حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ كُنْتُ أَلْعَبُ بِالْبَنَاتِ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَانَ لِي صَوَاحِبُ يَلْعَبْنَ مَعِي، فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ يَتَقَمَّعْنَ مِنْهُ، فَيُسَرِّبُهُنَّ إِلَىَّ فَيَلْعَبْنَ مَعِي.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনেই আমি পুতুল বানিয়ে খেলতাম। আমার বান্ধবীরাও আমার সাথে খেলা করত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশ করলে তারা দৌড়ে পালাত। তখন তিনি তাদের ডেকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতেন এবং তারা আমার সঙ্গে খেলত। [মুসলিম৪৪/১৩, হাঃ ২৪৪০, আহমাদ ২৬০২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وَيُذْكَرُ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ إِنَّا لَنَكْشِرُ فِي وُجُوهِ أَقْوَامٍ وَإِنَّ قُلُوبَنَا لَتَلْعَنُهُمْ আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, আমরা কোন কোন কাওমের সঙ্গে বাহ্যত হাসি-খুশি মেলামেশা করি। কিন্তু আমাদের অন্তরগুলো তাদের উপর লা‘নাত বর্ষণ করে। ৬১৩১. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও। সে তার বংশের নিকৃষ্ট সন্তান। অথবা বললেনঃ সে তার গোত্রের ঘৃণ্যতম ভাই। যখন সে প্রবেশ করল, তখন তিনি তার সাথে নম্রভাবে কথাবার্তা বললেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর ব্যাপারে যা বলার তা বলেছেন। এখন আপনি তার সাথে নম্রভাবে কথা বললেন। তিনি বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! আল্লাহর কাছে মর্যাদায় নিকৃষ্ট সে ব্যক্তি, যার অশালীন ব্যবহার থেকে বেঁচে থাকার জন্য মানুষ তার সংসর্গ বর্জন করে চলে। [৬০৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কয়েকটি রেশমের তৈরী সোনার বোতাম লাগান) ‘কাবা’ হাদিয়া দেয়া হলো। তিনি এগুলো সাহাবীদের মধ্যে বেঁটে দিলেন এবং তা থেকে একটি মাখরামাহ (রাঃ)-এর জন্য আলাদা করে রাখলেন। পরে যখন তিনি এলেন, তখন তিনি বললেনঃ আমি এটি তোমার জন্য লুকিয়ে রেখেছিলাম। আইয়ূব নিজের কাপড়ের দিকে ইশারা করলেন, তিনি যেন তাঁর কাপড় মাখ্রামাহ্কে দেখাচ্ছিলেন। মাখরামাহ (রাঃ)-এর মেজাজের মধ্যে কিছু (অসন্তুষ্টির ভাব) ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6133 — Sahih al Bukhari 78:160
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " لاَ يُلْدَغُ الْمُؤْمِنُ مِنْ جُحْرٍ وَاحِدٍ مَرَّتَيْنِ ".
وَقَالَ مُعَاوِيَةُ لاَ حَكِيمَ إِلاَّ ذُو تَجْرِبَةٍ মু‘আবিয়া (রাঃ) বলেছেনঃ অভিজ্ঞতা ব্যতীত সহনশীলতা সম্ভব নয়। ৬১৩৩. আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রকৃত মু’মিন একই গর্ত থেকে দু’বার দংশিত হয় না। [মুসলিম৫৩/১২, হাঃ ২৯৯৮, আহমাদ ৮৯৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এসে বললেনঃ আমাকে কি এ খবর জানানো হয়নি যে, তুমি সারা রাত সালাতে অতিবাহিত কর। আর সারা দিন সিয়াম পালন কর। তিনি বললেনঃ তুমি (এ রকম) করো না। রাতের কিয়দংশ সালাত আদায় কর, আর ঘুমাও। কয়েকদিন সওম পালন কর, আর কয়েকদিন ইফতার কর (সওম ভঙ্গ কর)। তোমার উপর তোমার শরীরের হক আছে। তোমার উপর তোমার চোখের হক আছে, তোমার উপর তোমার মেহ্মানের হক আছে, আর তোমার উপর তোমার স্ত্রীরও হক আছে। নিশ্চয়ই তুমি তোমার আয়ু দীর্ঘ হবার আশা কর। কাজেই প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম পালনই তোমার পক্ষে যথেষ্ট। কেননা, নিশ্চয়ই প্রতিটি নেক কাজের পরিবর্তে তার দশগুণ সাওয়াব দেয়া হয়। সুতরাং এভাবে সারা বছরেই সিয়ামের সওয়াব পাওয়া যায়। তখন আমি কঠোর ব্যবস্থা চাইলে, আমাকে কঠোর ব্যবস্থা দেয়া হলো। আমি বললামঃ এর চেয়েও অধিক পালনের সামর্থ্য আমার আছে। তিনি বললেনঃ তা হলে তুমি প্রতি সপ্তাহে তিন দিন সিয়াম পালন কর। তখন আমি আরও কঠোর ব্যবস্থা চাইলে, আমাকে কঠোর দেয়া হলো। আমি বললামঃ আমি এর চেয়ে অধিক সিয়ামের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তবে তুমি আল্লাহর নবী দাঊদ (আ.)-এর সিয়াম পালন কর। আমি বললামঃ হে আল্লাহর নবী! দাঊদ (আ.)-এর সিয়াম কী রকম? তিনি বললেন, আধা বছর সিয়াম পালন। [১১৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قَالَ أَبُو عَبْد اللَّهِ يُقَالُ هُوَ زَوْرٌ وَهَؤُلَاءِ زَوْرٌ وَضَيْفٌ وَمَعْنَاهُ أَضْيَافُهُ وَزُوَّارُهُ لِأَنَّهَا مَصْدَرٌ مِثْلُ قَوْمٍ رِضًا وَعَدْلٍ يُقَالُ مَاءٌ غَوْرٌ وَبِئْرٌ غَوْرٌ وَمَاءَانِ غَوْرٌ وَمِيَاهٌ غَوْرٌ وَيُقَالُ الْغَوْرُ الْغَائِرُ لَا تَنَالُهُ الدِّلَاءُ كُلَّ شَيْءٍ غُرْتَ فِيهِ فَهُوَ مَغَارَةٌ تَزَّاوَرُ تَمِيلُ مِنْ الزَّوَرِ وَالْأَزْوَرُ الْأَمْيَلُ আবূ আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, বলা হয়ে থাকে। هُوَ زَوْرٌ وَهَؤُلاَءِ زَوْرٌ وَضَيْفٌ যার অর্থ দাঁড়ায় তার মেহমান ও দর্শনার্থী, কেননা, মাসদার বা ক্রিয়ামূল। قَوْمٍ رِضًا وَعَدْلٍ শব্দগুলোর মত। বলা হয়েছে, ভূগর্ভস্থ পানি বা ভূগর্ভস্থ কূপ। দু’টি ভূগর্ভস্থ পানির উৎস) এবং ভূগর্ভস্থ পানি। যেরূপ বলা হয়ে থাকে। الْغَوْرُ শব্দটির অর্থ اسم فاعل এর অর্থে অর্থাৎ الغائر এর অর্থ হয়ে থাকে। যেখানে কোন বালতি পৌঁছতে পারবে না। যে বস্তুর মধ্যে বালতি নামাবে সে স্থানকে مغارة অর্থাৎ নামানোর স্থান বলা হয়। تَزَّاوَرُ অর্থ দর্শনার্থী থেকে সরে যাওয়া। وَالأَزْوَرُ অর্থ الأَمْيَلُ অর্থাৎ সরে যাওয়া। ৬১৩৫. আবূ শুরায়হ্ কা‘বী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন মেহমানের সম্মান করে। মেহমানের সম্মান একদিন ও একরাত। আর সাধারণ মেহমানদারী তিনদিন ও তিনরাত। এরপরে (তা হবে) ‘সদাকাহ’। মেযবানকে কষ্ট দিয়ে, তার কাছে মেহমানের অবস্থান করা বৈধ নয়। (অন্যসূত্রে) মালিক (রহ.) এ রকম বর্ণনা করার পর আরো অধিক বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা সে যেন চুপ থাকে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৫,৫৬৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহ্ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। আর যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনে ঈমান রাখে সে যেন মেহমানের সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহতে ও শেষ দিনে ঈমান রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে। [৫১৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6137 — Sahih al Bukhari 78:164
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّهُ قَالَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ تَبْعَثُنَا فَنَنْزِلُ بِقَوْمٍ فَلاَ يَقْرُونَنَا فَمَا تَرَى، فَقَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنْ نَزَلْتُمْ بِقَوْمٍ فَأَمَرُوا لَكُمْ بِمَا يَنْبَغِي لِلضَّيْفِ فَاقْبَلُوا، فَإِنْ لَمْ يَفْعَلُوا فَخُذُوا مِنْهُمْ حَقَّ الضَّيْفِ الَّذِي يَنْبَغِي لَهُمْ ".
‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদের কোন জায়গায় পাঠালে আমরা এমন কাওমের কাছে হাজির হই, যারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ ব্যাপারে আপনার হুকুম কী? তখন তিনি আমাদের বললেনঃ যদি তোমরা কোন কাওমের নিকট হাজির হও, আর তারা তোমাদের মেহমানদারীর জন্য উপযুক্ত যত্ন নেয়, তবে তোমরা তা গ্রহণ করবে। আর যদি তারা না করে, তা হলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের থেকে মেহমানের হক আদায় করে নেবে। [২৪৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6138 — Sahih al Bukhari 78:165
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ ".
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন কল্যাণকর কথা বলে, অথবা চুপ থাকে। [৫১৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আবূ জুহাইফাহ (রাঃ)-এর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালমান ও আবূ দারদা (রাঃ)-এর মধ্যে ভ্রাতৃ বন্ধন স্থাপন করেন। এরপর একদিন সালমান আবূ দারদা-এর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। তখন তিনি উম্মু দারদা (রাঃ)-কে নিম্নমানের পোশাকে দেখতে পেলেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কী হয়েছে? তিনি বললেনঃ তোমার ভাই আবূ দারদার দুনিয়াতে কিছুর দরকার নেই। ইতোমধ্যে আবূ দারদা এলেন। অতঃপর তার জন্য খাবার তৈরি করে তাঁকে বললেন, আপনি খেয়ে নিন, আমি তো সিয়াম পালন করছি।’ তিনি বললেনঃ আপনি যতক্ষণ না খাবেন ততক্ষণ আমিও খাব না। তখন তিনিও খেলেন। তারপর যখন রাত হলো, তখন আবূ দারদা সালাতে দাঁড়ালেন। তখন সালমান তাঁকে বললেনঃ আপনি ঘুমিয়ে পড়ুন। তিনি শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পরে আবার উঠে দাঁড়ালে, তিনি বললেনঃ (আরও) ঘুমান। অবশেষে যখন রাত শেষ হয়ে এল, তখন সালমান বললেনঃ এখন উঠুন এবং তারা উভয়েই সালাত আদায় করলেন। তারপর সালমান বললেনঃ তোমার উপর তোমার রবের হক আছে, (তেমনি) তোমার উপর তোমার হক আছে এবং তোমার স্ত্রীরও তোমার উপর হক আছে। সুতরাং তুমি প্রত্যেক হকদারের দাবী আদায় করবে। তারপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে, তাঁর কাছে তার কথা উল্লেখ করলেনঃ তিনি বললেন, সালমান ঠিকই বলেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)