حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ بِأَىِّ شَىْءٍ كَانَ يَبْدَأُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ بَيْتَهُ قَالَتْ بِالسِّوَاكِ .
। মিকদাম ইবনু শুরাইহ (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে এসে সর্বপ্রথম কোন কাজ করতেন? তিনি বললেনঃ তিনি সর্বপ্রথম মিসওয়াক করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিসওয়াক করে তা ধোয়ার জন্য আমাকে দিতেন। আমি নিজে প্রথমে তা দিয়ে মিসওয়াক করতাম, অতঃপর সেটা ধুয়ে তাঁকে দিতাম।[1] হাসান।
। ‘আম্মার ইবনু ইয়াসীর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কুলি করা ও নাকে পানি দেয়া (মানুষের) ফিতরাতের অন্তর্গত। অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে ‘দাড়ি ছেড়ে দেয়া’-কথাটি উল্লেখ করেননি, উল্লেখ করেছেন ‘খাতনা করা’-এর কথা। ‘ইস্তিনজার পর লিঙ্গে অল্প পরিমাণ পানি ছিটানোর’ কথাও উল্লেখ করেছেন, তবে ইস্তিঞ্জার উল্লেখ করেননি।[1] হাসান। قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرُوِيَ نَحْوُهُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَقَالَ خَمْسٌ كُلُّهَا فِي الرَّأْسِ وَذَكَرَ فِيهَا الْفَرْقَ وَلَمْ يَذْكُرْ إِعْفَاءَ اللِّحْيَةِ . - صحيح موقوف ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ আছে। তিনি পাঁচটি ফিতরাতের কথা বলেছেন, তার সবগুলোই মাথার মধ্যে। তিনি সিঁথি কাটার কথাও বলেছেন। তবে দাড়ি রাখা কথাটি উল্লেখ নেই। সহীহ মাওকুফ। قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرُوِيَ نَحْوُ حَدِيثِ حَمَّادٍ عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ وَمُجَاهِدٍ وَعَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْمُزَنِيِّ قَوْلُهُمْ وَلَمْ يَذْكُرُوا إِعْفَاءَ اللِّحْيَةِ . - صحيح : عن طلق موقوف ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ত্বালক্ব ইবনু হাবীব, মুজাহিদ ও বাকর ইবনু ‘আব্দুল্লাহ আল-মুযানী সূত্রে হাম্মাদের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। তারা দাড়ি ছেড়ে দেয়ার বিষয় উল্লেখ করেননি। সহীহ : ত্বালক্ব সূত্রে মাওকুফভাবে। وَفِي حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم فِيهِ وَإِعْفَاءُ اللِّحْيَةِ . - صحيح অন্য বর্ণনাতে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত আছে ‘দাড়ি ছেড়ে দেয়া। সহীহ। وَعَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ نَحْوُهُ وَذَكَرَ إِعْفَاءَ اللِّحْيَةِ وَالْخِتَانَ . - صحيح موقوف ইব্রহীম নাখাঈ হতেও অনুরূপ বর্ণনা আছে। তাতে ‘দাড়ি ছেড়ে দেয়া’ এবং ‘খাতনা করার’ কথা রয়েছে। সহীহ মাওকুফ।
হাদিস 55 — Sunan Abu Dawud 1:55
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (245، 889) Sahih Muslim (255)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَحُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ .
। হুযাইফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে জাগতেন, তখন মিসওয়াক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 56 — Sunan Abu Dawud 1:56
সহিহসহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوضَعُ لَهُ وَضُوءُهُ وَسِوَاكُهُ فَإِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ تَخَلَّى ثُمَّ اسْتَاكَ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য অযুর পানি ও মিসওয়াক রেখে দেয়া হতো। তিনি রাতে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে ইস্তিনজা করতেন, এরপর মিসওয়াক করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 57 — Sunan Abu Dawud 1:57
হাসানহাসানহাসান Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أُمِّ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَرْقُدُ مِنْ لَيْلٍ وَلاَ نَهَارٍ فَيَسْتَيْقِظُ إِلاَّ تَسَوَّكَ قَبْلَ أَنْ يَتَوَضَّأَ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে বা দিনে যখনই ঘুম থেকে জাগতেন, অযুর পূর্বে মিসওয়াক করতেন।[1] হাসান: (ولا نهار) কথাটি বাদে।
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কোন এক রাত কাটালাম। (তখন দেখলাম) তিনি ঘুম থেকে জেগে অযুর পানি নিয়ে মিসওয়াক করলেন। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য অসংখ্য নিদর্শন রয়েছে।’’- (সূরাহ আল ‘ইমরান, আয়াত ১৯০)। তিনি সূরাটি প্রায় শেষ পর্যন্ত পড়লেন অথবা শেষ করলেন। এরপর তিনি অযু করে সালাতের স্থানে এসে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। এরপর বিছানায় গেলেন এবং আল্লাহ যতক্ষণ চাইলেন ততক্ষণ ঘুমিয়ে পুনরায় জাগলেন। এরপর পূর্বের ন্যায় ঐ কাজগুলো করে আবারো বিছানায় গিয়ে ঘুমালেন। অতঃপর জেগে উঠে আবার আগের মত করলেন। তারপর বিছানায় গিয়ে ঘুমিয়ে আবার জাগলেন ও আগের মত করলেন। প্রত্যেকবারই তিনি (ঘুম থেকে জেগে) মিসওয়াক ও দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর (সর্বশেষে) বিতর সালাত পড়লেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হুসাইন ইবনু ‘আব্দুর রহমান থেকে ইবনু ফুদাইল উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এভাবেঃ তিনি মিসওয়াক এবং অযু করার সময় এ আয়াতটি পাঠ করতে থাকেন (إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ) এভাবে তিনি সূরাটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 59 — Sunan Abu Dawud 1:59
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ وَلاَ صَلاَةً بِغَيْرِ طُهُورٍ " .
। আবুল মালীহ্ (রহঃ) হতে তার পিতা সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ আত্মসাৎকৃত মালের দান এবং পবিত্রতা ছাড়া সালাত কবুল করেন না।[1] সহীহ।
হাদিস 60 — Sunan Abu Dawud 1:60
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (135) Sahih Muslim (225)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاَةَ أَحَدِكُمْ إِذَا أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ " .
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো অযু নষ্ট হলে পুনরায় অযু না করা পর্যন্ত মহান আল্লাহ তার সালাত কবূল করেন না। [1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।