حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ وَضَعَ يَدَهُ - يَعْنِي الْيُمْنَى - تَحْتَ خَدِّهِ ثُمَّ قَالَ " اللَّهُمَّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ - أَوْ تَجْمَعُ - عِبَادَكَ " .
। আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শয্যা গ্রহণ করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গন্ডদেশের নিচে স্থাপন করে বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থিত করবে এবং সমবেত করবে, সেদিন আমাকে তোমার শাস্তি থেকে রক্ষা করো ’’।
। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে বলে, ‘‘আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নাই, সার্বভৌমত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসা তাঁর প্রাপ্য, তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান, আল্লাহ মহা পবিত্র, আল্লাহই সমস্ত প্রশংসার অধিকারী, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, আল্লাহ সুমহান, মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ব্যতীত অন্যায় থেকে বিরত থাকার কিংবা ভালো কাজ করার শক্তি কারো নাই ’’, অতঃপর বলে ‘‘প্রভু! আমাকে ক্ষমা করো’’, তাকে ক্ষমা করা হয়। রাবী ওলীদ ইবনে মুসলিমের বর্ণনায় আছেঃ এ দোয়া করলে তার দোয়া কবুল করা হয়। অতঃপর সে উঠে গিয়ে উযু করে নামায পড়লে তার নামায কবুল করা হয়।
হাদিস 3879 — Sunan Ibn Majah 34:53
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، أَنْبَأَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ رَبِيعَةَ بْنَ كَعْبٍ الأَسْلَمِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، كَانَ يَبِيتُ عِنْدَ بَابِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَكَانَ يَسْمَعُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ مِنَ اللَّيْلِ " سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ " . الْهَوِيَّ ثُمَّ يَقُولُ " سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ " .
। রবীআ ইবনে আল-আসলাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ঘরের দ্বারদেশে রাত যাপন করতেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রাতে দীর্ঘ সময় ধরে বলতে শুনতেন, ‘‘বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহ মহাপবিত্র’’, অতঃপর বলতেনঃ ‘‘আল্লাহ সম্পূর্ণ পবিত্র এবং প্রশংসা তাঁর প্রাপ্য’’।
হাদিস 3880 — Sunan Ibn Majah 34:54
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا انْتَبَهَ مِنَ اللَّيْلِ قَالَ " الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ " .
। হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে বলতেনঃ ‘‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি আমাদের মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করেছেন এবং তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তন’’।
। মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন বান্দা পবিত্র অবস্থায় রাত যাপন করলে এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে আল্লাহর নিকট দুনিয়া বা আখেরাতের কিছু প্রার্থনা করলে তিনি অবশ্যই তাকে তা দান করেন।
। আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিপদকালে পড়ার জন্য কয়েকটি বাক্য শিখিয়েছেনঃ ‘‘আল্লাহ, আল্লাহ, আমার প্রতিপালক, আমি তাঁর সাথে কোন কিছুই শরীক করি না’’।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদকালে নিম্নোক্ত দোয়া করতেনঃ ‘‘আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, তিনি পরম সহিষ্ণু, মহা সম্মানিত, পরম দয়ালু, মহান আরশের প্রভু আল্লাহ মহাপবিত্র, সাত আসমানের প্রভু ও মহান আরশের প্রভু আল্লাহ মহাপবিত্র’’ (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযি ও নাসাঈ)। একদা ওয়াকী (রাঃ) প্রতিটি বাক্যের সাথে ‘‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’’ বলেছেন।
হাদিস 3884 — Sunan Ibn Majah 34:58
সহিহসহিহহাসান Sahihদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، . أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا خَرَجَ مِنْ مَنْزِلِهِ قَالَ " اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَضِلَّ أَوْ أَزِلَّ أَوْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ أَوْ أَجْهَلَ أَوْ يُجْهَلَ عَلَىَّ " .
। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর ঘর থেকে বের হতেন তখন বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে, পদঙ্খলন ঘটা থেকে, অত্যাচার করা থেকে, অত্যাচারিত হওয়া থেকে, অজ্ঞতাসুলভ আচরণ করা থেকে বা আমার প্রতি কারো অজ্ঞতাসুলভ আচরণ থেকে।
হাদিস 3885 — Sunan Ibn Majah 34:59
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ قَالَ " بِسْمِ اللَّهِ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ التُّكْلاَنُ عَلَى اللَّهِ " .
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর ঘর থেকে বের হতেন তখন বরতেনঃ ‘‘আল্লাহর নামে, আল্লাহ ছাড়া ক্ষতি রোধ করা বা কল্যাণ হাসিল করার শক্তি কারো নেই। ভরসা আল্লাহর উপর’’।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন কোন লোক তার ঘরের বা বাড়ির দরজা দিয়ে বাইরে বের হয়, তখন দু’জন ফেরেশতাকে তার সঙ্গী হিসাবে তার জন্য নিযুক্ত করা হয়। অতঃপর যখন সে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে তখন ফেরেশতাদ্বয় বলেন, তোমাকে হেদায়াত দান করা হয়েছে। যখন সে বলে আল্লাহ ব্যতীত ক্ষতি রোধ করার বা কল্যাণ লাভ করার শক্তি কারো নাই, তখন ফেরেশতাদ্বয় বলেন, তোমাকে রক্ষা করা হয়েছে। যখন সে বলে, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করলাম, তখন তারা বলেন, তোমার জন্য (আল্লাহ) যথেষ্ট হয়েছেন। অতঃপর তার সাথে তার জন্য নিযুক্ত দু’ সাথী সাক্ষাত করে। তখন ফেরেশতাদ্বয় বলেন, এমন ব্যক্তির ব্যাপারে তোমরা কী করতে চাও, যাকে হেদায়াত দান করা হয়েছে, যাকে রক্ষা করা হয়েছে এবং যার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট হয়েছেন।