। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশকালে এবং খাবার গ্রহণকালে আল্লাহর নাম স্মরণ করলে শয়তান (তার সংগীদেরকে) বলে, তোমাদের রাত্রিবাস এবং রাতের আহারের কোন ব্যবস্থা হলো না। কিন্তু কোন ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশকালে আল্লাহকে স্মরণ না করলে শয়তান বলে, তোমরা রাত্রিবাসের জায়গা পেয়ে গেলে। সে আহারের সময় আল্লাহকে স্মরণ না করলে শয়তান বলে, তোমাদের রাতের আহার ও শয্যা গ্রহণের ব্যবস্থা হয়ে গেলো।
। আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে রওয়ানার প্রাক্কালে বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট সফরের ব্যর্থতা, প্রাচুর্যের পরে রিক্ততা, নির্যাতিতের বদদোয়া এবং পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদের প্রতি কুদৃষ্টি থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি’’। আবূ মুআবিয়ার বর্ণনায় আরো আছেঃ তিনি ফিরে এসেও অনুরূপ বলতেন।
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আকাশের কোন দিক থেকে মেঘ ভেসে আসতে দেখলে তাঁর হাতের কাজ ছেড়ে দিতেন, এমনকি নামাযে রত থাকলেও, অতঃপর মেঘমালার দিকে মুখ করে বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! এই মেঘমালাকে যে অনিষ্টসহ পাঠানো হয়েছে তা থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি।’’ মেঘমালা বৃষ্টি বর্ষণ করলে তিনি দু’বার বা তিনবার বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! লাভজনক পর্যাপ্ত বৃষ্টি বর্ষণ করুন’’। মহান আল্লাহ যদি মেঘমালা সরিয়ে নিতেন এবং বৃষ্টি না হতো তবে সেজন্যও তিনি আল্লাহর প্রশংসা করতেন।
হাদিস 3890 — Sunan Ibn Majah 34:64
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ حَبِيبِ بْنِ أَبِي الْعِشْرِينَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا رَأَى الْمَطَرَ قَالَ " اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ صَيِّبًا هَنِيئًا " .
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি হতে দেখলে বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! তুমি একে লাভজনক পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণ বানাও।’’
। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেঘমালা দেখলে তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে পরিবর্তিত হয়ে যেতো এবং তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন আবার বেরিয়ে আসতেন, আর সামনে যেতেন এবং পিছনে আসতেন। বৃষ্টি বর্ষণের পর তাঁর এ অবস্থা দূরীভূত হতো। অধস্তন রাবী বলেন, আয়েশা (রাঃ) তাঁর এরূপ অবস্থা হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তুমি কি জানো, হয়তো তা সেই মেঘই হবে, যে সম্পর্কে হূদ (আ)-এর জাতি বলেছিলো, ‘‘অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে মেঘ আসতে দেখলো তখন তারা বলতে লাগলোঃ সেটা তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দান করবে। (হুদ আ. বললেনঃ) বরং এটাই তো সেই আযাব যা তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছো’’ (সূরা আহকাফঃ ২৪)।
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি হঠাৎ কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে বলবে, ‘‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, তিনি তোমাকে যে বিপদে লিপ্ত করেছেন তা থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং তাঁর অসংখ্য সৃষ্টির উপর আমাকে মর্যাদা দান করেছেন ’’, তাহলে সে তার জীবৎকাল পর্যন্ত উক্ত বিপদ থেকে নিরাপদ থাকবে (তিরমিযি)।