Qurani·قرآني
বাংলা

উত্তরাধিকার আইন (আল-ফারায়েজ)

49 হাদিস · #6723–6771

হাদিস 6753 — Sahih al Bukhari 85:30
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ هُزَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِنَّ أَهْلَ الإِسْلاَمِ لا يُسَيِّبُونَ، وَإِنَّ أَهْلَ الْجَاهِلِيَّةِ كَانُوا يُسَيِّبُونَ‏.‏
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইসলামের ধারক বাহকরা সায়বা বানায় না। জাহিলী যুগের লোকেরা সায়বা বানাত। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6754 — Sahih al Bukhari 85:31
حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ اشْتَرَتْ بَرِيرَةَ، لِتُعْتِقَهَا، وَاشْتَرَطَ أَهْلُهَا وَلاَءَهَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي اشْتَرَيْتُ بَرِيرَةَ لأُعْتِقَهَا، وَإِنَّ أَهْلَهَا يَشْتَرِطُونَ وَلاَءَهَا‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَعْتِقِيهَا فَإِنَّمَا الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْتَقَ ‏"‏‏.‏ أَوْ قَالَ ‏"‏ أَعْطَى الثَّمَنَ ‏"‏‏.‏ قَالَ فَاشْتَرَتْهَا فَأَعْتَقَتْهَا‏.‏ قَالَ وَخُيِّرَتْ فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا وَقَالَتْ لَوْ أُعْطِيتُ كَذَا وَكَذَا مَا كُنْتُ مَعَهُ‏.‏ قَالَ الأَسْوَدُ وَكَانَ زَوْجُهَا حُرًّا‏.‏ قَوْلُ الأَسْوَدِ مُنْقَطِعٌ، وَقَوْلُ ابْنِ عَبَّاسٍ رَأَيْتُهُ عَبْدًا‏.‏ أَصَحُّ‏.‏
আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ সিদ্দিকা (রাঃ) বারীরাকে আযাদ করার উদ্দেশে ক্রয় করলেন। তখন তার মনিব শর্ত করল যে বারীরার পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা বিক্রয়কারীর থাকবে। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি বারীরাকে আযাদ করার উদ্দেশে কিনতে চাই। কিন্তু তার মনিবরা তার ওয়ালা তাদের কাছে রাখার শর্ত করছে। তিনি বললেনঃ তাকে (কিনে) আযাদ কর। কারণ, ওয়ালা হল তার যে আযাদ করে। অথবা তিনি বললেনঃ তার মূল্য দিয়ে দাও। রাবী বলেন, তখন তিনি তাকে ক্রয় করলেন এবং আযাদ করে দিলেন। রাবী আরও বললেন, তাকে তার (স্বামীর সঙ্গে) থাকা না থাকার ব্যাপারে যে কোন একটি গ্রহণ করার স্বাধীনতা দেয়া হল। স্বামীর সঙ্গ থেকে নিজের মুক্তিকেই সে গ্রহণ করল এবং বলল, আমাকে যদি এত এত কিছু দেয়াও হয় তবুও আমি তার সাথী হব না। আসওয়াদ (রহ.) বলেন, তার স্বামী আযাদ ছিল। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ [বুখারী (রহ.)] বলেন, আসওয়াদ-এর বক্তব্য সূত্র ছিন্ন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বক্তব্য ‘আমি তাকে (বারীরার স্বামীকে) গোলামরূপে দেখেছি’ অধিকতর শুদ্ধ। [৪৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6755 — Sahih al Bukhari 85:32
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ عَلِيٌّ ـ رضى الله عنه مَا عِنْدَنَا كِتَابٌ نَقْرَؤُهُ إِلاَّ كِتَابُ اللَّهِ، غَيْرَ هَذِهِ الصَّحِيفَةِ‏.‏ قَالَ فَأَخْرَجَهَا فَإِذَا فِيهَا أَشْيَاءُ مِنَ الْجِرَاحَاتِ وَأَسْنَانِ الإِبِلِ‏.‏ قَالَ وَفِيهَا الْمَدِينَةُ حَرَمٌ مَا بَيْنَ عَيْرٍ إِلَى ثَوْرٍ، فَمَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا، أَوْ آوَى مُحْدِثًا، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لاَ يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلاَ عَدْلٌ، وَمَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ، فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لاَ يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلاَ عَدْلٌ، وَذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ، يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لاَ يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ وَلاَ عَدْلٌ‏.‏
ইবরাহীম তামীমীর পিতা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, কিতাবুল্লাহ্ ছাড়া আমাদের কাছে আর কোন কিতাব তো নেই যা আমরা পাঠ করতে পারি। অবশ্য এ লিপিখানা আছে। রাবী বলেন, এরপর তিনি তা বের করলেন। দেখা গেল যে, তাতে যখম ও উটের বয়সের ব্যাপারে লেখা আছে। রাবী বলেন, তাতে আরও লিপিবদ্ধ ছিল যে, (মাদ্বীনার) আইর থেকে নিয়ে অমুক স্থানের মধ্যবর্তী স্থান হারাম (বা সম্মানিত)। এখানে যে বিদআত করবে বা বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ্, ফেরেশতা, মানুষ এবং সকলের লা‘নাত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তার কোন ফরজ ‘আমল এবং কোন নফল কবূল করবেন না। যে ব্যক্তি মনিবের অনুমতি ব্যতীত কোন গোলামকে আশ্রয় প্রদান করে তার উপর আল্লাহ্, ফেরেশ্তা এবং সমস্ত মানুষের লা‘নাত। তার কোন ফরজ বা নফল কিয়ামতের দিন কবুল করা হবে না। সমস্ত মুসলিমের দায়িত্ব-কর্তব্য-অঙ্গীকার এক, একজন সাধারণ মুসলিমও তা মেনে চলবে। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের আশ্রয় প্রদানকে বানচাল করে তার উপর আল্লাহ্, ফেরেশতা এবং সকল মানুষের লা‘নাত। কিয়ামতের দিন তার কোন ফরজ ও নফল কবূল করা হবে না। [১১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6756 — Sahih al Bukhari 85:33
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْوَلاَءِ وَعَنْ هِبَتِهِ‏.‏
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ালা (গোলামের পরিত্যক্ত সম্পদের মালিকানা) বিক্রয় এবং হেবা করতে নিষেধ করেছেন। [২৫৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6757 — Sahih al Bukhari 85:34
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ جَارِيَةً تُعْتِقُهَا فَقَالَ أَهْلُهَا نَبِيعُكِهَا عَلَى أَنَّ وَلاَءَهَا لَنَا‏.‏ فَذَكَرَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ لاَ يَمْنَعُكِ ذَلِكِ، فَإِنَّمَا الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْتَقَ ‏"‏‏.‏
وَكَانَ الْحَسَنُ لاَ يَرَى لَهُ وِلاَيَةً وَقَالَ النَّبِيُّصلى الله عليه وسلم الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْتَقَ وَيُذْكَرُ عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ رَفَعَهُ قَالَ هُوَ أَوْلَى النَّاسِ بِمَحْيَاهُ وَمَمَاتِهِ وَاخْتَلَفُوا فِي صِحَّةِ هَذَا الْخَبَرِ তবে হাসান (রহ.) তার জন্য ওয়ালার স্বীকৃতি দিতেন না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওয়ালা তার জন্য যে আযাদ করে। তামীমে দারী (রাঃ) থেকে মারফু‘ হিসাবে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওয়ালার জীবন ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে তার আযাদকারী সর্বাধিক প্রাধান্যযোগ্য। তবে এ খবরের সত্যতা সম্পর্কে অন্যেরা মতভেদ করেছেন। ৬৭৫৭. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, উম্মুল মু‘মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) একটি বাঁদী ক্রয় করলেন এবং তাকে মুক্ত করলেন। তখন তার মালিকরা তাঁকে বলল যে, আমরা এ বাঁদী আপনার কাছে এ শর্তে বিক্রি করতে পারি যে, ওয়ালা আমাদের থাকবে। তিনি ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উল্লেখ করলেন। তখন তিনি বললেনঃ এটা তোমার জন্য বাধা হবে না। কারণ, ওয়ালা তার যে আযাদ করে। [২১৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6758 — Sahih al Bukhari 85:35
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتِ اشْتَرَيْتُ بَرِيرَةَ فَاشْتَرَطَ أَهْلُهَا وَلاَءَهَا، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ أَعْتِقِيهَا فَإِنَّ الْوَلاَءَ لِمَنْ أَعْطَى الْوَرِقَ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ فَأَعْتَقْتُهَا ـ قَالَتْ ـ فَدَعَاهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَيَّرَهَا مِنْ زَوْجِهَا فَقَالَتْ لَوْ أَعْطَانِي كَذَا وَكَذَا مَا بِتُّ عِنْدَهُ‏.‏ فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا‏.‏
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরা বাঁদীকে আমি ক্রয় করলাম। তখন তার মালিকেরা তার ওয়ালার শর্ত করল (যে ওয়ালার মালিক তারাই থাকবে)। ব্যাপারটি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও। কেননা, ওয়ালা তার যে মূল্য প্রদান করে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেনঃ আমি তাকে আযাদ করে দিলাম। তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারীরাকে ডাকলেন এবং তার স্বামীর (স্ত্রী হয়ে থাকা বা না থাকার) ব্যাপারে তাকে স্বাধীনতা দিলেন। তখন সে বলল, সে যদি আমাকে এত এত মালও দেয় তবুও আমি তার সঙ্গে রাত্রি যাপন করব না এবং সে নিজেকেই স্বাধীন করে নিল। রাবী বলেন, তার স্বামী স্বাধীন ব্যক্তি ছিল। [৪৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6759 — Sahih al Bukhari 85:36
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَرَادَتْ عَائِشَةُ أَنْ تَشْتَرِيَ بَرِيرَةَ فَقَالَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِنَّهُمْ يَشْتَرِطُونَ الْوَلاَءَ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اشْتَرِيهَا، فَإِنَّمَا الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْتَقَ ‏"‏‏.‏
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বারীরাকে কিনতে চাইলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বললেন যে, ওয়ালা তাদেরই থাকবে বলে শর্ত করছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে কিনে নাও। কারণ, ওয়ালা তার, যে আযাদ করে। [২১৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6760 — Sahih al Bukhari 85:37
حَدَّثَنَا ابْنُ سَلاَمٍ، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْطَى الْوَرِقَ، وَوَلِيَ النِّعْمَةَ ‏"‏‏.‏
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওয়ালা হল ঐ ব্যক্তির জন্য যে রৌপ্য (মূল্য) প্রদান করে। আর সে নিয়ামতের অধিকারী হয়। [৪৫৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6761 — Sahih al Bukhari 85:38
حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ قُرَّةَ، وَقَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَوْلَى الْقَوْمِ مِنْ أَنْفُسِهِمْ ‏"‏‏.‏ أَوْ كَمَا قَالَ‏.‏
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন কাওমের (আযাদকৃত) গোলাম তাদেরই অন্তর্ভুক্ত অথবা এ জাতীয় কোন কথা বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6762 — Sahih al Bukhari 85:39
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ ابْنُ أُخْتِ الْقَوْمِ مِنْهُمْ ‏"‏‏.‏ أَوْ ‏"‏ مِنْ أَنْفُسِهِمْ ‏"‏‏.‏
আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন কাওমের বোনের পুত্র সে কাওমেরই অন্তর্ভুক্ত। এখানে مِنْهُمْ বলেছেন অথবা مِنْ أَنْفُسِهِمْ বলেছেন। [৩১৪৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।