। কাতাদাহ (রহঃ) তার সনদে একই অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি আরো বর্ণনা করেন, ক্রেতা তিনদিনের মধ্যে কোনো দোষ দেখতে পেলে বিনা প্রমাণে ফেরত দিতে পারবে। আর তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ত্রুটি দেখতে পেলে ক্রেতাকে প্রমাণ দিতে হবে যে, তার ক্রয়ের সময়ই এই দোষ বিদ্যামান ছিলো। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটা কাতাদাহর নিজস্ব ব্যাখ্যা।
হাদিস 3508 — Sunan Abu Dawud 24:93
হাসানহাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ مَخْلَدِ بْنِ خُفَافٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْخَرَاجُ بِالضَّمَانِ " .
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফা ঝুকির অনুগামী।
। মাখলাদ ইবনু কুফাক আল গিফারী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং কতিপয় লোকের যৌথ মালিকানায় একটি গোলাম ছিলো। কতিপয়ের অংশীদারের অনুপস্থিতিতে আমি তাকে কাজে নিয়োগ করলে সে আমার জন্য কিছু উপার্জন করে আনলো। আমার এক অংশীদার এই আয়ে তার অংশ দাবী করে কোনো এক বিচারকের কাছে মোকাদ্দমা দায়ের করলো। বিচারক আমাকে অংশীদারের অংশ ফেরত দিতে নির্দেশ দিলেন। আমি উরওয়াহ ইবনুয যুবায়রের কাছে এসে বিষয়টি জানালাম। উরওয়াহ বিচারকের কাছে এসে তাকে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফায়সালা শুনালেনঃ মুনাফা ঝুকির সাথে সম্পৃক্ত।
হাদিস 3510 — Sunan Abu Dawud 24:95
হাসানহাসান Lighairihiহাসান Sahihদাঈফ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْوَانَ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ الزَّنْجِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ رَجُلاً، ابْتَاعَ غُلاَمًا فَأَقَامَ عِنْدَهُ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يُقِيمَ ثُمَّ وَجَدَ بِهِ عَيْبًا فَخَاصَمَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَرَدَّهُ عَلَيْهِ فَقَالَ الرَّجُلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدِ اسْتَغَلَّ غُلاَمِي . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْخَرَاجُ بِالضَّمَانِ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا إِسْنَادٌ لَيْسَ بِذَاكَ .
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি একটি কৃতদাস কিনলো। আল্লাহ যতদিন চাইলেন গোলামটি তার কাছেই থাকলো। অতঃপর সে তার মধ্যে দোষ দেখতে পেলো। তখন লোকটি বিক্রেতার বিরুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অভিযোগ পেশ করলো। তিনি গোলামটি বিক্রেতাকে ফেরত দিলেন। বিক্রেতা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোলাম এতদিনে যা উপার্জন করেছে (তা কি হবে)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুনাফা ঝুকির সাথে সম্পৃক্ত। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এই হাদীসের সনদ তেমন নির্ভরযোগ্য নয়।
। ‘আব্দুর রাহমান ইবনু কায়িস ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল আশ‘আস (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (কায়িস) বলেন, আশ‘আস (রাঃ) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর কাছ থেকে বিশ হাজার দিরহামে কয়েকটি গোলাম কিনলেন। এগুলো তিনি পেয়েছিলেন গানীমাতের এক-পঞ্চমাংশ থেকে। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) তার কাছে দাম চেয়ে পাঠালেন। তিনি বললেন, আমি দশ হাজার দিরহামে কিনেছি। ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ তুমি এমন কোনো ব্যক্তিকে বেছে নাও, যিনি আমার ও তোমার মাঝে মধ্যস্ততা করবে। ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে মতভেদ হলে যদি এ ব্যাপারে কারো কাছে কোনো প্রমাণ না থাকে তাহলে পণ্যের মালিকের কথা গ্রহণযোগ্য হবে কিংবা উভয়েই চুক্তি বাতিল করবে।
। আল-কাসিম ইবনু ‘আব্দুর রাহমান (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) আশ‘আস ইবনু কায়িস (রাঃ)-এর কাছে কিছু গোলাম বিক্রি করেন। অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে কিছু কম-বেশী আছে।
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক শরীকানা সম্পদে শুফ‘আর অধিকার আছে। চাই তা বাড়ি হোক কিংবা বাগান। অন্যান্য শরীকদের না জানিয়ে তা বিক্রি করা উচিত নয়। কেউ যদি শরীককে না জানিয়ে বিক্রি করে তাহলে অপর শরীকদের শুফ‘আর অধিকারী হবে। অবশ্য সে বিক্রিতে সম্মতি দিলে ভিন্ন কথা।
। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সম্পত্তিতে শুফ‘আর ব্যবস্থা রেখেছেন যা এখনো বণ্টন করা হয়নি। সীমানা চিহ্নিত হয়ে গেলে এবং পৃথক রাস্তা করা হলে আর শুফ‘আর অধিকার থাকে না।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন যমীন ভাগ করা হয়ে যায় এবং সীমানা নির্ধারণ করা হয়ে যায়, তখন আর শুফ‘আর অধিকার থাকে না।