Qurani·قرآني
বাংলা

খারাজ, গনিমত ও শাসনব্যবস্থা (কিতাবুল খারাজ ওয়াল ফাই ওয়াল ইমারাহ)

161 হাদিস · #2928–3088

হাদিস 3058 — Sunan Abu Dawud 20:131
সহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَقْطَعَهُ أَرْضًا بِحَضْرَمَوْتَ ‏.‏
। ওয়াইল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হাদরামাওত এলাকায় এখ খন্ড জমি জায়গীর হিসাবে দিয়েছেন।
হাদিস 3059 — Sunan Abu Dawud 20:132
দাঈফসহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا جَامِعُ بْنُ مَطَرٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ ‏.‏
। ‘আলকামাহ ইবনু ওয়াইল (রাঃ) নিজ সনদে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3060 — Sunan Abu Dawud 20:133
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ فِطْرٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، قَالَ خَطَّ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَارًا بِالْمَدِينَةِ بِقَوْسٍ وَقَالَ ‏ "‏ أَزِيدُكَ أَزِيدُكَ ‏"‏ ‏.‏
। ‘আমর ইবনু হুরাইস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আমাকে ঘর বানানোর জন্য এক খন্ড জমি দান করেন এবং তীরের ফলা দিয়ে এর সীমা নির্ধারণ করেন। তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে আরো দিবো, আরো দিবো।
হাদিস 3061 — Sunan Abu Dawud 20:134
দাঈফদাঈফদাঈফহাসান
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْطَعَ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ وَهِيَ مِنْ نَاحِيَةِ الْفُرْعِ فَتِلْكَ الْمَعَادِنُ لاَ يُؤْخَذُ مِنْهَا إِلاَّ الزَّكَاةُ إِلَى الْيَوْمِ ‏.‏
। রবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আব্দুর রাহমান (রহঃ) একাধিক সাহাবী সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযনীকে আল-ফুর’ এর পাশ্ববর্তী জায়গায় অবস্থিত কাবালিয়া খনিটি বন্দোবস্ত করে দেন। ঐ খনি থেকে যাকাত ব্যতীত অন্য কিছু ধার্য হয়নি।
হাদিস 3062 — Sunan Abu Dawud 20:135
হাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ، وَغَيْرُهُ، قَالَ الْعَبَّاسُ حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو أُوَيْسٍ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ الْمُزَنِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَقْطَعَ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ جَلْسِيَّهَا وَغَوْرِيَّهَا - وَقَالَ غَيْرُ الْعَبَّاسِ جَلْسَهَا وَغَوْرَهَا - وَحَيْثُ يَصْلُحُ الزَّرْعُ مِنْ قُدْسٍ وَلَمْ يُعْطِهِ حَقَّ مُسْلِمٍ وَكَتَبَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا مَا أَعْطَى مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ أَعْطَاهُ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ جَلْسِيَّهَا وَغَوْرِيَّهَا ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ غَيْرُ الْعَبَّاسِ ‏"‏ جَلْسَهَا وَغَوْرَهَا ‏"‏ ‏.‏ ‏"‏ وَحَيْثُ يَصْلُحُ الزَّرْعُ مِنْ قُدْسٍ وَلَمْ يُعْطِهِ حَقَّ مُسْلِمٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو أُوَيْسٍ وَحَدَّثَنِي ثَوْرُ بْنُ زَيْدٍ مَوْلَى بَنِي الدِّيلِ بْنِ بَكْرِ بْنِ كِنَانَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَهُ ‏.‏
। কাসীর ইবনু ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাইনাহ গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে কাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ দান করেন। তিনি তাকে কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমিও জায়গীর হিসেবে দান করেন। আব্বাস ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারী ‘জালসিয়া’ ও ‘গাওরিয়া’ শব্দের স্থলে পর্যায়ক্রমে ‘জালসা’ ও ‘গাওরা’ শব্দের উল্লেখ করেছেন। তিনি কোনো মুসলিমের মালিকানাধীন জমি তাকে দান করেননি অথবা এ জমির উপর কোনো মুসলিমের মালিকানা ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি ফরমানও লিখে দিয়েছিলেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম, আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ মুযাইনা গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে কাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্নভূমির খনিসমূহ এবং কুদস পাহাড় সংলগ্ন কৃষিভূমি দান করেছেন। তিনি কোনো মুসলিমের হক তাকে দান করেননি। অন্যান্য বর্ণনাকারী জালসিয়া ও গাওরিয়ার পরিবর্তে জালসা ও গাওরা শব্দ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3063 — Sunan Abu Dawud 20:136
হাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ النَّضْرِ، قَالَ سَمِعْتُ الْحُنَيْنِيَّ، قَالَ قَرَأْتُهُ غَيْرَ مَرَّةٍ يَعْنِي كِتَابَ قَطِيعَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدَّثَنَا غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ حُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ أَخْبَرَنَا أَبُو أُوَيْسٍ حَدَّثَنِي كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَقْطَعَ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ جَلْسِيَّهَا وَغَوْرِيَّهَا - قَالَ ابْنُ النَّضْرِ وَجَرْسَهَا وَذَاتَ النُّصُبِ ثُمَّ اتَّفَقَا - وَحَيْثُ يَصْلُحُ الزَّرْعُ مِنْ قُدْسٍ ‏.‏ وَلَمْ يُعْطِ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ حَقَّ مُسْلِمٍ وَكَتَبَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هَذَا مَا أَعْطَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ أَعْطَاهُ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ جَلْسَهَا وَغَوْرَهَا وَحَيْثُ يَصْلُحُ الزَّرْعُ مِنْ قُدْسٍ وَلَمْ يُعْطِهِ حَقَّ مُسْلِمٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو أُوَيْسٍ حَدَّثَنِي ثَوْرُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ زَادَ ابْنُ النَّضْرِ وَكَتَبَ أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ ‏.‏
। কাসীর ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাইনাহ গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে কাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ দান করেছিলেন। ইবনুন নাদর (রহঃ) বলেন, কাবালিয়ার পাশ্ববর্তী ভূমি এবং যাতুন-নুসুর এলাকাও দান করেন। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী বর্ণনা করেন যে, এবং কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমিও। তিনি বিলাল ইবনুল হারিসকে কোনো মুসলিমের হক দান করেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফরমান লিখে দেনঃ বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ এবং এর সংলগ্ন কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমি দান করেছেন। এতে কোনো মুসলিমের হক থাকলো না। তবে ইবনুন নাদরের বর্ণনায় রয়েছেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দানের ফরমানটি উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) লিখেছিলেন।
হাদিস 3064 — Sunan Abu Dawud 20:137
হাসানহাসান LighairihiIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّقَفِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ الْعَسْقَلاَنِيُّ، - الْمَعْنَى وَاحِدٌ - أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى بْنِ قَيْسٍ الْمَأْرِبِيَّ، حَدَّثَهُمْ أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ شُرَاحِيلَ، عَنْ سُمَىِّ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ شُمَيْرٍ، - قَالَ ابْنُ الْمُتَوَكِّلِ ابْنِ عَبْدِ الْمَدَانِ - عَنْ أَبْيَضَ بْنِ حَمَّالٍ، أَنَّهُ وَفَدَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَقْطَعَهُ الْمِلْحَ - قَالَ ابْنُ الْمُتَوَكِّلِ الَّذِي بِمَأْرِبَ - فَقَطَعَهُ لَهُ فَلَمَّا أَنْ وَلَّى قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْمَجْلِسِ أَتَدْرِي مَا قَطَعْتَ لَهُ إِنَّمَا قَطَعْتَ لَهُ الْمَاءَ الْعِدَّ ‏.‏ قَالَ فَانْتَزَعَ مِنْهُ قَالَ وَسَأَلَهُ عَمَّا يُحْمَى مِنَ الأَرَاكِ قَالَ ‏"‏ مَا لَمْ تَنَلْهُ خِفَافٌ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ الْمُتَوَكِّلِ ‏"‏ أَخْفَافُ الإِبِلِ ‏"‏ ‏.‏
। আব্ইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি একটি প্রতিনিধি নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন এবং তাঁর কাছে ‘লবন কূপটি’ দান হিসেবে চাইলেন। ইবনুল মুতাওয়াক্কিল বলেন, এটা মা‘রিব নামক স্থানে অবস্থিত ছিলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তা দিলেন। আব্ইয়াদ ফিরে যাওয়ার সময় বৈঠকে উপস্থিত এক ব্যক্তি বললো, আপনি কি জানেন তাকে কোন জমি দান করেছেন? আপনি তাকে ঝরণার অফুরন্ত পানি দিয়েছেন। লোকটি বললো, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার কাছ থেকে ঐ জমি ফিরিয়ে নেন। তিনি বলেন, আবইয়াদ তাঁকে এ জিজ্ঞেস করেন, আরাক গাছে বেড়া দিবে কি না। তিনি বললেনঃ যাতে সেখানে ক্ষুরের পদচারণা না হয়। ইবনুল মুতাওয়াক্কিল বলেন, ক্ষুর বলতে বুঝানো হয়েছে উটের পায়ের ক্ষুর।
হাদিস 3065 — Sunan Abu Dawud 20:138
Very DaifVery DaifIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَخْزُومِيُّ ‏ "‏ مَا لَمْ تَنَلْهُ أَخْفَافُ الإِبِلِ ‏"‏ يَعْنِي أَنَّ الإِبِلَ تَأْكُلُ مُنْتَهَى رُءُوسِهَا وَيُحْمَى مَا فَوْقَهُ ‏.‏
। মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-মাখযুমী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উটের পদচারণা হবে না’ অর্থাৎ উট গাছের উপরিভাগ খেয়ে থাকে। সুতরাং তা রক্ষার জন্য উপরেই বেড়া দিতে হবে।
হাদিস 3066 — Sunan Abu Dawud 20:139
হাসানহাসান Lighairihiহাসান Lighairihiদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَنَا فَرَجُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي عَمِّي، ثَابِتُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَبْيَضَ بْنِ حَمَّالٍ أَنَّهُ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ حِمَى الأَرَاكِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ حِمَى فِي الأَرَاكِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَرَاكَةً فِي حِظَارِي ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ عَلَيْهِ السَّلاَمُ ‏"‏ لاَ حِمَى فِي الأَرَاكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَرَجٌ يَعْنِي بِحِظَارِي الأَرْضَ الَّتِي فِيهَا الزَّرْعُ الْمُحَاطُ عَلَيْهَا ‏.‏
। আবইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তিনি আরাক গাছ সমৃদ্ধ জমি সংরক্ষনার্থে তাকে তা দেয়ার জন্য আবেদন করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আরাক গাছে বেড়া দেয়া যায় না। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তা যদি আমার জমির প্রাচীরের মধ্যে থাকে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আরাক গাছ সমৃদ্ধ ভূমি বেড়া দিয়ে করা যায় না। বর্ণনাকারী ফারাজ বলেন, ‘হিদার’ হলো চারদিকে ঘেরা কৃষি জমি।
হাদিস 3067 — Sunan Abu Dawud 20:140
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَبُو حَفْصٍ، حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، قَالَ عُمَرُ - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ - قَالَ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، صَخْرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزَا ثَقِيفًا فَلَمَّا أَنْ سَمِعَ ذَلِكَ صَخْرٌ رَكِبَ فِي خَيْلٍ يُمِدُّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَوَجَدَ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدِ انْصَرَفَ وَلَمْ يَفْتَحْ فَجَعَلَ صَخْرٌ يَوْمَئِذٍ عَهْدَ اللَّهِ وَذِمَّتَهُ أَنْ لاَ يُفَارِقَ هَذَا الْقَصْرَ حَتَّى يَنْزِلُوا عَلَى حُكْمِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُفَارِقْهُمْ حَتَّى نَزَلُوا عَلَى حُكْمِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَتَبَ إِلَيْهِ صَخْرٌ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ ثَقِيفًا قَدْ نَزَلَتْ عَلَى حُكْمِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَأَنَا مُقْبِلٌ إِلَيْهِمْ وَهُمْ فِي خَيْلٍ ‏.‏ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالصَّلاَةِ جَامِعَةً فَدَعَا لأَحْمَسَ عَشْرَ دَعَوَاتٍ ‏"‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لأَحْمَسَ فِي خَيْلِهَا وَرِجَالِهَا ‏"‏ ‏.‏ وَأَتَاهُ الْقَوْمُ فَتَكَلَّمَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنَّ صَخْرًا أَخَذَ عَمَّتِي وَدَخَلَتْ فِيمَا دَخَلَ فِيهِ الْمُسْلِمُونَ ‏.‏ فَدَعَاهُ فَقَالَ ‏"‏ يَا صَخْرُ إِنَّ الْقَوْمَ إِذَا أَسْلَمُوا أَحْرَزُوا دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ فَادْفَعْ إِلَى الْمُغِيرَةِ عَمَّتَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَدَفَعَهَا إِلَيْهِ وَسَأَلَ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَاءً لِبَنِي سُلَيْمٍ قَدْ هَرَبُوا عَنِ الإِسْلاَمِ وَتَرَكُوا ذَلِكَ الْمَاءَ ‏.‏ فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَنْزِلْنِيهِ أَنَا وَقَوْمِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ فَأَنْزَلَهُ وَأَسْلَمَ - يَعْنِي السُّلَمِيِّينَ - فَأَتَوْا صَخْرًا فَسَأَلُوهُ أَنْ يَدْفَعَ إِلَيْهِمُ الْمَاءَ فَأَبَى فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَسْلَمْنَا وَأَتَيْنَا صَخْرًا لِيَدْفَعَ إِلَيْنَا مَاءَنَا فَأَبَى عَلَيْنَا ‏.‏ فَأَتَاهُ فَقَالَ ‏"‏ يَا صَخْرُ إِنَّ الْقَوْمَ إِذَا أَسْلَمُوا أَحْرَزُوا أَمْوَالَهُمْ وَدِمَاءَهُمْ فَادْفَعْ إِلَى الْقَوْمِ مَاءَهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ يَا نَبِيَّ اللَّهِ ‏.‏ فَرَأَيْتُ وَجْهَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَغَيَّرُ عِنْدَ ذَلِكَ حُمْرَةً حَيَاءً مِنْ أَخْذِهِ الْجَارِيَةَ وَأَخْذِهِ الْمَاءَ ‏.‏
। উসমান ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদা সাখর (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ সাক্বীফের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলেন। সাখর (রাঃ) এটা জানতে পেরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহায্যের জন্য কয়েকজন ঘোড় সওয়ার নিয়ে রওয়ানা হলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিনা বিজয়ে ফিরে আসতে দেখলেন। তখন সাখর (রাঃ) আল্লাহর নামে শপথ করে নিজ দায়িত্ব নিলেন যে, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশের সামনে মাথা নত করে দূর্গ থেকে বের না হওয়ার পর্যন্ত তিনি তা অবরোধ করে রাখবেন। ব্যাপার তাই হলো। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ মেনে দূর্গ থেকে বেরিয়ে এলো। তখন সাখর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ মর্মে চিঠি লিখলেনঃ আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর, হে আল্লাহর রাসূল! বনূ সাক্বীফ আপনার নির্দেশ অনুযায়ী আত্মসমর্পন করেছে। আমি তাদের কাছে যাচ্ছি। তারা ঘোড় সওয়ার অবস্থায় বের হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সংবাদ জানতে পেরে জামা‘আতের সালাত আদায়ের জন্য তৈরী হতে নির্দেশ দিলেন। তিনি আহমাস গোত্রের জন্য দশবার দু‘আ করলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আহমাস গোত্রের ঘোড়া ও জনশক্তিতে বরকত দান করুন।’ অতঃপর লোকেরা তার কাছে আসলো। তাদের পক্ষ থেকে মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) তাঁর সাথে কথা বললেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! সাখর (রাঃ) আমার ফুফুকে ধরে এনেছে। অথচ তিনি ইসলাম কবূল করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে এনে বললেনঃ হে সাখর! কোনো গোত্রের লোক ইসলাম কবূল করলে তারা তাদের জীবনে ও সম্পদের নিরাপত্তা লাভ করে। মুগীরাহর ফুফুকে তার নিকট ফিরিয়ে দাও। তিনি (সাখর) তাকে মুগীরাহর নিকট ফিরিয়ে দিলেন। সাখর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বনূ সুলাইমের পানির কূপটি চাইলেন। তারা ইসলাম গ্রহণ করার ভয়ে এই কূপ ছেড়ে পালিয়েছিল। সাখর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাকে ও আমার গোত্রকে এ কূপের নিকটে বসবাসের অনুমতি দিন। তিনি বললেনঃ ঠিক আছে, তিনি তাদেরকে সেখানে বসবাসের অনুমতি দিলেন। ইতিমধ্যে বনূ সুলাইমের লোকেরা ইসলাম কবূল করলো। তারা সাখরের নিকট এসে তাদের কূপ ফেরত চাইলে তিনি তা ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করলেন। অবশেষে তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর নবী! ‘আমরা ইসলাম কবূলের পর শাখরের কাছে এসে আমাদের কূপটি ফেরত চাইলে তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে এনে বললেনঃ হে সাখর! কোনো সম্প্রদায় ইসলাম গ্রহণ করলে তারা নিজেদের জান-মালের নিরাপত্তা পায়। সুতরাং তাদের পানির কূপটি তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! ঠিক আছে। এ সময় আমি লক্ষ্য করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা মুবারাক লজ্জায় লাল হয়ে গেলো। কেননা সাখরের কাছ থেকে বাদী ও কূপ ফেরত নেয়া হয়েছিল।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।