حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَدِيٌّ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَالْحَسَنُ عَلَى عَاتِقِهِ يَقُولُ " اللَّهُمَّ إِنِّي أُحِبُّهُ فَأَحِبَّهُ ".
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসানকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্কন্ধের উপর দেখেছি। সে সময় তিনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন, হে আল্লাহ্! আমি একে ভালবাসি, তুমিও তাকে ভালবাস। (মুসলিম ৪৪/৮ হাঃ ২৪২২, আহমাদ ১৮৫২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
‘উকবাহ ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ বাকর (রাঃ)-কে দেখলাম, তিনি হাসান (রাঃ)-কে কোলে তুললেন এবং বলতে লাগলেন, এ-ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সদৃশ, ‘আলীর সদৃশ নয়। তখন ‘আলী (রাঃ) হাসছিলেন। (৩৫৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 3751 — Sahih al Bukhari 62:96
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَصَدَقَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ وَاقِدِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ أَبُو بَكْرٍ ارْقُبُوا مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم فِي أَهْلِ بَيْتِهِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সন্তুষ্টি তাঁর পরিবারবর্গের (প্রতি সদাচরণের) মাধ্যমে অর্জন কর। (৩৭১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 3752 — Sahih al Bukhari 62:97
حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ،. وَقَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي أَنَسٌ، قَالَ لَمْ يَكُنْ أَحَدٌ أَشْبَهَ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারে হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর চেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না। ‘আবদুর রায্যাক (রহ.) ...আনাস (রাঃ) হতে একইভাবে বর্ণিত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 3753 — Sahih al Bukhari 62:98
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي نُعْمٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَسَأَلَهُ، عَنِ الْمُحْرِمِ،، قَالَ شُعْبَةُ أَحْسِبُهُ يَقْتُلُ الذُّبَابَ فَقَالَ أَهْلُ الْعِرَاقِ يَسْأَلُونَ عَنِ الذُّبَابِ وَقَدْ قَتَلُوا ابْنَ ابْنَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " هُمَا رَيْحَانَتَاىَ مِنَ الدُّنْيَا ".
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তাকে ইরাকের এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইহরামের অবস্থায় মশা-মাছি মারা যাবে কি? তিনি বললেন, ইরাকবাসী মশা-মাছি মারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে অথচ তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাতিকে হত্যা করেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) আমার নিকট দুনিয়ায় যেন দু’টি ফুল। (৫৯৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتُ دَفَّ نَعْلَيْكَ بَيْنَ يَدَيَّ فِي الْجَنَّةِ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জান্নাতে আমার অগ্রভাগে তোমার পাদুকার শব্দ শুনেছি। ৩৭৫৪. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলতেন, আবূ বাকর (রাঃ) আমাদের নেতা আর তিনি মুক্ত করেছেন আমাদের একজন নেতাকে অর্থাৎ বিলাল (রাঃ)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
কায়েস (রহ.) হতে বর্ণিত যে, বিলাল (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি যদি আপনার স্বীয় কাজের জন্য আমাকে কিনে থাকেন তাহলে আপনার খিদমতেই আমাকে নিয়োজিত রাখুন। আর যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের কামনায় আমাকে কিনে থাকেন, তবে আমাকে আল্লাহ্ তা‘আলার ‘ইবাদাত করার সুযোগ দান করুন! (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ وَاقِدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَعَى زَيْدًا وَجَعْفَرًا وَابْنَ رَوَاحَةَ لِلنَّاسِ قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَهُمْ خَبَرُهُمْ، فَقَالَ " أَخَذَ الرَّايَةَ زَيْدٌ فَأُصِيبَ، ثُمَّ أَخَذَ جَعْفَرٌ فَأُصِيبَ، ثُمَّ أَخَذَ ابْنُ رَوَاحَةَ فَأُصِيبَ ـ وَعَيْنَاهُ تَذْرِفَانِ ـ حَتَّى أَخَذَ سَيْفٌ مِنْ سُيُوفِ اللَّهِ حَتَّى فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ".
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ, জা‘ফর ও ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর মৃত্যু সংবাদ যুদ্ধক্ষেত্র হতে সংবাদ আসার পূর্বেই আমাদেরকে শুনিয়েছিলেন। তিনি বলছিলেন, যায়দ (রাঃ) পতাকা ধারণ করে শাহাদাত লাভ করেছে। অতঃপর জা‘ফর (রাঃ) পতাকা ধারণ করে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করল। অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) পতাকা হাতে নিয়ে শাহাদাত লাভ করল। তিনি যখন এ কথাগুলি বলছিলেন তখন তাঁর দু’ চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছিল। (অতঃপর বললেন) আল্লাহ তা‘আলার তরবারিগুলোর এক তরবারি অর্থাৎ খালিদ ইবনু ওয়ালিদ পতাকা উঠিয়েছেন। অবশেষে আল্লাহ মুসলিমদেরকে বিজয় দিয়েছেন। (১২৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মাসরূক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর মজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর আলোচনা হলে তিনি বললেন, আমি এই লোককে ঐদিন হতে অত্যন্ত ভালবাসি যেদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমরা চার ব্যক্তি হতে কুরআন শিক্ষা কর, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ সর্বপ্রথম তাঁর নাম বললেন, আবূ হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম সালিম, ‘উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) ও মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে। উবাই (রাঃ) ও মু‘আয (রাঃ) এ দু’জনের কার নাম আগে বলেছিলেন সেটুকু আমার স্মরণ নেই। (৩৭৬০, ৩৮০৬, ৩৮০৮, ৪৯৯৯, মুসলিম ৪৪/২২ হাঃ ২৪৬৪) (১৪০৮আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)