ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। إِنَّ شَرَّ الدَّوَابِّ عِنْدَ اللهِ الصُّمُّ الْبُكْمُ الَّذِيْنَ لَا يَعْقِلُوْنَ সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, তারা হচ্ছে বানী আবদুদ্দার গোষ্ঠীর একটি দল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
হাদিস 4647 — Sahih al Bukhari 65:169
حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، سَمِعْتُ حَفْصَ بْنَ عَاصِمٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى ـ رضى الله عنه ـ قَالَ كُنْتُ أُصَلِّي فَمَرَّ بِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَدَعَانِي فَلَمْ آتِهِ حَتَّى صَلَّيْتُ، ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَقَالَ " مَا مَنَعَكَ أَنْ تَأْتِيَ أَلَمْ يَقُلِ اللَّهُ {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ} ثُمَّ قَالَ لأُعَلِّمَنَّكَ أَعْظَمَ سُورَةٍ فِي الْقُرْآنِ قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ ". فَذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيَخْرُجَ فَذَكَرْتُ لَهُ. وَقَالَ مُعَاذٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبٍ، سَمِعَ حَفْصًا، سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ، رَجُلاً مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا، وَقَالَ هِيَ {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} السَّبْعُ الْمَثَانِي.
(اسْتَجِيْبُوْا) أَجِيْبُوْا لِمَا يُحْيِيْكُمْ يُصْلِحُكُمْ. اسْتَجِيْبُوْا-তোমরা সাড়া দাও, لِمَا يُحْيِيْكُمْ-তোমাদেরকে সংশোধন করার জন্যে। ৪৬৪৭. আবূ সা‘ঈদ ইবনু মুয়াল্লা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা সালাতে রত ছিলাম, এমন সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পাশ দিয়ে গেলেন এবং আমাকে ডাকলেন। সালাত শেষ না করা পর্যন্ত আমি তাঁর কাছে যাইনি, তারপর গেলাম। তিনি বললেন, তোমাকে আসতে বাধা দিল কিসে? আল্লাহ কি বলেননি ‘‘রাসূল তোমাদেরকে ডাকলে, আল্লাহ ও রাসূলের ডাকে সাড়া দেবে?’’ তারপর তিনি বললেন, আমি মাসজিদ থেকে বের হবার পূর্বে তোমাকে একটি অতি সওয়াবযুক্ত সূরাহ শিক্ষা দেব। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন আমি তাঁর নিকট প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম। মু‘আয বললেন, ...... হাফস শুনেছেন একজন সাহাবী আবূ সা‘ঈদ ইবনুল মু‘আল্লাকে এই হাদীস বর্ণনা করতে, রাসূল বললেন-সেই সূরাটি হচ্ছে الْحَمْدُ لِلهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ সাত আয়াত বিশিষ্ট ও পুনঃ পুনঃ পঠিত। [৪৪৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(وَإِذْ قَالُوا اللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ هٰذَا هُوَ الْحَقَّ مِنْ عِنْدِكَ فَأَمْطِرْ عَلَيْنَا حِجَارَةً مِّنَ السَّمَآءِ أَوِ ائْتِنَا بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ) ‘‘স্মরণ কর, তারা বলেছিলঃ হে আল্লাহ! যদি এ কুরআন তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয় তাহলে আমাদের উপর আসমান থেকে প্রস্তর বর্ষণ কর অথবা দাও আমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরাহ আনফাল ৮/৩২) قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ مَا سَمَّى اللهُ تَعَالَى مَطَرًا فِي الْقُرْآنِ إِلَّا عَذَابًا وَتُسَمِّيْهِ الْعَرَبُ الْغَيْثَ وَهُوَ قَوْلُهُ تَعَالَى (يُنْزِلُ الْغَيْثَ مِنْمبَعْدِ مَا قَنَطُوْا). ইবনু ‘উয়াইনাহ বলেছেন, কুরআনে করীমে শুধুমাত্র ‘আযাব বা শাস্তিকেই আল্লাহ তা‘আলা مَطْرٌ নামে আখ্যায়িত করেছেন, বৃষ্টিকে ‘আরবগণ غَيْثَ নামে আখ্যায়িত করে। যেমন আল্লাহর বাণীঃ وَيُنْزِلُ الْغَيْثَ مِنْمبَعْدِ مَا قَنَطُو-তারা নিরাশ হবার পর তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন। ৪৬৪৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ জাহল বলেছিল, ‘‘হে আল্লাহ! এটা যদি তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয়, তবে আমাদের উপর আকাশ হতে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দাও।’’ তখনই অবতীর্ণ হল- وَمَا كَانَ اللهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيْهِمْطوَمَا كَانَ اللهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ * وَمَا لَهُمْ أَلَّا يُعَذِّبَهُمُ اللهُ وَهُمْ يَصُدُّوْنَ عَنِ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ الْآيَةَ ‘‘আর আল্লাহ্ তো এরূপ নন যে, তিনি তাদের শাস্তি দেবেন অথচ আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন এবং আল্লাহ্ এমনও নন যে, তিনি তাদের শাস্তি দেবেন অথচ তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে। আর তাদের এমন কী আছে যে জন্য আল্লাহ্ তাদের শাস্তি দেবেন না, অথচ তারা মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করে? আর তারা সে মসজিদের তত্ত্বাবধায়কও নয়। তার তত্ত্বাবধায়ক তো মুত্তাকীরা ব্যতীত আর কেউ নয়। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না’’- (সূরাহ আনফাল ৮/৩৩-৩৪)।[৪৬৪৯; মুসলিম ৫০/৫, হাঃ ২৭৯৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, আবূ জাহল বলেছিল। এরপর অবতীর্ণ হল- وَمَا كَانَ اللهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيْهِمْ وَمَا كَانَ اللهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ * وَمَا لَهُمْ أَلَّا يُعَذِّبَهُمُ اللهُ وَهُمْ يَصُدُّوْنَ عَنِ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ الْآيَةَ ‘‘হে আল্লাহ! যদি এ কুরআন তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয় তাহলে আমাদের উপর আসমান থেকে প্রস্তর বর্ষণ কর অথবা দাও আমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আর আল্লাহ্ তো এরূপ নন যে, তিনি তাদের শাস্তি দেবেন অথচ আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন এবং আল্লাহ্ এমনও নন যে, তিনি তাদের শাস্তি দেবেন অথচ তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে। আর তাদের এমন কী আছে যে জন্য আল্লাহ্ তাদের শাস্তি দেবেন না, অথচ তারা মসজিদে হারামে যেতে বাধা প্রদান করে?’’ (সূরা আনফাল ৮/৩২-৩৪) [৪৬৪৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আল্লাহ তাঁর কিতাবে যা উল্লেখ করেছেন আপনি কি তা শোনেন না? وَإِنْ طَآئِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ اقْتَتَلُوْا.....-মু’মিনদের দু’দল দ্বন্ধে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে ......... সুতরাং আল্লাহর কিতাবের নির্দেশ মুতাবিক যুদ্ধ করতে কোন্ বস্তু আপনাকে নিষেধ করছে? এরপর তিনি বললেন, হে ভাতিজা! এই আয়াতের তাবীল বা ব্যাখ্যা করে যুদ্ধ না করা আমার কাছে অধিক প্রিয় ........ وَمَنْ يَّقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا ‘‘যে স্বেচ্ছায় মু’মিন খুন করে’’ আয়াত তাবীল করার তুলনায়। সে ব্যক্তি বলল, আল্লাহ বলেছেন, وَقَاتِلُوْهُمْ حَتّٰى لَا تَكُوْنَ فِتْنَةٌ ‘‘তোমরা ফিতনা নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ করবে’’, ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আমরা তা করেছি যখন ইসলাম দুর্বল ছিল। ফলে লোক তার দ্বীন নিয়ে ফিতনায় পড়ত, হয়ত কাফিররা তাকে হত্যা করত নতুবা বেঁধে রাখত, ক্রমে ক্রমে ইসলামের প্রসার ঘটল এবং ফিতনা থাকল না। সে লোকটি যখন দেখল যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার উদ্দেশ্যের অনুকূল নন তখন সে বলল যে, ‘আলী (রাঃ) এবং ‘উসমান (রাঃ) সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন যে, ‘আলী (রাঃ) এবং ‘উসমান (রাঃ) সম্পর্কে আমার কোন কথা নেই, তবে ‘উসমান (রাঃ)-কে আল্লাহ তা‘আলা নিজেই ক্ষমা করে দিয়েছেন কিন্তু তোমরা তাঁকে ক্ষমা করতে রাযী নও। আর ‘আলী (রাঃ), তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাত ভাই এবং জামাতা, তিনি অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন, ঐ উনি হচ্ছেন রাসূলের কন্যা, যেথায় তোমরা তাঁর ঘর দেখছ, هذِهِ ابْنَتُهُ বলেছেন কিংবা هذِهِ بْنَتُهُ বলেছেন। [৩১৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
সা‘ঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) আমাদের কাছে এলেন। বর্ণনাকারী إِلَيْنَا অথবা عَلَيْنَا শব্দ বলেছেন। এরপর এক ব্যক্তি বলল, ফিতনা সম্পর্কিত যুদ্ধের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, ফিতনা কী তা তুমি জান? মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুশরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেন। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে অভিযান ছিল ফিতনা। আর তা তোমাদের রাজত্বের জন্য যুদ্ধ করার মতো নয়। [৩১৩০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
(يٰٓأَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ عِشْرُوْنَ صٰبِرُوْنَ يَغْلِبُوْا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ مِّائَةٌ يَّغْلِبُوْآ أَلْفًا مِّنَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَفْقَهُوْنَ). ‘‘হে নবী! আপনি মু’মিনদেরকে যুদ্ধের জন্য উৎসাহিত করুন। যদি তোমাদের মধ্যে বিশজন দৃঢ়পদ লোক থাকে, তবে তারা দু’শর উপর জয়লাভ করবে। আর যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ জন থাকে, তবে তারা এক হাজার কাফিরের উপর জয়লাভ করবে, কেননা তারা এমন লোক যারা বোঝে না।’’ (সূরাহ আনফাল ৮/৬৫) ৪৬৫২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, (আল্লাহর বাণীঃ) إِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ عِشْرُوْنَ صٰبِرُوْنَ يَغْلِبُوْا مِائَتَيْنِ যখন অবতীর্ণ হল। এরপর দশজন কাফিরের বিপরীত একজন মুসলিম থাকলেও পলায়ন না করা ফরয করে দেয়া হল। সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উয়াইনাহ (রাঃ) আবার বর্ণনা করেন, দু’শ জন কাফিরের বিপক্ষে ২০ জন মুসলিম থাকলেও পলায়ন করা যাবে না। তারপর অবতীর্ণ হল- اَلْئٰنَ خَفَّفَ اللهُ عَنْكُمْ وَعَلِمَ أَنَّ فِيْكُمْ ضَعْفًا فَإِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ مِّائَةٌ صَابِرَةٌ يَّغْلِبُوْا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ أَلْفٌ يَّغْلِبُوْآ أَلْفَيْنِ بِإِذْنِ اللهِ ط وَاللهُ مَعَ الصّٰبِرِيْنَ-আল্লাহ এখন তোমাদের বোঝা হালকা করে দিয়েছেন এবং তিনি জানেন যে, তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে। সুতরাং যদি তোমাদের মধ্যে একশ’ জন দৃঢ়পদ লোক থাকে তবে তারা দু’শ জনের উপর জয়লাভ করবে, আর তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর হুকুমে তারা দু’হাজারের উপর জয়লাভ করবে। আর আল্লাহ আছেন দৃঢ়পদ লোকদের সঙ্গে। (সূরাহ আল-আনফাল ৮/৬৬) এরপর দু’শ কাফিরের বিপক্ষে একশ’জন মুসলিম থাকলে পালিয়ে না যাওয়া (আল্লাহ) ফরয করে দিলেন। সুফ্ইয়ান ইবনু উয়াইনাহ (রহ.) একবার বর্ণনা করেছেন যে, (তাতে কিছু অতিরিক্ত আছে যেমন,) حَرِّضْ الْمُؤْمِنِيْنَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ عِشْرُوْنَ صَابِرُوْنَ অবতীর্ণ হল, সুফ্ইয়ান বলেন, ইবনু শুবরুমাহ বলেছেন, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ-এর ব্যাপারটাও আমি এমনই মনে করি। [৪৬৫৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যখন إِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ عِشْرُوْنَ صٰبِرُوْنَ يَغْلِبُوْا مِائَتَيْنِ আয়াতটি অবতীর্ণ হল তখন দশ জনের বিপরীতে একজনের পলায়নও নিষিদ্ধ করা হল, তখন এটা মুসলিমদের উপর দুঃসাধ্য মনে হল তারপর তা লাঘবের বিধান এলো اَلْئٰنَ خَفَّفَ اللهُ عَنْكُمْ وَعَلِمَ أَنَّ فِيْكُمْ ضَعْفًا فَإِنْ يَّكُنْ مِّنْكُمْ مِّائَةٌ صَابِرَةٌ يَّغْلِبُوْا مِائَتَيْنِ। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তাদেরকে সংখ্যার দিক থেকে যখন হালকা করে দিলেন, সেই সংখ্যা হ্রাসের সমপরিমাণ তাদের ধৈর্যও হ্রাস পেল। [৪৬৫২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)