‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) কিছু লোককে মেহমান হিসাবে গ্রহণ করলেন। তিনি (তাঁর পুত্র) ‘আবদুর রহমান-কে নির্দেশ দিলেন, তোমার এ মেহমানদের নিয়ে যাও। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যাচ্ছি। আমি ফিরে আসার পূর্বেই তুমি তাঁদের খাওয়ানো সেরে নিও। ‘আবদুর রহমান তাদের নিয়ে চলে গেলেন এবং তাঁর ঘরে যা ছিল তা সামনে পেশ করে দিয়ে তাদের বললেন আপনারা খেয়ে নিন। তাঁরা বললেনঃ আমাদের এ বাড়ীর মালিক কোথায়? তিনি বললেনঃ আপনারা খেয়ে নিন। তাঁরা বললেনঃ বাড়ীর মালিক না আসা পর্যন্ত আমরা খাবো না। তিনি বললেনঃ আমাদের তরফ থেকে আপনারা আপনাদের খাবার খেয়ে নিন। কারণ, আপনারা না খেলে তিনি এলে আমার উপর রাগান্বিত হবেন। কিন্তু তাঁরা অস্বীকার করলেন। আমি ভাবলাম যে, তিনি অবশ্যই আমার উপর রাগান্বিত হবেন। তারপর তিনি ফিরে আসলে আমি তাঁর থেকে এক পাশে সরে পড়লাম। তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কী করেছেন। তখন তারা তাঁকে সব বর্ণনা করলেন। তখন তিনি বললেনঃ হে ‘আবদুর রহমান! তখন আমি চুপ থাকলাম। তিনি আবার ডাকলেন, হে ‘আবদুর রহমান! এবারেও আমি চুপ থাকলাম। তিনি আবার ডেকে বললেনঃ ওরে মূর্খ! আমি তোকে কসম দিচ্ছি। যদি আমার কথা শুনে থাকিস, তবে কেন আসছিস না? তখন আমি বেরিয়ে এসে বললাম, আপনি আপনার মেহমানদের জিজ্ঞেস করুন। তখন তারা বললেন, সে ঠিকই আমাদের খাবার এনে দিয়েছিল। তিনি বললেন, তবুও কি আপনারা আমার অপেক্ষা করছেন? আল্লাহর কসম! আমি আজ রাতে তো খাবো না। মেহমানরাও বললেনঃ আল্লাহর কসম! আপনি যে পর্যন্ত না খাবেন ততক্ষণ আমরাও খাবো না। তখন তিনি বললেন, আমি আজ রাতের মত মন্দ রাত আর দেখিনি। আমাদের প্রতি আক্ষেপ। আপনারা কি আমাদের খাবার কবূল করলেন না? তখন তিনি ‘আবদুর রহমানকে (ডেকে) বললেনঃ তোমার খাবার নিয়ে এসো। তিনি তা নিয়ে আসলে তিনিই খাবারের উপর নিজ হাত রেখে বললেন, বিসমিল্লাহ; এ প্রথম ঘটনাটা শয়তানের কারণেই ঘটেছে। তারপর তিনি খেলেন এবং তারাও খেলেন। [৬০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6141 — Sahih al Bukhari 78:168
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنهما جَاءَ أَبُو بَكْرٍ بِضَيْفٍ لَهُ أَوْ بِأَضْيَافٍ لَهُ، فَأَمْسَى عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا جَاءَ قَالَتْ أُمِّي احْتَبَسْتَ عَنْ ضَيْفِكَ ـ أَوْ أَضْيَافِكَ ـ اللَّيْلَةَ. قَالَ مَا عَشَّيْتِهِمْ فَقَالَتْ عَرَضْنَا عَلَيْهِ ـ أَوْ عَلَيْهِمْ فَأَبَوْا أَوْ ـ فَأَبَى، فَغَضِبَ أَبُو بَكْرٍ فَسَبَّ وَجَدَّعَ وَحَلَفَ لاَ يَطْعَمُهُ، فَاخْتَبَأْتُ أَنَا فَقَالَ يَا غُنْثَرُ. فَحَلَفَتِ الْمَرْأَةُ لاَ تَطْعَمُهُ حَتَّى يَطْعَمَهُ، فَحَلَفَ الضَّيْفُ ـ أَوِ الأَضْيَافُ ـ أَنْ لاَ يَطْعَمَهُ أَوْ يَطْعَمُوهُ حَتَّى يَطْعَمَهُ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ كَأَنَّ هَذِهِ مِنَ الشَّيْطَانِ فَدَعَا بِالطَّعَامِ فَأَكَلَ وَأَكَلُوا فَجَعَلُوا لاَ يَرْفَعُونَ لُقْمَةً إِلاَّ رَبَا مِنْ أَسْفَلِهَا أَكْثَرُ مِنْهَا، فَقَالَ يَا أُخْتَ بَنِي فِرَاسٍ مَا هَذَا فَقَالَتْ وَقُرَّةِ عَيْنِي إِنَّهَا الآنَ لأَكْثَرُ قَبْلَ أَنْ نَأْكُلَ فَأَكَلُوا وَبَعَثَ بِهَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَنَّهُ أَكَلَ مِنْهَا.
فِيهِ حَدِيثُ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم এ সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ জুহাইফার হাদীস রয়েছে। ৬১৪১. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার আবূ বাকর (রাঃ) তাঁর একজন কিংবা কয়েকজন মেহমান নিয়ে এলেন এবং সন্ধ্যার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কছে গেলেন। তিনি ফিরে আসলে আমার মা তাঁকে বললেনঃ আপনি মেহমানকে, কিংবা বললেন, মেহমানদের (ঘরে) রেখে (এতো) রাত কোথায় আটকা পড়েছিলেন? তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি তাদের খাবার দাওনি? তিনি বললেনঃ আমি তাদের সামনে খাবার দিয়েছিলাম কিন্তু তারা, বা সে তা খেতে অস্বীকার করলেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) রেগে গাল মন্দ করলেন ও বদ্ দু‘আ করলেন। আর শপথ করলেন যে, তিনি খাবার খাবেন না। আমি লুকিয়ে ছিলাম। তিনি আমাকে ডেকে বললেনঃ ওরে মূর্খ! তখন মহিলা (আমার মাও) কসম করলেন যে, যে পর্যন্ত তিনি না খাবেন ততক্ষণ মাও খাবেন না। এদিকে মেহমানটি বা মেহমানরাও কসম খেয়ে বসলেন যে, যে পর্যন্ত তিনি না খান, সে পর্যন্ত তারাও খাবেন না। তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেনঃ এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে শয়তান থেকে। তারপর তিনি খাবার আনতে বললেন। আর তিনি খেলেন এবং মেহমানরাও খেলেন। কিন্তু তারা খাওয়া আরম্ভ করে যতবারই ‘লুকমা’ উঠাতে লাগলেন, তার নীচে থেকে তার চেয়েও অধিক খাবার বাড়তে লাগলো। তখন তিনি তাঁর স্ত্রীকে ডেকে বললেনঃ হে বানী ফেরাসের বোন এ কী? তিনি বললেনঃ আমার চোখের প্রশান্তির কসম! এতো আমাদের পূর্বের খাবার থেকে এখন অনেক অধিক দেখছি। তখন সবাই খেলেন এবং তা থেকে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু পাঠিয়ে দিলেন। তারপর তিনি বর্ণনা করেন যে, তা থেকে তিনিও খেয়েছিলেন। [৬০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6142 — Sahih al Bukhari #6142
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، هُوَ ابْنُ زَيْدٍ ـ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ، مَوْلَى الأَنْصَارِ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، وَسَهْلَ بْنَ أَبِي حَثْمَةَ، أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَهْلٍ وَمُحَيِّصَةَ بْنَ مَسْعُودٍ أَتَيَا خَيْبَرَ فَتَفَرَّقَا فِي النَّخْلِ، فَقُتِلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَهْلٍ، فَجَاءَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَهْلٍ وَحُوَيِّصَةُ وَمُحَيِّصَةُ ابْنَا مَسْعُودٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَتَكَلَّمُوا فِي أَمْرِ صَاحِبِهِمْ فَبَدَأَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَكَانَ أَصْغَرَ الْقَوْمِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَبِّرِ الْكُبْرَ ". ـ قَالَ يَحْيَى لِيَلِيَ الْكَلاَمَ الأَكْبَرُ ـ فَتَكَلَّمُوا فِي أَمْرِ صَاحِبِهِمْ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَتَسْتَحِقُّونَ قَتِيلَكُمْ ـ أَوْ قَالَ صَاحِبَكُمْ ـ بِأَيْمَانِ خَمْسِينَ مِنْكُمْ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمْرٌ لَمْ نَرَهُ. قَالَ " فَتُبْرِئُكُمْ يَهُودُ فِي أَيْمَانِ خَمْسِينَ مِنْهُمْ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَوْمٌ كُفَّارٌ. فَوَدَاهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ قِبَلِهِ. قَالَ سَهْلٌ فَأَدْرَكْتُ نَاقَةً مِنْ تِلْكَ الإِبِلِ، فَدَخَلَتْ مِرْبَدًا لَهُمْ فَرَكَضَتْنِي بِرِجْلِهَا. قَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ بُشَيْرٍ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ يَحْيَى حَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ مَعَ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، وَقَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ بُشَيْرٍ عَنْ سَهْلٍ وَحْدَهُ.
রাফি‘ ইবনু খাদীজ ও সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ও মুহাইসাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) খাইবারে পৌঁছে উভয়েই খেজুরের বাগানের ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলেন। সেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ)-কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল ও ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর দুই ছেলে হুওয়াইসাহ ও মুহাইসাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন এবং তাঁর কাছে নিহত ব্যক্তির কথা বলতে লাগলেন। ‘আবদুর রহমান কথা শুরু করলেন। তিনি ছোট ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ তুমি বড়দের ইজ্জত করবে। বর্ণনাকারী ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ কথা বলার দায়িত্ব যেন বড়রা পালন করে। তখন তারা তাদের লোক সম্পর্কে কথা বললেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশ জন লোক কসম করে তোমাদের নিহত ভাইয়ের হত্যার হক প্রমাণ কর। তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! ঘটনা তো আমরা দেখিনি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তাদের থেকে পঞ্চাশ জন কসম করে তোমাদের কসম থেকে মুক্তি দিবে। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! ওরা তো কাফির সম্প্রদায়। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের তরফ থেকে তাদের নিহত ব্যক্তির ফিদ্ইয়া দিয়ে দিলেন। সাহল (রাঃ) বললেনঃ আমি সেই উটগুলো থেকে একটি উট পেলাম। সেটি নিয়ে আমি যখন আস্তাবলে গেলাম তখন উটনীটি তার পা দিয়ে আমাকে লাথি মারলো। [১৭০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6143 — Sahih al Bukhari 78:169
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، هُوَ ابْنُ زَيْدٍ ـ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ، مَوْلَى الأَنْصَارِ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، وَسَهْلَ بْنَ أَبِي حَثْمَةَ، أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَهْلٍ وَمُحَيِّصَةَ بْنَ مَسْعُودٍ أَتَيَا خَيْبَرَ فَتَفَرَّقَا فِي النَّخْلِ، فَقُتِلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَهْلٍ، فَجَاءَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَهْلٍ وَحُوَيِّصَةُ وَمُحَيِّصَةُ ابْنَا مَسْعُودٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَتَكَلَّمُوا فِي أَمْرِ صَاحِبِهِمْ فَبَدَأَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ، وَكَانَ أَصْغَرَ الْقَوْمِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَبِّرِ الْكُبْرَ ". ـ قَالَ يَحْيَى لِيَلِيَ الْكَلاَمَ الأَكْبَرُ ـ فَتَكَلَّمُوا فِي أَمْرِ صَاحِبِهِمْ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَتَسْتَحِقُّونَ قَتِيلَكُمْ ـ أَوْ قَالَ صَاحِبَكُمْ ـ بِأَيْمَانِ خَمْسِينَ مِنْكُمْ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمْرٌ لَمْ نَرَهُ. قَالَ " فَتُبْرِئُكُمْ يَهُودُ فِي أَيْمَانِ خَمْسِينَ مِنْهُمْ ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَوْمٌ كُفَّارٌ. فَوَدَاهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ قِبَلِهِ. قَالَ سَهْلٌ فَأَدْرَكْتُ نَاقَةً مِنْ تِلْكَ الإِبِلِ، فَدَخَلَتْ مِرْبَدًا لَهُمْ فَرَكَضَتْنِي بِرِجْلِهَا. قَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ بُشَيْرٍ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ يَحْيَى حَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ مَعَ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، وَقَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ بُشَيْرٍ عَنْ سَهْلٍ وَحْدَهُ.
রাফি‘ ইবনু খাদীজ ও সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ও মুহাইসাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) খাইবারে পৌঁছে উভয়েই খেজুরের বাগানের ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলেন। সেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ)-কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল ও ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর দুই ছেলে হুওয়াইসাহ ও মুহাইসাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন এবং তাঁর কাছে নিহত ব্যক্তির কথা বলতে লাগলেন। ‘আবদুর রহমান কথা শুরু করলেন। তিনি ছোট ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ তুমি বড়দের ইজ্জত করবে। বর্ণনাকারী ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ কথা বলার দায়িত্ব যেন বড়রা পালন করে। তখন তারা তাদের লোক সম্পর্কে কথা বললেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশ জন লোক কসম করে তোমাদের নিহত ভাইয়ের হত্যার হক প্রমাণ কর। তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! ঘটনা তো আমরা দেখিনি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তাদের থেকে পঞ্চাশ জন কসম করে তোমাদের কসম থেকে মুক্তি দিবে। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! ওরা তো কাফির সম্প্রদায়। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের তরফ থেকে তাদের নিহত ব্যক্তির ফিদ্ইয়া দিয়ে দিলেন। সাহল (রাঃ) বললেনঃ আমি সেই উটগুলো থেকে একটি উট পেলাম। সেটি নিয়ে আমি যখন আস্তাবলে গেলাম তখন উটনীটি তার পা দিয়ে আমাকে লাথি মারলো। [১৭০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6144 — Sahih al Bukhari 78:170
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَخْبِرُونِي بِشَجَرَةٍ مَثَلُهَا مَثَلُ الْمُسْلِمِ، تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا، وَلاَ تَحُتُّ وَرَقَهَا ". فَوَقَعَ فِي نَفْسِي أَنَّهَا النَّخْلَةُ، فَكَرِهْتُ أَنْ أَتَكَلَّمَ وَثَمَّ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، فَلَمَّا لَمْ يَتَكَلَّمَا قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " هِيَ النَّخْلَةُ ". فَلَمَّا خَرَجْتُ مَعَ أَبِي قُلْتُ يَا أَبَتَاهْ وَقَعَ فِي نَفْسِي أَنَّهَا النَّخْلَةُ. قَالَ مَا مَنَعَكَ أَنْ تَقُولَهَا لَوْ كُنْتَ قُلْتَهَا كَانَ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ كَذَا وَكَذَا. قَالَ مَا مَنَعَنِي إِلاَّ أَنِّي لَمْ أَرَكَ وَلاَ أَبَا بَكْرٍ تَكَلَّمْتُمَا، فَكَرِهْتُ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমাকে এমন একটা বৃক্ষের খবর দাও, যার দৃষ্টান্ত মুসলিমের মত। তা সর্বদা তার প্রতিপালকের নির্দেশে খাদ্য দান করে, আর এর পাতাও ঝরে না। তখন আমার মনে হল যে, এটি খেজুর গাছ। কিন্তু যেহেতু সে স্থানে আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত থেকেও কথা বলছিলেন না, তাই আমিও কথা বলা পছন্দ করিনি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই বললেন, সেটি হলো খেজুর গাছ। তারপর যখন আমি আমার আব্বার সঙ্গে বেরিয়ে এলাম, তখন আমি বললাম আববা! আমার মনেও খেয়াল এসেছিল যে, এটা নিশ্চয়ই খেজুর গাছ। তিনি বললেনঃ তোমাকে তা বলতে কিসে বাধা দিয়েছিল? যদি তুমি তা বলতে, তাহলে এ কথা আমার কাছে এত এত ধন-সম্পদ পাওয়ার চেয়েও অধিক প্রিয় হতো। তিনি বললেনঃ আমাকে শুধু এ কথাই বাধা দিয়েছিল যে, আমি দেখলাম, আপনি ও আবূ বাকর (রাঃ) কেউই কথা বলছেন না। তাই আমিও কথা বলা পছন্দ করলাম না। [৬১; মুসলিম ৫০/১৫, হাঃ ২৮১১, আহমাদ ৬৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وَقَوْلِهِ: (وَالشُّعَرَاءُ يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ أَلَمْ تَرَ أَنَّهُمْ فِي كُلِّ وَادٍ يَهِيمُونَ وَأَنَّهُمْ يَقُولُونَ مَا لاَ يَفْعَلُونَ إِلاَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَذَكَرُوا اللَّهَ كَثِيرًا وَانْتَصَرُوا مِنْ بَعْدِ مَا ظُلِمُوا وَسَيَعْلَمُ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَيَّ مُنْقَلَبٍ يَنْقَلِبُونَ). قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فِي كُلِّ لَغْوٍ يَخُوضُونَ. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ বিভ্রান্তরাই কবিদের অনুসরণ করে,তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদ্ভ্রান্ত হয়ে ফিরে?আর তারা যা বলে তা তারা নিজেরা করে না। কিন্তু ওরা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আর আল্লাহকে খুব বেশি স্মরণ করে আর নির্যাতিত হওয়ার পর নিজেদের প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা করে। যালিমরা শীঘ্রই জানতে পারবে কোন্ মহা সংকটময়) জায়গায় তারা ফিরে যচ্ছে। সূরাহ শু‘আরা (২৬/২২৪-২৭) ইবনু ‘আব্বাস বলেন, (তারা প্রত্যেক ময়দানে উদভ্রান্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়ায়?) এর অর্থ হল তারা প্রত্যেক নিরর্থক কথায় ডুবে থাকে। ৬১৪৫. ‘উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই কোন কোন কবিতার মধ্যে জ্ঞানের কথাও আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6146 — Sahih al Bukhari 78:172
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، سَمِعْتُ جُنْدَبًا، يَقُولُ بَيْنَمَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَمْشِي إِذْ أَصَابَهُ حَجَرٌ فَعَثَرَ فَدَمِيَتْ إِصْبَعُهُ فَقَالَ " هَلْ أَنْتِ إِلاَّ إِصْبَعٌ دَمِيتِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ مَا لَقِيتِ ".
জুনদুব হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক জিহাদে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি একটা পাথরে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন এবং তাঁর একটা আঙ্গুল রক্তে ভিজে গেল। তখন তিনি কবিতার ছন্দে বললেনঃ তুমি একটা রক্তে ভেজা আঙ্গুল ছাড়া কিছুই নও, আর যে কষ্ট ভোগ করছ তা তো কেবল আল্লাহর রাস্তাতেই। [২৮০২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6147 — Sahih al Bukhari 78:173
حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَصْدَقُ كَلِمَةٍ قَالَهَا الشَّاعِرُ كَلِمَةُ لَبِيدٍ أَلاَ كُلُّ شَىْءٍ مَا خَلاَ اللَّهَ بَاطِلُ ". وَكَادَ أُمَيَّةُ بْنُ أَبِي الصَّلْتِ أَنْ يُسْلِمَ.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কবিরা যে সব কথা বলেছেন, তার মধ্যে কবি লবীদের কথাটাই সর্বাধিক সত্য। (তিনি বলেছেনঃ) শোন! আল্লাহ ছাড়া সব কিছুই বাতিল। তিনি আরও বলেছেন, কবি উমাইয়াহ ইবনু সালত ইসলাম গ্রহণের নিকটবর্তী হয়েছিল। [৩৮৪১; মুসলিম পর্ব ৪১/হাঃ ২২৫৬, আহমাদ ১০০৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খাইবার অভিযানে গেলাম। আমরা রাতে চলছিলাম। দলের মধ্যে থেকে একজন ‘আমির ইবনু আক্ওয়া (রাঃ) বললেন যে, আপনি কি আপনার কবিতাগুলো থেকে কিছু পড়ে আমাদের শুনাবেন না? ‘আমির ছিলেন একজন কবি। কাজেই তিনি দলের লোকদের হুদী গেয়ে শুনাতে লাগলেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! তুমি না হলে, আমরা হিদায়াত পেতাম না। আমরা সদাকাহ দিতাম না, সালাত আদায় করতাম না। আমাদের পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করুন; যা আমরা আপনার জন্য উৎসর্গিত করেছি। যদি আমরা শত্রুর মুখোমুখী হই, তখন আমাদের পদদ্বয় সুদৃঢ় রাখুন। আমাদের উপর শান্তি বর্ষণ করুন, শত্রুর ডাকের সময় আমরা যেন বীরের মত ধাবিত হই। যখন তারা হৈ-হুল্লোড় করে, আমাদের উপর আক্রমণ চালায়।’’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ এ উট চালক লোকটি কে? লোকেরা বললেনঃ তিনি ‘আমির ইবনু আক্ওয়া। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর রহম করুন। দলের একজন বললেনঃ হে আল্লাহর নবী! তার জন্য তো শাহাদাত নির্দিষ্ট হয়ে গেল। হায়! যদি আমাদের এ সুযোগ দান করতেন। তারপর আমরা খাইবারে পৌঁছে শত্রুদের অবরোধ করে ফেললাম। এ সময় আমরা ভীষণ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লাম। অবশেষে আল্লাহ (খাইবারে যুদ্ধে) তাদের উপর আমাদের বিজয় দান করলেন। তারপর যেদিন খাইবার জয় হলো, সেদিন লোকেরা অনেক আগুন জ্বালাল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা এত সব আগুন কেন জ্বালাচ্ছ? লোকেরা বললোঃ গোশত রান্নার জন্য। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কিসের গোশত? তারা বললঃ গৃহপালিত গাধার গোশত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এসব গোশত ফেলে দাও এবং হাঁড়িগুলো ভেঙ্গে দাও। এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! বরং গোশতগুলো ফেলে আমরা হাঁড়িগুলো ধুয়ে নেই? তিনি বললেনঃ আচ্ছা তাই কর। রাবী বলেনঃ যখন লোকেরা যুদ্ধে সারিবদ্ধ হল। ‘আমির (রাঃ) এর তলোয়ার খানা ছোট ছিল। তিনি এক ইয়াহূদীকে মারার উদ্দেশে এটি দিয়ে তার উপর আক্রমণ করলেন। কিন্তু তার তলোয়ারের ধারাল অংশ ‘আমির-এরই হাঁটুতে এসে আঘাত করল। এতে তিনি মারা গেলেন। তারপর ফিরার সময় সবাই ফিরলেন। সালামাহ (রাঃ) বলেনঃ আমার চেহারার রং বদল হওয়া দেখে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কী হয়েছে? আমি বললামঃ আমার বাপ-মা আপনার প্রতি কুরবান হোক! লোকেরা বলছে যে, ‘আমিরের ‘আমল সব বরবাদ হয়ে গেছে। তিনি বললেনঃ এ কথাটা কে বলেছে? আমি বললামঃ অমুক, অমুক, অমুক এবং উসায়দ ইবনু হুযাইর আনসারী। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যারা এ কথা বলেছে, তারা মিথ্যা বলেছে। তিনি বললেনঃ তাঁর জন্য আছে দু’টি পুরস্কার, সে জাহিদ এবং মুজাহিদ। আরবে তাঁর মত লোক অল্পই হবে। [৬৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6149 — Sahih al Bukhari 78:175
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى بَعْضِ نِسَائِهِ وَمَعَهُنَّ أُمُّ سُلَيْمٍ فَقَالَ " وَيْحَكَ يَا أَنْجَشَةُ، رُوَيْدَكَ سَوْقًا بِالْقَوَارِيرِ ". قَالَ أَبُو قِلاَبَةَ فَتَكَلَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِكَلِمَةٍ، لَوْ تَكَلَّمَ بَعْضُكُمْ لَعِبْتُمُوهَا عَلَيْهِ قَوْلُهُ " سَوْقَكَ بِالْقَوَارِيرِ ".
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার হাস্সান ইবনু সাবিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মুশরিকদের নিন্দা করার অনুমতি চাইলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে এ নিন্দা থেকে আমার বংশের মর্যাদা কীভাবে রক্ষা পাবে? তখন হাস্সান বললেনঃ আমি তাদের থেকে আপনাকে এমনভাবে বের করে নেব, যেভাবে মাখানো আটা থেকে চুল বের করা হয়। রাবী ‘উরওয়াহ বর্ণনা করেন, একদিন আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে হাস্সান-কে গালি দিতে লাগলাম, তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাঁকে গালি দিওনা। কারণ, তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পক্ষ হতে মুশরিকদের প্রতিরোধ করতেন। [৩৫৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)