। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের পূর্বকালে এক ব্যক্তি এক খন্ড জমি ক্রয় করে তার মধ্যে সোনাভর্তি একটি কলস পায়। সে (বিক্রেতাকে) বললো, আমি তো তোমার থেকে জমি ক্রয় করেছি, সোনা কিনিনি। বিক্রেতা বললো, আমি তোমার নিকট জমি এবং তার মধ্যকার সবকিছু বিক্রয় করেছি। অতঃপর তারা বিষয়টির মীমাংসার জন্য এক ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হলো। লোকটি বললো, তোমাদের দু’জনের কি সন্তান-সন্ততি আছে? একজন বললো, আমার একটি পুত্র সন্তান আছে। অপরজন বললো, আমার একটি কন্যা সন্তান আছে। লোকটি বললো, তাহলে তোমরা ছেলেটির সাথে মেয়েটির বিবাহ দাও এবং এই সোনা তাদেরকে দাও, যাতে তারা এটা নিজেদের প্রয়োজনে খরচ করতে পারে এবং দান-খয়রাতও করতে পারে।
। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি একটি দাসকে মুদাববার বানালো। এ দাসটি ছাড়া তার আর কোন সম্পত্তি ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা বিক্রয় করেন এবং আদী গোত্রের ইবনুন নাহ্হাম তা কিনে নেন।
। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মুদাববার (মৃতের) সম্পদের এক-তৃতীয়াশের অন্তভুক্ত। ইমাম ইবনে মাজা (রাঃ) বলেন, আমি উছমান ইবনে আবূ শায়বা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘মুদাববার মৃতের (সম্পদের) এক-তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত’’ শীর্ষক হাদীছটি ভুল। আবূ আবদুল্লাহ ইবনে মাজা (রাঃ) বলেন, এ হাদীসের কোন ভিত্তি নেই।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির ঔরসে তার বাঁদীর গর্ভে সন্তান হলে, সে বাঁদী তার (মালিকের) মৃত্যুর পর স্বয়ং দাসত্বমুক্ত হয়ে যাবে।
। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (তাঁর পুত্র) ইবরাহীমের মা (মারিয়া কিবতিয়া) ‘র কথা উত্থাপিত হলে তিনি বলেনঃ তার সন্তান তাকে দাসত্বমুক্ত করেছে।
। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে জীবিত থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের যুদ্ধবন্দিনী ক্রীতদাসী ও উম্মু ওয়ালাদ বিক্রয় করতাম। আমরা এটাকে দূষণীয় মনে করতাম না।
। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন শ্রেণীর লোকের প্রত্যেককে সাহায্য করা আল্লাহর কর্তব্য (যদিও কোন কাজ তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক নয়) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী, মুকাতাব চুক্তিবদ্ধ দাস যে তার চুক্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করতে সংকল্পবদ্ধ এবং যে বিবাহকারী পূত-পবিত্র থাকতে ইচ্ছুক।
। ‘আমর ইবনে শু‘আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে গোলাম এক শত উকিয়ার বিনিময়ে মুক্তিলাভ করতে চুক্তিবদ্ধ, দশ উকিয়া ব্যতীত বাকিটা পরিশোধ করতে পারলে সে আযাদ।