে বলেছেন, যদিও তা মহিলাদের সুগন্ধি হয়।[1] সহীহ : মুসলিম, অনুরূপ বুখারী।
। আওস ইবনু আওস আস-সাক্বা্ফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিন গোসল করবে এবং (স্ত্রীকেও) গোসল করাবে, প্রত্যুষে ঘুম থেকে জাগবে এবং জাগাবে, জুমুআর জন্য বাহনে চড়ে নয় বরং পায়ে হেঁটে মসজিদে যাবে এবং কোনরূপ অনর্থক কথা না বলে ইমামের নিকটে বসে খুতবা শুনবে, তার (মসজিদে যাওয়ার) প্রতিটি পদক্ষেপ সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সে এক বছর যাবত সিয়াম পালন ও রাতভর সালাত আদায়ের (সমান) সাওয়াব পাবে।[1] সহীহ।
। আওস আস-সাক্বাফী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিন মাথা ধৌত করে এবং গোসল করে ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।[1] সহীহ।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুম্মার দিন গোসল করবে, তার স্ত্রীর সুগন্ধি থাকলে তা থেকে ব্যবহার করবে এবং উৎকৃষ্ট পোশাক পরিধান করে (মসজিদে এসে) লোকদের ঘাড় না টপকিয়ে খুতবার সময় কোন নিরর্থক কথাবার্তা না বলে চুপ থাকবে- তার দু’ জুমুআর মধ্যবর্তী সময়ের যাবতীয় গুনার জন্য তা কাফফারা হবে। আর যে ব্যক্তি নিরর্থক কথা বলবে এবং লোকদের ঘাড় টপকাবে সে জুমুআর (সালাতের ফযীলত পাবে না), কেবল যুহরের সালাতের সম (ফযীলত পাবে)।[1] হাসান।
। ‘আলী ইবনু হাওশাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাকহূল (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ ‘যে ধৌতকরল ও ধৌত করালো’-এর অর্থ কি? তিনি বললেনঃ মাথা ধৌত করালো ও সমগ্র শরীর ধৌত করল।[1] সহীহ মাক্বতূ'।