Qurani·قرآني
বাংলা

ব্যবসা-বাণিজ্য

96 হাদিস · #1290–1385

হাদিস 1350 — Muwatta Malik 31:12
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنْ بَيْعٍ الْحَيَوَانِ، اثْنَيْنِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ فَقَالَ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّهُ لاَ بَأْسَ بِالْجَمَلِ بِالْجَمَلِ مِثْلِهِ وَزِيَادَةِ دَرَاهِمَ يَدًا بِيَدٍ وَلاَ بَأْسَ بِالْجَمَلِ بِالْجَمَلِ مِثْلِهِ وَزِيَادَةِ دَرَاهِمَ الْجَمَلُ بِالْجَمَلِ يَدًا بِيَدٍ وَالدَّرَاهِمُ إِلَى أَجَلٍ ‏.‏ قَالَ وَلاَ خَيْرَ فِي الْجَمَلِ بِالْجَمَلِ مِثْلِهِ وَزِيَادَةِ دَرَاهِمَ الدَّرَاهِمُ نَقْدًا وَالْجَمَلُ إِلَى أَجَلٍ وَإِنْ أَخَّرْتَ الْجَمَلَ وَالدَّرَاهِمَ لاَ خَيْرَ فِي ذَلِكَ أَيْضًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ بَأْسَ أَنْ يَبْتَاعَ الْبَعِيرَ النَّجِيبَ بِالْبَعِيرَيْنِ أَوْ بِالأَبْعِرَةِ مِنَ الْحَمُولَةِ مِنْ مَاشِيَةِ الإِبِلِ وَإِنْ كَانَتْ مِنْ نَعَمٍ وَاحِدَةٍ فَلاَ بَأْسَ أَنْ يُشْتَرَى مِنْهَا اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ إِذَا اخْتَلَفَتْ فَبَانَ اخْتِلاَفُهَا وَإِنْ أَشْبَهَ بَعْضُهَا بَعْضًا وَاخْتَلَفَتْ أَجْنَاسُهَا أَوْ لَمْ تَخْتَلِفْ فَلاَ يُؤْخَذُ مِنْهَا اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَتَفْسِيرُ مَا كُرِهَ مِنْ ذَلِكَ أَنْ يُؤْخَذَ الْبَعِيرُ بِالْبَعِيرَيْنِ لَيْسَ بَيْنَهُمَا تَفَاضُلٌ فِي نَجَابَةٍ وَلاَ رِحْلَةٍ فَإِذَا كَانَ هَذَا عَلَى مَا وَصَفْتُ لَكَ فَلاَ يُشْتَرَى مِنْهُ اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ وَلاَ بَأْسَ أَنْ تَبِيعَ مَا اشْتَرَيْتَ مِنْهَا قَبْلَ أَنْ تَسْتَوْفِيَهُ مِنْ غَيْرِ الَّذِي اشْتَرَيْتَهُ مِنْهُ إِذَا انْتَقَدْتَ ثَمَنَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ سَلَّفَ فِي شَىْءٍ مِنَ الْحَيَوَانِ إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى فَوَصَفَهُ وَحَلاَّهُ وَنَقَدَ ثَمَنَهُ فَذَلِكَ جَائِزٌ وَهُوَ لاَزِمٌ لِلْبَائِعِ وَالْمُبْتَاعِ عَلَى مَا وَصَفَا وَحَلَّيَا وَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ مِنْ عَمَلِ النَّاسِ الْجَائِزِ بَيْنَهُمْ وَالَّذِي لَمْ يَزَلْ عَلَيْهِ أَهْلُ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭২. যেইসব বস্ত্র ওজন করিয়া ক্রয় বিক্রয় করা হয় স্বর্ণ ও চাঁদি ব্যতীত (যেমন-) তামা, পিতল, রং সীসক, লোহা, কাজাব,[1] তীন,[2] তুলা এবং ইহার সদৃশ বস্তু যাহা ওজন করা হয়। মালিক (রহঃ) বলেন (এই বিষয়ে) আমাদের নিকট ফয়সালা এই, এইরূপ এক জাতের দ্রব্য হইতে এক বস্তুর বিনিময় নগদ দুই বস্তুর গ্রহণ করাতে কোন দোষ নাই। এবং এক রতল লোহা দুই রতল লোহার বিনিময়ে আর দুই রতল উৎকৃষ্ট ধরনের তামার বিনিময়ে এক রতল উৎকৃষ্ট তামা গ্রহণ করাতেও কোন দোষ নাই। আর একই জাতের দ্রব্যে একটির বিনিময়ে দুইটি বস্তু ধারে গ্রহণ করাতে কোন মঙ্গল নাই [অর্থাৎ উহা নাজায়েয]। আর যদি বস্তুদ্বয় একটি অপরটি হইতে ভিন্ন জাতের হয় এবং উহাদের মধ্যে বিভিন্নতা স্পষ্ট হয়, তবে সেইরূপ বস্তু হইতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করাতে কোন দোষ নাই আর যদি একে অপরের সদৃশ হয় যদিও উহাদের নাম বিভিন্ন রহিয়াছে। যেমন-রাং, সীসক, ব্রোঞ্জ, উৎকৃষ্ট তামা, ইহাতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করাকে আমি মাকরূহ বলিয়া মনে করি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই সকল দ্রব্য হইতে তুমি যাহা ক্রয় করিয়াছ, উহাকে যাহার নিকট হইতে তুমি ক্রয় করিয়াছ সে ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকের কাছে কজা করার পূর্বে বিক্রয় করিলে কোন দোষ নাই। যদি উহার মূল্য নগদ গ্রহণ করিয়া থাকে এবং যদি উহাকে পরিমাপ পাত্রের দ্বারা কিংবা ওজন করিয়া ক্রয় করিয়া থাকে। আর যদি আন্দাজে (স্তুপ) ক্রয় করিয়া থাক, তবে উহাকে তুমি বিক্রয় করিতে পার যাহার নিকট হইতে ক্রয় করিয়াছ তাহাকে ভিন্ন অন্য কাহারো নিকট, কিংবা ধারে। কারণ যখন আন্দাজে ক্রয় করিয়াছ তখন উহা তোমার দায়িত্বে আসিয়াছে, [উহার ওজন সম্পর্কে বিক্রেতার আর কোন দায়-দায়িত্ব রহিল না।], পক্ষান্তরে যদিও ওজন করিয়া উহা ক্রয় করিয়াছ। তবে যাবত ওজন করিয়া উহা নিজ কব্জায় না আনিবে তাবত উহার প্রতি তোমার দায়িত্ব থাকিবে না। এই সব দ্রব্য সম্পর্কে যাহা আমি শুনিয়াছি, তন্মধ্যে ইহাই আমার মনঃপূত। আর লোকের আমলও সর্বদা ইহার উপর রহিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা এই, যেই নব বস্তু পাত্র দ্বারা মাপা হয়, অথবা (বাটখারা ইত্যাদির দ্বারা) ওজন করা হয় এবং উহা খাদ্য বা পানীয় দ্রব্যের মধ্যে না হয়, যেমন-কুসুম, ফলের আঁটি, গাছের পাতা,[3] কাতাম[4] এবং উহার সাদৃশ বস্তু। এই সকল দ্রব্যের প্রত্যেক শ্রেণী হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি নগদ গ্রহণ করাতে কোন দোষ নাই। তবে এক শ্রেণীর দ্রব্য হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি ধারে গ্রহণ করা যাইবে না। আর যদি উভয় দ্রব্যের মধ্যে শ্রেণী বা রকমের পার্থক্য হয় এবং সেই পার্থক্য স্পষ্টত বিদ্যমান হয়, তবে সেই দুই শ্রেণীর দ্রব্য হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি বস্তু ধারে ক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। এই সকল বিভিন্ন শ্রেণীর দ্রব্য যাহা কেহ ক্রয় করিয়াছে উহাকে পূর্ণ কব্জায় আনার পূর্বে যে ব্যক্তির নিকট হইতে ক্রয় করিয়াছে সে ব্যতীত অন্যের কাছে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। যদি উহার মূল্য দ্বিতীয় ক্রেতার নিকট হইতে হস্তগত করিয়া থাকে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ যাবতীয় শ্রেণীর দ্রব্যাদি হইতে কোন দ্রব্যের দ্বারা লোক উপকৃত হয়, যদিও ছোট কংকর এবং চুনা হউক। এই শ্রেণীর দুই দ্রব্য হইতে একটিকে দ্বিগুণ দ্রব্যের বিনিময়ে ধারে গ্রহণ করা সুদ এবং একটিকে একটি এবং অতিরিক্ত কোন বস্তুর বিনিময়ে ধারে গ্রহণ করিলে উহা সুদ বলিয়া গণ্য হইবে।
হাদিস 1351 — Muwatta Malik 31:13
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعِ حَبَلِ الْحَبَلَةِ ‏.‏ وَكَانَ بَيْعًا يَتَبَايَعُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ كَانَ الرَّجُلُ يَبْتَاعُ الْجَزُورَ إِلَى أَنْ تُنْتَجَ النَّاقَةُ ‏.‏ ثُمَّ تُنْتَجَ الَّتِي فِي بَطْنِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৩. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, গর্ভবতী পশুর গর্ভস্থ বাচ্চা বিক্রয় করিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করিয়াছেন। ইহা এক প্রকারের বিক্রয় যাহা জাহিলী যুগের লোকেরা পরস্পর এইরূপ বেচাকেনা করিত; উষ্ট্রী উহার বাচ্চা প্রসব করা অতঃপর সেই বাচ্চা (গর্ভবতী হইয়া) উহার বাচ্চা প্রসব করা পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করিয়াছে এক ব্যক্তি উট ক্রয় করিত।
হাদিস 1352 — Muwatta Malik 31:14
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ قَالَ لاَ رِبًا فِي الْحَيَوَانِ وَإِنَّمَا نُهِيَ مِنَ الْحَيَوَانِ عَنْ ثَلاَثَةٍ عَنِ الْمَضَامِينِ وَالْمَلاَقِيحِ وَحَبَلِ الْحَبَلَةِ ‏.‏ وَالْمَضَامِينُ بَيْعُ مَا فِي بُطُونِ إِنَاثِ الإِبِلِ وَالْمَلاَقِيحُ بَيْعُ مَا فِي ظُهُورِ الْجِمَالِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ يَنْبَغِي أَنْ يَشْتَرِيَ أَحَدٌ شَيْئًا مِنَ الْحَيَوَانِ بِعَيْنِهِ إِذَا كَانَ غَائِبًا عَنْهُ وَإِنْ كَانَ قَدْ رَآهُ وَرَضِيَهُ عَلَى أَنْ يَنْقُدَ ثَمَنَهُ لاَ قَرِيبًا وَلاَ بَعِيدًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا كُرِهَ ذَلِكَ لأَنَّ الْبَائِعَ يَنْتَفِعُ بِالثَّمَنِ وَلاَ يُدْرَى هَلْ تُوجَدُ تِلْكَ السِّلْعَةُ عَلَى مَا رَآهَا الْمُبْتَاعُ أَمْ لاَ فَلِذَلِكَ كُرِهَ ذَلِكَ وَلاَ بَأْسَ بِهِ إِذَا كَانَ مَضْمُونًا مَوْصُوفًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৪. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিয়াছেন-পশুতে সুদ নাই। তিন প্রকারের পশু [এর ক্রয়-বিক্রয়] হইতে নিষেধ করা হইয়াছে “মাযামীন, মালাকী, হাবালুল হাবালা” (এই তিন প্রকারের ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ)। উষ্ট্রীদের উদরের বাচ্চারা হইতেছে মায়ামীন। আর উটদের টিপঠের বীর্য হইতেছে মালাকী আর ‘হাবালুল-হাবালা’ হইতেছে জাহিলী যুগের লোকেরা পরস্পর উষ্ট্রীর [পেটের বাচ্চার] যে বেচাকেনা করিত তাহা। মালিক (রহঃ) বলেনঃ নির্দিষ্ট কোন জানোয়ার কাহারও পক্ষে ক্রয় করা জায়েয নহে যদি উক্ত পশু তাহার মওজুদ না থাকে। যদিও ক্রেতা (পূর্বে) উহাকে দেখিয়া থাকে এবং (দেখার সময়) নগদ মূল্য পরিশোধ করিতে রাজী হইয়া থাকে। এই বিক্রয় জায়েয হইবে না। বিক্রীত পশুর অনুপস্থিতি অল্পদিনে হউক কিংবা বেশি দিনের হউক। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা এইজন্য মাকরূহ যে, বিক্রেতা উহার মূল্য দ্বারা উপকৃত হইবে। অথচ সেই নির্দিষ্ট জানোয়ারটিকে ক্রেতা যেই অবস্থায় দেখিয়াছিল সেই অবস্থায় পাওয়া যাইবে কি যাইবে না তাহার কোন নিশ্চয়তা নাই। এই কারণেই ইহা মাকরূহ হইয়াছে। তবে যদি বিক্রীত বস্তুর (ভালরূপে) গুণাগুণ বিশ্লেষণ করিয়া দেওয়া হয় এবং যথাসময়ে ক্রেতার নিকট উহাকে সোপর্দ করার ব্যাপারে বিক্রেতা দায়ী থাকে, তাহা হইলে এই বিক্রয় জায়েয হইবে।
হাদিস 1353 — Muwatta Malik 31:15
হাসান Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ
হাদিস 1354 — Muwatta Malik 31:16
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يَقُولُ مِنْ مَيْسِرِ أَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ بَيْعُ الْحَيَوَانِ بِاللَّحْمِ بِالشَّاةِ وَالشَّاتَيْنِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৬. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব বলিতেন, গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী ও দুইটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়া সদৃশ।
হাদিস 1355 — Muwatta Malik 31:17
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ نُهِيَ عَنْ بَيْعِ الْحَيَوَانِ، بِاللَّحْمِ ‏.‏ قَالَ أَبُو الزِّنَادِ فَقُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَرَأَيْتَ رَجُلاً اشْتَرَى شَارِفًا بِعَشَرَةِ شِيَاهٍ فَقَالَ سَعِيدٌ إِنْ كَانَ اشْتَرَاهَا لِيَنْحَرَهَا فَلاَ خَيْرَ فِي ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ أَبُو الزِّنَادِ وَكُلُّ مَنْ أَدْرَكْتُ مِنَ النَّاسِ يَنْهَوْنَ عَنْ بَيْعِ الْحَيَوَانِ بِاللَّحْمِ ‏.‏ قَالَ أَبُو الزِّنَادِ وَكَانَ ذَلِكَ يُكْتَبُ فِي عُهُودِ الْعُمَّالِ فِي زَمَانِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ وَهِشَامِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ يَنْهَوْنَ عَنْ ذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৭. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেন-গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হইতে নিষেধ করা হইয়াছে। আবুয যিনাদ (রহঃ) বলেনঃ আমি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলিলাম, এক ব্যক্তি দশটি বকরীর বিনিময়ে একটি উট ক্রয় করিল, উহার হুকুম কি আমাকে বলুন। সাঈদ বললেন, যদি যবেহ্ করার জন্য উহাকে ক্রয় করে তবে উহাতে মঙ্গল নাই (অর্থাৎ ইহা জায়েয নহে)। আবুয যিনাদ বলেন-আমি যেসকল আহলে ইলম উলামা-কে পাইয়াছি তাহারা প্রত্যেকে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হইতে নিষেধ করিতেন। আবুয যিনাদ আরও বলিলেন-বিভিন্ন জিলার শাসনকর্তাদের নিকট আবান ইবন উসমান ও হিশাম ইবন ইসমাঈল-এর শাসনকালে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় নিষেধ করা হইত।
হাদিস 1356 — Muwatta Malik 31:18
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَمَهْرِ الْبَغِيِّ وَحُلْوَانِ الْكَاهِنِ ‏.‏ يَعْنِي بِمَهْرِ الْبَغِيِّ مَا تُعْطَاهُ الْمَرْأَةُ عَلَى الزِّنَا وَحُلْوَانُ الْكَاهِنِ رَشْوَتُهُ وَمَا يُعْطَى عَلَى أَنْ يَتَكَهَّنَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬৯. আবু মাসউদ আনসারী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করিয়াছেন কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর মাহর এবং ভবিষ্যদ্বক্তার উৎকোচ হইতে। ইহার অর্থ এই ব্যভিচারিণীর মাহর যাহা তাহাকে ব্যভিচারের বিনিময়ে দেওয়া হয় তাহা, আর (زبزه) ভবিষ্যদ্বক্তার[1] “হুলওয়ান" হইতেছে উহার উৎকোচ যাহা ভাগ্য গণনা করার জন্য তাহাকে দেওয়া হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ শিকারী এবং অশিকারী উভয় প্রকারের কুকুরের মূল্য হারাম। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য গ্রহণ করিতে নিষেধ করিয়াছেন।
হাদিস 1357 — Muwatta Malik 31:19
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعٍ وَسَلَفٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَتَفْسِيرُ ذَلِكَ أَنْ يَقُولَ الرَّجُلُ لِلرَّجُلِ آخُذُ سِلْعَتَكَ بِكَذَا وَكَذَا عَلَى أَنْ تُسْلِفَنِي كَذَا وَكَذَا ‏.‏ فَإِنْ عَقَدَا بَيْعَهُمَا عَلَى هَذَا فَهُوَ غَيْرُ جَائِزٍ فَإِنْ تَرَكَ الَّذِي اشْتَرَطَ السَّلَفَ مَا اشْتَرَطَ مِنْهُ كَانَ ذَلِكَ الْبَيْعُ جَائِزًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ بَأْسَ أَنْ يُشْتَرَى الثَّوْبُ مِنَ الْكَتَّانِ أَوِ الشَّطَوِيِّ أَوِ الْقَصَبِيِّ بِالأَثْوَابِ مِنَ الإِتْرِيبِيِّ أَوِ الْقَسِّيِّ أَوِ الزِّيقَةِ أَوِ الثَّوْبِ الْهَرَوِيِّ أَوِ الْمَرْوِيِّ بِالْمَلاَحِفِ الْيَمَانِيَّةِ وَالشَّقَائِقِ وَمَا أَشْبَهَ ذَلِكَ الْوَاحِدُ بِالاِثْنَيْنِ أَوِ الثَّلاَثَةِ يَدًا بِيَدٍ أَوْ إِلَى أَجَلٍ وَإِنْ كَانَ مِنْ صِنْفٍ وَاحِدٍ فَإِنْ دَخَلَ ذَلِكَ نَسِيئَةٌ فَلاَ خَيْرَ فِيهِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ يَصْلُحُ حَتَّى يَخْتَلِفَ فَيَبِينَ اخْتِلاَفُهُ فَإِذَا أَشْبَهَ بَعْضُ ذَلِكَ بَعْضًا وَإِنِ اخْتَلَفَتْ أَسْمَاؤُهُ فَلاَ يَأْخُذْ مِنْهُ اثْنَيْنِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ وَذَلِكَ أَنْ يَأْخُذَ الثَّوْبَيْنِ مِنَ الْهَرَوِيِّ بِالثَّوْبِ مِنَ الْمَرْوِيِّ أَوِ الْقُوهِيِّ إِلَى أَجَلٍ أَوْ يَأْخُذَ الثَّوْبَيْنِ مِنَ الْفُرْقُبِيِّ بِالثَّوْبِ مِنَ الشَّطَوِيِّ فَإِذَا كَانَتْ هَذِهِ الأَجْنَاسُ عَلَى هَذِهِ الصِّفَةِ فَلاَ يُشْتَرَى مِنْهَا اثْنَانِ بِوَاحِدٍ إِلَى أَجَلٍ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ بَأْسَ أَنْ تَبِيعَ مَا اشْتَرَيْتَ مِنْهَا قَبْلَ أَنْ تَسْتَوْفِيَهُ مِنْ غَيْرِ صَاحِبِهِ الَّذِي اشْتَرَيْتَهُ مِنْهُ إِذَا انْتَقَدْتَ ثَمَنَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭০. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রয় এবং ঋণকে যুক্ত করা হইতে নিষেধ করিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহার তফসীর (ব্যাখ্যা) এই, এক ব্যক্তি বলিল অপর ব্যক্তিকে, আমি আপনার পণ্য ক্রয় করিব এত এত (টাকা) মূল্যে এই শর্তে যে, আপনি আমাকে এত এত (টাকা) ঋণ দিবেন। যদি তাহাদের উভয়ের বেচাকেনা ইহার উপর সম্পাদিত হয় তবে ইহা নাজায়েয হইবে, আর যে ব্যক্তি ঋণের শর্ত করিয়াছে সে যদি শর্ত পরিহার করে তবে এই বেচাকেনা জায়েয হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন দোষ নাই বস্ত্র ক্রয় করাতে (বিভিন্ন প্রকারের যেমন-) কাতান, সাতাবী,[1] অথবা কাসাবী[2] [ইত্যাদি] ইতরিবী[3] বা কাশশী,[4] অথবা যীকো[5] ইত্যাদি বস্ত্রের বিনিময়ে অথবা হারারী[6] কিংবা মারবী[7] বস্ত্র (ক্রয় করা) ইয়ামনী এবং সাকায়িক[8] ও এতদুভয়ের সদৃশ অন্য কোন বস্ত্রের বিনিময়ে একটিকে দুইটির বিনিময়ে অথবা তিনটির বিনিময়ে, নগদ বা বাকী (ক্রয় করিতে কোন দোষ নাই), যদিও এক প্রকারের বস্ত্র হয়। যদি উহাতে [এক জাতের বস্ত্রে] ঋণ ধার প্রবেশ করে [অর্থাৎ ধারে বিক্রয় করা হয়] তবে উহাতে মঙ্গল নাই [অর্থাৎ উহা নাজায়েয]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ (ক্রীত ও বিক্রীত বস্তুর মধ্যে) জাতগত পার্থক্য না হইলে এবং সেই পার্থক্য স্পষ্ট না হইলে ধারে বিক্রয় জায়েয হইবে না। আর যদি একটি অপরটির সদৃশ হয় তবে উহাদের নাম যদিও বিভিন্ন হয় তবুও উহা হইতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করিবে না। ইহার দৃষ্টান্ত — যেমন হারাবী দুই বস্ত্র ধারে গ্রহণ করা মরবী কিংবা কুহী[9] এক বস্ত্রের বিনিময়ে বা সাতাবী এক বস্ত্রের বিনিময়ে ফুরকবী[10] দুই বস্ত্র গ্রহণ করা। এই সব রকমের বস্ত্র যদি এইরূপ (অর্থাৎ পরস্পর স্পষ্ট পার্থক্য না থাকে) হয় তবে উহা হইতে একটির বিনিময়ে দুইটি বস্ত্র ধারে ক্রয় করা জায়েয হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই জাতীয় বস্ত্র হইতে কাহারও ক্রীত বস্ত্রকে উহা কব্জা করার পূর্বে যেই লোক হইতে ক্রয় করা হইয়াছে সেই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকের নিকট বিক্রয় করাতে কোন দোষ নাই। যদি উহার মূল্য পরিশোধ করা হইয়া থাকে।
হাদিস 1358 — Muwatta Malik 31:20
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، وَرَجُلٌ، يَسْأَلُهُ عَنْ رَجُلٍ، سَلَّفَ فِي سَبَائِبَ فَأَرَادَ بَيْعَهَا قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَهَا فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تِلْكَ الْوَرِقُ بِالْوَرِقِ ‏.‏ وَكَرِهَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ فِيمَا نُرَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ أَنَّهُ أَرَادَ أَنْ يَبِيعَهَا مِنْ صَاحِبِهَا الَّذِي اشْتَرَاهَا مِنْهُ بِأَكْثَرَ مِنَ الثَّمَنِ الَّذِي ابْتَاعَهَا بِهِ وَلَوْ أَنَّهُ بَاعَهَا مِنْ غَيْرِ الَّذِي اشْتَرَاهَا مِنْهُ لَمْ يَكُنْ بِذَلِكَ بَأْسٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا فِيمَنْ سَلَّفَ فِي رَقِيقٍ أَوْ مَاشِيَةٍ أَوْ عُرُوضٍ فَإِذَا كَانَ كُلُّ شَىْءٍ مِنْ ذَلِكَ مَوْصُوفًا فَسَلَّفَ فِيهِ إِلَى أَجَلٍ فَحَلَّ الأَجَلُ فَإِنَّ الْمُشْتَرِيَ لاَ يَبِيعُ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ مِنَ الَّذِي اشْتَرَاهُ مِنْهُ بِأَكْثَرَ مِنَ الثَّمَنِ الَّذِي سَلَّفَهُ فِيهِ قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَ مَا سَلَّفَهُ فِيهِ وَذَلِكَ أَنَّهُ إِذَا فَعَلَهُ فَهُوَ الرِّبَا صَارَ الْمُشْتَرِي إِنْ أَعْطَى الَّذِي بَاعَهُ دَنَانِيرَ أَوْ دَرَاهِمَ فَانْتَفَعَ بِهَا فَلَمَّا حَلَّتْ عَلَيْهِ السِّلْعَةُ وَلَمْ يَقْبِضْهَا الْمُشْتَرِي بَاعَهَا مِنْ صَاحِبِهَا بِأَكْثَرَ مِمَّا سَلَّفَهُ فِيهَا فَصَارَ أَنْ رَدَّ إِلَيْهِ مَا سَلَّفَهُ وَزَادَهُ مِنْ عِنْدِهِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ مَنْ سَلَّفَ ذَهَبًا أَوْ وَرِقًا فِي حَيَوَانٍ أَوْ عُرُوضٍ إِذَا كَانَ مَوْصُوفًا إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى ثُمَّ حَلَّ الأَجَلُ فَإِنَّهُ لاَ بَأْسَ أَنْ يَبِيعَ الْمُشْتَرِي تِلْكَ السِّلْعَةَ مِنَ الْبَائِعِ قَبْلَ أَنْ يَحِلَّ الأَجَلُ أَوْ بَعْدَ مَا يَحِلُّ بِعَرْضٍ مِنَ الْعُرُوضِ يُعَجِّلُهُ وَلاَ يُؤَخِّرُهُ بَالِغًا مَا بَلَغَ ذَلِكَ الْعَرْضُ إِلاَّ الطَّعَامَ فَإِنَّهُ لاَ يَحِلُّ أَنْ يَبِيعَهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ وَلِلْمُشْتَرِي أَنْ يَبِيعَ تِلْكَ السِّلْعَةَ مِنْ غَيْرِ صَاحِبِهِ الَّذِي ابْتَاعَهَا مِنْهُ بِذَهَبٍ أَوْ وَرِقٍ أَوْ عَرْضٍ مِنَ الْعُرُوضِ يَقْبِضُ ذَلِكَ وَلاَ يُؤَخِّرُهُ لأَنَّهُ إِذَا أَخَّرَ ذَلِكَ قَبُحَ وَدَخَلَهُ مَا يُكْرَهُ مِنَ الْكَالِئِ بِالْكَالِئِ وَالْكَالِئُ بِالْكَالِئِ أَنْ يَبِيعَ الرَّجُلُ دَيْنًا لَهُ عَلَى رَجُلٍ بِدَيْنٍ عَلَى رَجُلٍ آخَرَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ سَلَّفَ فِي سِلْعَةٍ إِلَى أَجَلٍ وَتِلْكَ السِّلْعَةُ مِمَّا لاَ يُؤْكَلُ وَلاَ يُشْرَبُ فَإِنَّ الْمُشْتَرِيَ يَبِيعُهَا مِمَّنْ شَاءَ بِنَقْدٍ أَوْ عَرْضٍ قَبْلَ أَنْ يَسْتَوْفِيَهَا مِنْ غَيْرِ صَاحِبِهَا الَّذِي اشْتَرَاهَا مِنْهُ وَلاَ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَبِيعَهَا مِنَ الَّذِي ابْتَاعَهَا مِنْهُ إِلاَّ بِعَرْضٍ يَقْبِضُهُ وَلاَ يُؤَخِّرُهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنْ كَانَتِ السِّلْعَةُ لَمْ تَحِلَّ فَلاَ بَأْسَ بِأَنْ يَبِيعَهَا مِنْ صَاحِبِهَا بِعَرْضٍ مُخَالِفٍ لَهَا بَيِّنٍ خِلاَفُهُ يَقْبِضُهُ وَلاَ يُؤَخِّرُهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِيمَنْ سَلَّفَ دَنَانِيرَ أَوْ دَرَاهِمَ فِي أَرْبَعَةِ أَثْوَابٍ مَوْصُوفَةٍ إِلَى أَجَلٍ فَلَمَّا حَلَّ الأَجَلُ تَقَاضَى صَاحِبَهَا فَلَمْ يَجِدْهَا عِنْدَهُ وَوَجَدَ عِنْدَهُ ثِيَابًا دُونَهَا مِنْ صِنْفِهَا فَقَالَ لَهُ الَّذِي عَلَيْهِ الأَثْوَابُ أُعْطِيكَ بِهَا ثَمَانِيَةَ أَثْوَابٍ مِنْ ثِيَابِي هَذِهِ ‏.‏ إِنَّهُ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ إِذَا أَخَذَ تِلْكَ الأَثْوَابَ الَّتِي يُعْطِيهِ قَبْلَ أَنْ يَفْتَرِقَا فَإِنْ دَخَلَ ذَلِكَ الأَجَلُ فَإِنَّهُ لاَ يَصْلُحُ وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ قَبْلَ مَحِلِّ الأَجَلِ فَإِنَّهُ لاَ يَصْلُحُ أَيْضًا إِلاَّ أَنْ يَبِيعَهُ ثِيَابًا لَيْسَتْ مِنْ صِنْفِ الثِّيَابِ الَّتِي سَلَّفَهُ فِيهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কাহারও নিকট কর্জ পাওনা হয় আর যে কর্জ নিয়াছে সে দাতাকে বলে, যে অর্থ আমি কর্জ হিসাবে লইয়াছিলাম উহা শরীকী কারবারে আমার নিকট থাকিতে দাও। তবে এইরূপ কারবার বৈধ হইবে না। হ্যাঁ, যদি প্রথমে কর্জের অর্থ উশুল হইয়া যায় আর পরে ইচ্ছা হইলে শরীকী কারবারে দিয়া দেয় তবে বৈধ হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী পুঁজি বিনিয়োগকারীকে বলে, আমার নিকট যে কারবারের অর্থ জমা আছে উহা আমাকে কর্জ হিসাবে দিয়া দাও, তবে উহা অবৈধ হইবে। কর্জ শোধ হইলে পরে যদি ইচ্ছা হয় কর্জ দেবে, ইচ্ছা না হইলে দেবে না। কারণ হয়তো ব্যবসায়ীর নিকট মূলধনে কিছু ঘাটতি হইয়াছে। সে সময় বৃদ্ধি করাইয়া উক্ত ঘাটতি পূরণ করিতে চায়, ইহা অবৈধ।
হাদিস 1359 — Muwatta Malik 31:21
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ ‏.‏ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعَتَيْنِ فِي بَيْعَةٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৩. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বিক্রিতে দুই বিক্রি ঢুকান হইতে নিষেধ করিয়াছেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।