। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীর শুফ‘আর বেশী হকদার। সে অনুপস্থিত থাকলে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি কেউ দেউলিয়া হয়ে যায় তাহলে যে ব্যক্তি তার কাছে নিজের মাল অক্ষত অবস্থায় পাবে সেই ঐ মালের অধিক হকদার হবে। অন্যান্য পাওনাদারের তুলনায়।
। আবু বাকর ইবনু ‘আব্দুর রাহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি মাল বিক্রি করার পর যদি ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে যায় এবং বিক্রেতা তার কাছ থেকে এর মূল্য আদায় করতে না পারে তাহলে সে তার বিক্রিত পণ্য ক্রেতার নিকট অক্ষত অবস্থায় পেলে সেই হবে ঐ মালের অধিক হকদার। ক্রেতা মারা গেলে বিক্রেতা অন্যন্যা পাওনাদারের মতই একজন পাওনাদার গণ্য হবে।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ক্রেতা পণ্যের মূল্য কিছু পরিশোধ করে থাকে তাহলে বিক্রেতা তার অবশিষ্ট পাওনার ক্ষেত্রে অন্যান্য পাওনাদারের মতই একজন পাওনাদার গণ্য হবে। কোনো ব্যক্তি যদি এমন অবস্থায় মারা যায় যে, তার কাছে বিক্রেতার মাল অক্ষত রয়েছে। তাহলে বিক্রেতা তার কাছে কিছুটা মূল্য পেয়ে থাকুক বা না থাকুক, উভয় অবস্থায়েই সে অন্যান্য পাওনাদারের মতই গণ্য হবে।
। আবূ বাকর ইবনু ‘আব্দুর রাহমান ইবনুল ইবনু হিশাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতঃপর মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছেঃ সে মূল্যের কিছু অংশ পরিশোধ করে থাকলে বিক্রেতা অপরাপর পাওনাদারের মতই একজন পাওনাদার গণ্য হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মালিক বর্ণিত হাদীসটি অধিকতর সহীহ।
। ‘উমার ইবনু খালদাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘আমরা আমাদের এক দেউলিয়া সাথীর মোকদ্দমা নিয়ে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি তোমাদের অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুরূপ ফায়সালা প্রদান করবো। তা হলোঃ কেউ দেউলিয়া হয়ে গেলে অথবা মারা গেলে পাওনাদার যদি তার মাল ঐ ব্যক্তির কাছে অক্ষত অবস্থায় পায় তাহলে মালিকই ঐ মালের অধিক হকদার।
। আবান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘আমির আশ-শা‘বী (রহঃ) তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে পশুকে মালিক খাওয়াতে অক্ষম হয়ে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিলো। এখন যে ব্যক্তি পশুটি কুড়িয়ে নিয়ে সেবা-যত্ন করে সুস্থ-সবল করে তুলবে সেই হবে পশুটির মালিক। আবানের হাদীসে রয়েছেঃ ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) ‘আমির আশ-শা‘বী (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি এ হাদীস কার থেকে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একাধিক সাহাবীর কাছ থেকে শুনেছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটি হাম্মাদ বর্ণিত হাদীস এবং এটি অধিক স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ।
। আশ-শা‘বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি তার কোনো পশুকে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার অবস্থায় পরিত্যাগ করলে যে ব্যক্তি এটাকে তুলে নিয়ে সেবা-যত্নের মাধ্যমে সুস্থ-সবল করে তুলবে সে-ই হবে এর মালিক।