Qurani·قرآني
বাংলা

উত্তরাধিকার আইন (আল-ফারায়েজ)

49 হাদিস · #6723–6771

হাদিস 6763 — Sahih al Bukhari 85:40
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَدِيٍّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلِوَرَثَتِهِ، وَمَنْ تَرَكَ كَلاًّ فَإِلَيْنَا ‏"‏‏.‏
قَالَ وَكَانَ شُرَيْحٌ يُوَرِّثُ الأَسِيرَ فِي أَيْدِي الْعَدُوِّ وَيَقُولُ هُوَ أَحْوَجُ إِلَيْهِ وَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَجِزْ وَصِيَّةَ الأَسِيرِ وَعَتَاقَهُ وَمَا صَنَعَ فِي مَالِهِ مَا لَمْ يَتَغَيَّرْ عَنْ دِينِهِ فَإِنَّمَا هُوَ مَالُهُ يَصْنَعُ فِيهِ مَا يَشَاءُ শুরায়হ্ (রাঃ) শত্রুদের হাতে বন্দী মুসলিমদেরকে উত্তরাধিকার প্রদান করতেন এবং বলতেন, এ বন্দী লোক উত্তরাধিকারের প্রতি অধিক মুখাপেক্ষী। ‘উমার ইবনু আবদুল ‘আযীয (রহ.) বলেন, বন্দী ব্যক্তির ওসিয়ত, তাকে আযাদ কর এবং তার মালের ব্যবহারকে জায়েয মনে কর, যতক্ষণ না সে আপন ধর্ম থেকে ফিরে যায়। কেননা, এ হচ্ছে তার মাল। সে এতে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। ৬৭৬৩. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে মারা যায় সে ধন-সম্পদ তার উত্তরাধিকারীদের জন্য। আর যে ঋণ রেখে (মারা) যায় তা (আদায় করা) আমার যিম্মায়। [২২৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6764 — Sahih al Bukhari 85:41
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ، وَلاَ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ ‏"‏‏.‏
উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম কাফেরের উত্তরাধিকারী হয় না আর কাফিরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হয় না। [১৫৮৮; মুসলিম পর্ব ২৩/হাঃ ১৬১৪, আহমাদ ২১৮০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6765 — Sahih al Bukhari 85:42
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّهَا قَالَتِ اخْتَصَمَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ وَعَبْدُ بْنُ زَمْعَةَ فِي غُلاَمٍ فَقَالَ سَعْدٌ هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ ابْنُ أَخِي عُتْبَةَ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَهِدَ إِلَىَّ أَنَّهُ ابْنُهُ، انْظُرْ إِلَى شَبَهِهِ‏.‏ وَقَالَ عَبْدُ بْنُ زَمْعَةَ هَذَا أَخِي يَا رَسُولَ اللَّهِ، وُلِدَ عَلَى فِرَاشِ أَبِي مِنْ وَلِيدَتِهِ‏.‏ فَنَظَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى شَبَهِهِ فَرَأَى شَبَهًا بَيِّنًا بِعُتْبَةَ فَقَالَ ‏ "‏ هُوَ لَكَ يَا عَبْدُ، الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ، وَاحْتَجِبِي مِنْهُ يَا سَوْدَةُ بِنْتَ زَمْعَةَ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ فَلَمْ يَرَ سَوْدَةَ قَطُّ‏.‏
بَاب مِيرَاثِ الْعَبْدِ النَّصْرَانِيِّ وَالْمُكَاتَبِ النَّصْرَانِيِّ وَإِثْمِ مَنْ انْتَفَى مِنْ وَلَدِهِ ৮৫/২৭. অধ্যায়: নাসারা গোলাম ও নাসারা মাকাতিবের মিরাস এবং যে ব্যক্তি আপন সন্তানকে অস্বীকার করে তার গুনাহ। ৬৭৬৫. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ও আবদু ইবনু যাম‘আহ একটি ছেলের ব্যাপারে পরস্পরে কথা কাটাকাটি করেন। সা‘দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ছেলেটি আমার ভাই উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস-এর পুত্র। তিনি আমাকে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন যে, এ ছেলেটি তাঁর পুত্র। আপনি তার চেহারার দিকে চেয়ে দেখুন। আবদ ইবনু যাম‘আহ বললো, এ আমার ভাই, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার পিতার বাঁদীর গর্ভে জন্মেছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চেহারার দিকে নযর করলেন এবং উতবার চেহারার সঙ্গে তার আকৃতির প্রকাশ্য মিল দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন, হে আবদ! এ ছেলে তুমি পাবে। কেননা সন্তান হল যার বিছানা তারই, আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর। আর হে সাওদা বিন্ত যাম‘আহ! তুমি তার থেকে পর্দা কর। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, অতঃপর সে কখনও সাওদাকে দেখা দেয়নি। [২০৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6766 — Sahih al Bukhari #6766
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ ـ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ ـ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ سَعْدٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ، وَهْوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ، فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ ‏"‏‏.‏ فَذَكَرْتُهُ لأَبِي بَكْرَةَ فَقَالَ وَأَنَا سَمِعَتْهُ أُذُنَاىَ، وَوَعَاهُ، قَلْبِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏
রাবী বলেন, আমি এ কথাটি আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকটে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, আমার দু’টো কান তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছে এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষণ করে রেখেছে। [৪৩২৭; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ৬৩, আহমাদ ১৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6767 — Sahih al Bukhari 85:43
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ ـ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ ـ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ سَعْدٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ، وَهْوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ، فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ ‏"‏‏.‏ فَذَكَرْتُهُ لأَبِي بَكْرَةَ فَقَالَ وَأَنَا سَمِعَتْهُ أُذُنَاىَ، وَوَعَاهُ، قَلْبِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏
রাবী বলেন, আমি এ কথাটি আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকটে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, আমার দু’টো কান তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছে এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষণ করে রেখেছে। [৪৩২৭; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ৬৩, আহমাদ ১৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6768 — Sahih al Bukhari 85:44
حَدَّثَنَا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عِرَاكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَرْغَبُوا عَنْ آبَائِكُمْ، فَمَنْ رَغِبَ عَنْ أَبِيهِ فَهُوَ كُفْرٌ ‏"‏‏.‏
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না (অর্থাৎ অস্বীকার করো না)। কারণ যে লোক নিজের পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় (অর্থাৎ পিতাকে অস্বীকার করে) তা কুফরী। [মুসলিম ১/২৭, হাঃ ৬২, আহমাদ ১৮০১৫] (আধুনিক প্রকাশনী-৬২৯৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6769 — Sahih al Bukhari 85:45
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ كَانَتِ امْرَأَتَانِ مَعَهُمَا ابْنَاهُمَا، جَاءَ الذِّئْبُ فَذَهَبَ بِابْنِ إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ لِصَاحِبَتِهَا إِنَّمَا ذَهَبَ بِابْنِكِ‏.‏ وَقَالَتِ الأُخْرَى إِنَّمَا ذَهَبَ بِابْنِكِ‏.‏ فَتَحَاكَمَتَا إِلَى دَاوُدَ ـ عَلَيْهِ السَّلاَمُ ـ فَقَضَى بِهِ لِلْكُبْرَى، فَخَرَجَتَا عَلَى سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ ـ عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ ـ فَأَخْبَرَتَاهُ فَقَالَ ائْتُونِي بِالسِّكِّينِ أَشُقُّهُ بَيْنَهُمَا‏.‏ فَقَالَتِ الصُّغْرَى لاَ تَفْعَلْ يَرْحَمُكَ اللَّهُ‏.‏ هُوَ ابْنُهَا‏.‏ فَقَضَى بِهِ لِلصُّغْرَى ‏"‏‏.‏ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاللَّهِ إِنْ سَمِعْتُ بِالسِّكِّينِ قَطُّ إِلاَّ يَوْمَئِذٍ، وَمَا كُنَّا نَقُولُ إِلاَّ الْمُدْيَةَ‏.‏
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’জন স্ত্রীলোকের সাথে তাদের দু’টো ছেলে ছিল। বাঘ এসে তাদের একজনের ছেলেকে নিয়ে গেল। এক মহিলা তার সঙ্গিণীকে বলল, বাঘ তোমার ছেলেকে নিয়ে গেছে। অন্যজন বলল, বাঘ তোমার ছেলেকে নিয়ে গেছে। তারা দু’জন দাউদ (আঃ)-এর কাছে তাদের মামলা পেশ করল। তিনি বড় স্ত্রীলোকটির পক্ষে রায় দিলেন। তারপর তারা বেরিয়ে দাউদ (আঃ)-এর ছেলে সুলায়মান (আঃ)-এর কাছে গেল আর তারা দু’জনেই তাঁকে তাদের ঘটনা জানালো। তখন তিনি বললেন, আমার কাছে একটি ছুরি আন কেটে দু’জনের মধ্যে ভাগ করে দেব। তখন ছোট স্ত্রীলোকটি বলল, আপনি এমন করবেন না, আল্লাহ্ আপনার উপর দয়া করুন। এ ছেলেটি তারই। তখন তিনি ছেলেটি ছোট মহিলার ব’লে রায় দিলেন। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমি سكين শব্দটি ঐ দিনের পূর্বে কখনও শুনিনি। পূর্বে তো আমরা একে مدية বলতাম। [৩৪২৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6770 — Sahih al Bukhari 85:46
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَىَّ مَسْرُورًا تَبْرُقُ أَسَارِيرُ وَجْهِهِ فَقَالَ ‏ "‏ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ مُجَزِّزًا نَظَرَ آنِفًا إِلَى زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، فَقَالَ إِنَّ هَذِهِ الأَقْدَامَ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ ‏"‏‏.‏
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এমন হাসিখুশি অবস্থায় আসলেন যে, তাঁর চেহারার রেখাগুলো চমকাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয (চিহ্ন দেখে বংশ নির্ধারণকারী) যায়দ ইবনু হারিসাহ এবং উসামাহ ইবনু যায়দ-এর দিকে অনসন্ধানের দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছে। এরপর সে বলেছে, তাদের দু’জনের পাগুলো পরস্পর থেকে (এসেছে)। [৩৫৫৫; মুসলিম ১৭/১১, হাঃ ১৪৫৯, আহমাদ ২৪৫৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
হাদিস 6771 — Sahih al Bukhari 85:47
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ وَهْوَ مَسْرُورٌ فَقَالَ ‏ "‏ يَا عَائِشَةُ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ مُجَزِّزًا الْمُدْلِجِيَّ دَخَلَ فَرَأَى أُسَامَةَ وَزَيْدًا وَعَلَيْهِمَا قَطِيفَةٌ، قَدْ غَطَّيَا رُءُوسَهُمَا وَبَدَتْ أَقْدَامُهُمَا، فَقَالَ إِنَّ هَذِهِ الأَقْدَامَ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ ‏"‏‏.‏
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসলেন। তিনি ছিলেন হাসি-খুশি। তিনি বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! (চিহ্ন দেখে বংশ নির্ধারণকারী) মুদলিজী এসেছে তা কি তুমি দেখেছ? সে উসামাহ এবং যায়দ-এর দিকে লক্ষ্য করেছে। তাদের দু’জনের গায়ে চাদর ছিল যা দিয়ে তাদের মাথা ঢেকে রাখা হয়েছিল। আর তাদের পাগুলো ছিল খোলা। তখন সে বলল, এদের পাগুলো একে অপর থেকে। [৩৫৫৫; মুসলিম ১৭/১১, হাঃ ১৪৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।