حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَزِيَادُ بْنُ يَحْيَى، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالُوا حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ أَبُو عَتَّابٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مَكِينٍ، نُوحُ بْنُ رَبِيعَةَ حَدَّثَنِي إِيَاسُ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ الْمُعَيْقِيبِ، وَجَدُّهُ، مِنْ قِبَلِ أُمِّهِ أَبُو ذُبَابٍ عَنْ جَدِّهِ، قَالَ كَانَ خَاتَمُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ حَدِيدٍ مَلْوِيٌّ عَلَيْهِ فِضَّةٌ . قَالَ فَرُبَّمَا كَانَ فِي يَدِهِ قَالَ وَكَانَ الْمُعَيْقِيبُ عَلَى خَاتَمِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। ইয়াস ইবনুল হারিস ইবনু মুআইকিব (রহঃ) তার নানার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, লোহার একটি আংটি রূপা দিয়ে মোড়ানো ছিলো। তিনি বলেন, সেটা কখনো আমার নিকট থাকতো না। বর্ণনাকারী বলেন, মুআইকিব (রাঃ) ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আংটির জিম্মাদার।[1] দুর্বল।
। আবূ বুরদাহ (রহঃ) থেকে আলী (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ দু‘আ করার সময় তুমি বলবেঃ (অর্থ) ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে হিদায়াত দিন এবং এ পথে দৃঢ় রাখুন, আর হিদায়াতের মাধ্যমে আমাকে স্মরণে রাখুন, সোজা পথে পরিচালিত করুন, তীরের মতো সোজা পথে চালিয়ে স্মরণে রাখুন।’’ তিনি (আলী) বলেন, তিনি আমাকে এই আঙ্গুলের বা এই আঙ্গুলের অর্থাৎ শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরতে নিষেধ করেন এবং কাসসী ও মীসারা (দু’ প্রকার রেশমী বস্ত্র) পরিধান করতে নিষেধ করেন। আবূ বুরদাহ (রহঃ) বলেন, আমরা আলী (রাঃ)-কে বললাম, কাসসী কি? তিনি বলেন, সিরিয়া অথবা মিসর থেকে আমাদের এখানে আমদানীকৃত কাপড়, যাতে কমলা লেবুর মতো ডোরাকাটা থাকতো। আর মিসারা হলো স্ত্রীদের দ্বারা তাদের স্বামীদের জন্য উৎপাদিত জিনিস।[1] সহীহ।
হাদিস 4226 — Sunan Abu Dawud 36:13
সহিহসহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله تعالى عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ شَرِيكٌ وَأَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَخَتَّمُ فِي يَمِينِهِ .
। আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডান হাতে আংটি পরতেন।[1] সহীহ।
। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আস-সালদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু নাওফাল ইবনু আব্দুল মুত্তালিবকে তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলে আংটি পরিধান করতে দেখে তাকে প্রশ্ন করলাম, এটা কি? তিনি বললেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে এভাবে আংটি পরতে দেখেছি। তিনি আংটির পাথর হাতের পিঠের দিকে রাখতেন। তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) অবশ্যই উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আংটি পরতেন এভাবে।[1] হাসান সহীহ।
। আলী ইবনু সাহল ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেন, একদা তাদের এক মুক্তদাসী যুবায়র (রাঃ)-এর কন্যাকে নিয়ে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এলো। তার (কন্যার) পায়ে নুপুর ছিলো। উমার (রাঃ) তা কেটে ফেলে দিয়ে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি ঘণ্টা ধ্বনির সাথে একটি শয়তান থাকে।[1] দুর্বল।
। আব্দুর রাহমান ইবনু হাইয়ান আল-আনসারী (রাঃ) এর মুক্তদাসী বুনানাহ আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন একটি ছোট্ট বালিকাকে নিয়ে আসা হলো। বালিকার পায়ে নুপুরের আওয়াজ শুনে তিনি বলেন, এর পা থেকে নুপুর না খুলে তাকে আমার কাছে আনবে না। তিনি আরো বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ঘরে ঘণ্টা থাকে সে ঘরে ফিরিশতা প্রবেশ করে না।[1] হাসান।
। আব্দুর রাহমান ইবনু তারাফাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘কুলাব’ যুদ্ধের দিন তার দাদা আর-ফাজাহ ইবনু আস'আদের নাক কেটে গেলে তিনি রূপার নাক বানিয়ে নিলেন। তা দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশে তিনি স্বর্ণের নাক তৈরী করে নেন।[1] হাসান।