حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " التَّمْرُ بِالتَّمْرِ مِثْلاً بِمِثْلٍ " . فَقِيلَ لَهُ إِنَّ عَامِلَكَ عَلَى خَيْبَرَ يَأْخُذُ الصَّاعَ بِالصَّاعَيْنِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ادْعُوهُ لِي " . فَدُعِيَ لَهُ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَتَأْخُذُ الصَّاعَ بِالصَّاعَيْنِ " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لاَ يَبِيعُونَنِي الْجَنِيبَ بِالْجَمْعِ صَاعًا بِصَاعٍ . فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " بِعِ الْجَمْعَ بِالدَّرَاهِمِ ثُمَّ ابْتَعْ بِالدَّرَاهِمِ جَنِيبًا " .
রেওয়ায়ত ২০. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করিয়াছেন, খর্জুরের বিনিময়ে খর্জুর বিক্রয় করিলে সমান সমান (হইতে হইবে)। তাহার নিকট আরজ করা হইল, খায়বরে নিযুক্ত আপনার আমিল (কার্য সম্পাদক বা কালেকটর) দুই সা’-এর বিনিময়ে এক সা’ গ্রহণ করিয়া থাকেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ইহা শুনিয়া) বলিলেন, তাহাকে আমার কাছে ডাকিয়া আন। তাহারা ডাকিয়া আনিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তুমি কি দুই সা’-এর বিনিময়ে এক সা’ গ্রহণ কর? উত্তরে তিনি বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উহারা নিকৃষ্ট খেজুরের বিনিময়ে বিশুদ্ধ খেজুর আমার নিকট এক সা’র বিনিময়ে এক সা’ বিক্রয় করে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা শুনিয়া বলিলেন, অপ্রকৃষ্ট বা মিশ্রিত খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় কর, অতঃপর দিরহামের বিনিময়ে বিশুদ্ধ খেজুর ক্রয় করিয়া লও।
হাদিস 1311 — Muwatta Malik 31:22
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ سُهَيْلِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَعْمَلَ رَجُلاً عَلَى خَيْبَرَ فَجَاءَهُ بِتَمْرٍ جَنِيبٍ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَكُلُّ تَمْرِ خَيْبَرَ هَكَذَا " . فَقَالَ لاَ وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا لَنَأْخُذُ الصَّاعَ مِنْ هَذَا بِالصَّاعَيْنِ وَالصَّاعَيْنِ بِالثَّلاَثَةِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَفْعَلْ بِعِ الْجَمْعَ بِالدَّرَاهِمِ ثُمَّ ابْتَعْ بِالدَّرَاهِمِ جَنِيبًا " .
রেওয়ায়ত ২১. আবু সায়ীদ খুদরী ও আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে খায়বরে আমিল (কার্য সম্পাদক বা প্রশাসক) নিযুক্ত করিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে বিশুদ্ধ খেজুর উপস্থিত করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, খায়বরের সকল খেজুর এইরূপ হয় কি? তিনি বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর কসম, সকল খেজুর এইরূপ নহে। আমরা এই খেজুরের এক সা' দুই সা’ এর বিনিময়ে এবং দুই সা’ তিন সা’ এর বিনিময়ে গ্রহণ করি। (ইহা শুনিয়া) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলিলেন, এইরূপ করিও না; অপ্রকৃষ্ট খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করিয়া দাও, অতঃপর দিরহাম দ্বারা উৎকৃষ্ট খেজুর ক্রয় করিয়া লও।
হাদিস 1312 — Muwatta Malik 31:23
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ زَيْدًا أَبَا عَيَّاشٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَأَلَ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ عَنِ الْبَيْضَاءِ، بِالسُّلْتِ فَقَالَ لَهُ سَعْدٌ أَيَّتُهُمَا أَفْضَلُ قَالَ الْبَيْضَاءُ . فَنَهَاهُ عَنْ ذَلِكَ . وَقَالَ سَعْدٌ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسْأَلُ عَنِ اشْتِرَاءِ التَّمْرِ بِالرُّطَبِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيَنْقُصُ الرُّطَبُ إِذَا يَبِسَ " . فَقَالُوا نَعَمْ . فَنَهَى عَنْ ذَلِكَ .
রেওয়ায়ত ২২. যায়দ আবু আয়্যাশ (রহঃ) সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) এর নিকট প্রশ্ন করিলেন বেশি পেষা হয় নাই এমন যব (مسلمت)[1] এর বিনিময়ে সাদা বর্ণের যব বিক্রয় করা প্রসঙ্গে। সা'দ তাহার নিকট হইতে জানিতে চাহিলেন, উভয়ের মধ্যে কোনটি উত্তম? তিনি বলিলেন-সাদা যব উত্তম, সা’দ তাহাকে এইরূপ করিতে নিষেধ করিলেন। তিনি বলিলেন-খুর্মার বিনিময়ে খেজুর বিক্রয় সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট প্রশ্ন করা হইয়াছিল। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি, তিনি বলিলেন, খুর্মা শুকাইলে কমে কি না? তাহারা বলিলেন-হ্যাঁ (কমে)। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন এইরূপ করিতে বারণ করিলেন।
হাদিস 1313 — Muwatta Malik 31:24
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْمُزَابَنَةِ وَالْمُزَابَنَةُ بَيْعُ الثَّمَرِ بِالتَّمْرِ كَيْلاً وَبَيْعُ الْكَرْمِ بِالزَّبِيبِ كَيْلاً .
রেওয়ায়ত ২৫. সায়ীদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা ও মুহাকালা হইতে নিষেধ করিয়াছেন। মুযাবানা হইতেছে সুপক্ক খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করা। আর মুহাকালা হইতেছে গমের বিনিময়ে ক্ষেত ক্রয় করা। এবং গমের বিনিময়ে শস্যক্ষেত্র কেরায়া (ভাগ) লওয়া। ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ আমি সায়ীদ ইবন মুসায়্যাবের নিকট প্রশ্ন করিলাম স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে ভূমি কেরায়া (ভাগ) গ্রহণ করা সম্পর্কে। তিনি (উত্তরে) বলিলেনঃ ইহাতে কোন ক্ষতি নাই (অর্থাৎ জায়েয আছে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাকে নিষেধ করিয়াছেন। আর মুযাবানার তফসীর হইতেছে এই অনুমানের যে কোন বস্তু যাহার পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা অজ্ঞাত, উহাকে ক্রয় করা হইয়াছে পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা দ্বারা সুনির্দিষ্ট বস্তুর বিনিময়ে। যেমন এক ব্যক্তির গাদা করা খাদ্যদ্রব্য রহিয়াছে; গম, খুর্মা অথবা ইহার সদৃশ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যেগুলির পরিমাণ অজ্ঞাত কিংবা এক ব্যক্তির নিকট রহিয়াছে আসবাব-বৃক্ষপত্র ও ঘাস গুটলী (ফলের আঁটি) ডাল-পালা, কুমকুম, তুলা, কাতান বস্ত্র, কাঁচা রেশম, কিংবা ইহাদের সদৃশ অন্য কোন সামগ্ৰী যেসবের কোন কিছুরই পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা জ্ঞাত নহে, (উপরিউক্ত) খাদ্যদ্রব্য কিংবা আসবাবের মালিককে এক ব্যক্তি বলিল, আপনি কোন ব্যক্তিকে আপনার আসবাব পরিমাণ করার নির্দেশ দিন। কিংবা যাহা ওজন করার যোগ্য উহাকে ওজন করুন, অথবা যাহা গণনা করার উপযোগী উহাকে গণনা করুন। এত এত সা' হইতে যাহা নির্ধারিত করা হয় উহা হইতে যাহা কম হইবে, কিংবা এত এত রতল (অর্ধসের) ওজন হইতে যাহা ঘাটিয়া যাইবে অথবা এত এত সংখ্যা হইতে যত কম হইবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি করিব সেই পরিমাণ বা ওজন, কিংবা সংখ্যা যাহা নির্ধারিত হইয়াছে তাহার। সেই পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আমার দায়িত্ব থাকিবে। আর নির্ধারিত পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা হইতে যাহা বাড়তি হইবে উহা হইবে আমার প্রাপ্য। যে পরিমাণ কম হইবে সে পরিমাণের ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকিব এই শর্তে যে, যাহা বাড়তি হইবে তাহা আমার প্রাপ্য হইবে। ইহা কোন বিক্রয় নহে। বরং ইহাতে রহিয়াছে ঝুঁকি ও প্রতারণা আর জুয়াও ইহার অন্তর্ভুক্ত। মুযাবানার মতো ইহাও নিষিদ্ধ। কারণ নিজ হইতে কোন মূল্য প্রদান করিয়া কোন বস্তু বিক্রেতা হইতে ক্রয় করা হয় নাই। কিন্তু সে আসবাবের মালিকের জন্য জামিন হইয়াছে। যে পরিমাণ, ওজন এবং সংখ্যা সে নির্ধারণ করিয়াছে তাহা হইতে বাড়তি হইলে উহা সে পাইবে, আর নির্ধারিত পরিমাণ হইতে সামান্য ঘাটতি হইলে তবে ঘাটতি পূরণার্থে জামিনদারের মাল হইতে ঘাটতি পরিমাণ মাল গ্রহণ করিবে। অথচ ইহা মূল্যও নহে এমন দানও নহে যাহা হৃষ্টচিত্তে দান করা হইয়াছে। তাই ইহা জুয়া তুল্য, যেকোন (ক্রয়-বিক্রয় আদান-প্রদান) এইরূপ হইবে, উহা জুয়ার মতো হইবে (এবং মুযাবানার মতো নিষিদ্ধ হইবে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুযাবানার অন্তর্গত ইহাও — যেই ব্যক্তির নিকট কাপড় আছে তাহাকে আর এক ব্যক্তি বলিলঃ আপনার এই কাপড় হইতে এত এত (ধরা যাক একশত কিংবা দুইশত) জামার বেষ্টনী ও টুপী তৈরির দায়িত্ব নিতেছে। প্রতিটি বেষ্টনীর পরিমাণ এত এত হইবে যাহা নির্দিষ্ট রূপে উল্লেখ করিল। এই সংখ্যা হইতে যাহা কম হইবে তাহার জরিমানা আমার জিম্মায়। আমি উহা আপনাকে পূর্ণ করিয়া দিব, আর যাহা বাড়তি হইবে উহা হইবে আমার। কিংবা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলিল, আপনার এই কাপড় হইতে এত এত কামিজ তৈরির ব্যাপারে আমি জামিন আছি, প্রতিটি কামিজের আয়তন এত এত হইবে, উহা হইতে যতটুকু কমতি হইবে উহার জরিমানা আমার উপর। আর যাহা বাড়তি হইবে তাহা আমার প্রাপ্য হইবে। কিংবা যাহার কাছে গরু অথবা উটের চামড়া রহিয়াছে তাহাকে কেহ বলিল, আমি আপনার এইসব চামড়া হইতে এই পরিমাণের যাহা দেখান হইয়াছে জুতা তৈয়ার করিব। একশত জোড়ার কম যাহা হইবে তাহার ক্ষতিপূরণ আমি করিব। এই ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব গ্রহণের বিনিময়ে যাহা বাড়তি হইবে উহা আমার হইবে। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রহিয়াছে হাববুল-বানা [حب البنان এক প্রকারের গাছ যাহার পাতা নিম গাছের পাতার মতো উহার ফলের বীজ দ্বারা তৈল প্রস্তুত করা হয়।] তাহাকে আর এক ব্যক্তি বলিল, আপনার এই বীজ আমি নিঙড়াইয়া [তৈল বাহির করিয়া] দিব। এত এত রাতল [رطل অর্ধসের ওজনের একটি পরিমাপ পাত্র] পরিমাণ হইতে যাহা কমতি হইবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি আপনাকে আদায় করিব। আর যাহা অতিরিক্ত হইবে তাহা আমার প্রাপ্য হইবে। এই সব (যাহা উল্লেখ হইয়াছে) এবং উহার সদৃশ বস্তুসমূহ কিংবা যাহা এই সবের মতন হয় সব মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত এবং তাহা অবৈধ। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রহিয়াছে ঘাস-পাতা, ফলের আঁটি, তুলা, কাতান বস্ত্র, ডাল পালা, কুমকুম ইত্যাদি। অন্য এক ব্যক্তি সেই ব্যক্তিকে বলিল, আমি আপনার নিকট এই ঘাসপাতা এত এত সা' অনুরূপ ঘাসের বিনিময়ে ক্রয় করিলাম, কিংবা এই ফলের আটিগুলি এত এত সা' অনুরূপ ফলের আঁটির বিনিময়ে ক্রয় করিলাম। এইরূপভাবে কুমকুম, তুলা, কাতান এবং ডাল-পালার ব্যাপারেও বলা হইল। এই সবই আমাদের (সাবেক) বর্ণিত মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
হাদিস 1316 — Muwatta Malik 31:27
দাঈফ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم السَّعْدَيْنِ أَنْ يَبِيعَا آنِيَةً مِنَ الْمَغَانِمِ مِنْ ذَهَبٍ أَوْ فِضَّةٍ فَبَاعَا كُلَّ ثَلاَثَةٍ بِأَرْبَعَةٍ عَيْنًا أَوْ كُلَّ أَرْبَعَةٍ بِثَلاَثَةٍ عَيْنًا فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَرْبَيْتُمَا فَرُدَّا
রেওয়ায়ত ২৮. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সাদকে গনীমতের স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের বাসন[1] বিক্রয় করার নির্দেশ দিলেন। তাহারা উভয়ে তিনটি বাসন চার দীনারের বিনিময়ে অথবা রাবী বলিয়াছেন প্রতি চারিটি বাসন তিন দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করিলেন, তোমরা সুদের ব্যবসা করিয়াছ। তাই তোমরা ইহা ফিরাইয়া দাও।
হাদিস 1317 — Muwatta Malik 31:28
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي تَمِيمٍ، عَنْ أَبِي الْحُبَابِ، سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الدِّينَارُ بِالدِّينَارِ وَالدِّرْهَمُ بِالدِّرْهَمِ لاَ فَضْلَ بَيْنَهُمَا " .
রেওয়ায়ত ২৯. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন-দীনারের বিনিময়ে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি ক্রয়-বিক্রয় চলিবে না।
রেওয়ায়ত ৩০. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, স্বর্ণকে স্বর্ণের বিনিময়ে সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করিও না এবং স্বর্ণের এক অংশকে অন্য অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রয় করিও না। (অনুরূপ) চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করিও না এবং উহার এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রি করিও না, আর উহা হইতে নগদের বিনিময়ে বাকী বিক্রয় করিও না।
রেওয়ায়ত ৩১. মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ আমি (একবার) আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। একজন স্বর্ণকার তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল-হে আবু আবদির রহমান। আমি স্বর্ণে কারুকার্যের কাজ করি, অতঃপর উহার ওজনের চাইতে অধিক ওজনে বিক্রয় করি; ইহাতে আমি শ্রম অনুযায়ী বাড়তি গ্রহণ করিতে পারি কি? আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) তাহাকে নিষেধ করিলেন। স্বর্ণকার এই মাসআলা তাহার নিকট বারবার পেশ করিতেছিল আর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাহাকে নিষেধ করিতেছিলেন । এইভাবে মসজিদের দ্বারপ্রান্তে কিংবা যে সওয়ারীতে আরোহণ করিলেন উহার কাছে উপনীত হইলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেন-দীনার দীনারের বিনিময়ে এবং দিরহাম দিরহামের বিনিময়ে, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি (ক্রয়-বিক্রয়) বৈধ নহে। ইহা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওসীয়ত আমাদের প্রতি এবং আমাদের ওসীয়তও (ইহাই) তোমাদের প্রতি।