حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ أُخْبِرْتُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ وَهِيَ تَذْكُرُ شَأْنَ خَيْبَرَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَبْعَثُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ رَوَاحَةَ إِلَى يَهُودِ خَيْبَرَ فَيَخْرِصُ النَّخْلَ حِينَ يَطِيبُ قَبْلَ أَنْ يُؤْكَلَ مِنْهُ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি খায়বারের আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-কে খায়বারের ইহুদীদের কাছে প্রেরণ করলেন। তিনি গাছের খেজুরের পরিমাণ অনুমানে নির্ধারণ করতেন- যখন তা পুষ্ট হতো, তবে খাওয়ার উপযোগী হওয়ার পূর্বে।[1] দুর্বল।
। আবূ উমামাহ ইবনু সাহল (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাত হিসেবে জু‘রূর ও হুবাইক বর্ণের খেজুর গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, এগুলো মদীনার দু‘টি বিশেষ বর্ণের খেজুর।[1] সহীহ।
। ‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে আমাদের নিকট প্রবেশ করলেন, তাঁর হাতে একটি লাঠি ছিলো। মসজিদে আমাদের এক ব্যক্তি নিকৃষ্ট মানের এক গুচ্ছ খেজুর ঝুলিয়ে রেখেছিল। তিনি ঐ খেজুর গুচ্ছে লাঠি দিয়ে আঘাত করে বলেনঃ এর সাদাকাহকারী ইচ্ছে করলে এর চাইতে উত্তমটি সাদাকা করতে পারতো। তিনি আরো বলেনঃ এর সাদাকাকারীকে কিয়ামতের দিন নিকৃষ্ট ফল খেতে হবে।[1] হাসান।
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাকাতুল ফিতর ফারয করেছেন- অশ্লীল কথা ও বেহুদা কাজ হতে (রমাযানের) সওমকে পবিত্র করতে এবং মিসকীনদের খাদ্যের ব্যবস্থার জন্য। যে ব্যক্তি (ঈদের) সালাতের পূর্বে তা আদায় করে সেটা কবুল সাদাকা হিসেবে গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি সালাতের পরে আদায় করে, তা সাধারন দান হিসেবে গৃহীত হবে।[1] হাসান।
হাদিস 1610 — Sunan Abu Dawud 9:55
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1509) Sahih Muslim (986)
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেরা সালাতের উদ্দেশে (ঈদগাহে) যাওয়ার পূর্বেই আমাদেরকে সাদাকাতুল ফিতর প্রদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন। নাফি’ (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ঈদের একদিন ও দুইদিন পূর্বেই তা আদায় করতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম ইবনু ‘উমারের কর্ম বাদে। অনুরূপ বুখারীতে।
হাদিস 1611 — Sunan Abu Dawud 9:56
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1504) Sahih Muslim (984)
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাকাতুল ফিতর ফারয করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন, ইমাম মালিক (রহঃ) তাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন যে, প্রত্যেক স্বাধীন অথবা গোলাম, পুরুষ কিংবা নারী নির্বিশেষে সকল মুসলিমের উপর মাথাপিছু এক সা‘ খেজুর বা যব রমাযানের ফিতরাহ ওয়াজিব।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1612 — Sunan Abu Dawud 9:57
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1503) Sahih Muslim (984)
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাতুল ফিতর এক সা‘ ফারয করেছেন। অতঃপর মালিকের হাদীসের ভাবার্থ বর্ণনা করেন। তাতে এ কথাটিও আছেঃ ছোট এবং বড় সকলের পক্ষ হতেই। তিনি লোকদের (ঈদের) সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই তা আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস ‘আবদুল্লাহ আল-উমারী (রহঃ) নাফি‘ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তাতে রয়েছেঃ ‘প্রত্যেক মুসলিমের উপর’। আল-জুমাহী ‘উবায়দুল্লাহ হতে, তিনি নাফি‘ হতে বর্ণনা করেছেন, তাতে ‘মুসলিমের পক্ষ হতে, কথাটি উল্লেখ নেই। সহীহ : বুখারী।
। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বাধীন ও গোলাম, ছোট ও বড়- এদের উপর সাদাকাতুল ফিতর এক সা‘ ফারয করেছেন। বর্ণনাকারী মূসা ‘‘পুরুষ ও নারীর’’ কথাটি বৃদ্ধি করেছেন।[1] ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আইয়ূব ও ‘আবদুল্লাহ আল-‘উমারী তাদের হাদীসে নাফি‘ হতে ‘‘পুরুষ ও নারী’’ কথা বর্ণনা করেছেন। সহীহ।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে লোকেরা মাথাপিছু এক সা‘ যব কিংবা খেজুর অথবা খোসাবিহীন গম অথবা কিসমিস সাদাকাতুল ফিতর দিতো। নাফি‘ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ‘উমার (রাঃ) খলীফা নিযুক্ত হওয়ার পর প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদিত হলে ‘উমার (রাঃ) ঐ বস্তুগুলোর এক সা‘ এর স্থলে অর্ধ সা‘ গম নির্ধারণ করলেন।[1] দুর্বল।
হাদিস 1615 — Sunan Abu Dawud 9:60
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1511) Sahih Muslim (984)