وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنْ كَانَ فَفِي الْفَرَسِ وَالْمَرْأَةِ وَالْمَسْكَنِ " . يَعْنِي الشُّؤْمَ .
রেওয়ায়ত ২১. সহল ইবনে সা'দ সায়েদী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি অশুভ (নহুসত) বলিতে কিছু হইত, তবে ঘোড়া, স্ত্রীলোক ও ঘর (এই তিন বস্তু)-এ হইতে ।
হাদিস 1784 — Muwatta Malik 54:22
Shadh
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حَمْزَةَ، وَسَالِمٍ، ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشُّؤْمُ فِي الدَّارِ وَالْمَرْأَةِ وَالْفَرَسِ " .
রেওয়ায়ত ২২. আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন যে ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়া (অর্থাৎ এই তিন বস্তুতে) অশুভ বিষয় আছে।
হাদিস 1785 — Muwatta Malik 54:23
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ دَارٌ سَكَنَّاهَا وَالْعَدَدُ كَثِيرٌ وَالْمَالُ وَافِرٌ فَقَلَّ الْعَدَدُ وَذَهَبَ الْمَالُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " دَعُوهَا ذَمِيمَةً " .
রেওয়ায়ত ২৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট জনৈকা স্ত্রীলোক আসিয়া বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! একটি ঘরে আমরা বাস করিতেছিলাম। (পরিবারে) আমরা সংখ্যায় অধিক ছিলাম এবং মালও ছিল বিপুল। এখন জনসংখ্যা কমিয়া গিয়াছে (অর্থাৎ অনেকেই মারা গিয়াছে) এবং মালও নষ্ট হইয়া গিয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, সেই ঘরকে যখন তুমি খারাপ মনে করিতেছ, তখন উহা ছাড়িয়া দাও।
হাদিস 1786 — Muwatta Malik 54:24
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ قَالَ لِلَقْحَةٍ تُحْلَبُ " مَنْ يَحْلُبُ هَذِهِ " . فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا اسْمُكَ " . فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ مُرَّةُ . فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْلِسْ " . ثُمَّ قَالَ " مَنْ يَحْلُبُ هَذِهِ " . فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا اسْمُكَ " . فَقَالَ حَرْبٌ . فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْلِسْ " . ثُمَّ قَالَ " مَنْ يَحْلُبُ هَذِهِ " . فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا اسْمُكَ " . فَقَالَ يَعِيشُ . فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " احْلُبْ " .
রেওয়ায়ত ২৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দুধের উষ্ট্রীর দিকে ইশারা করিয়া বলিলেন, এই উষ্ট্রীর দুগ্ধ কে দোহন করিবে? অতঃপর এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হইলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলিল, মুররা। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি বস। (তিনি লোকটির নাম খারাপ মনে করিলেন। কারণ মুররা শব্দের অর্থ হইল তিক্ত)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, কে দুগ্ধ দোহন করিবে ? (অপর) এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হইল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি ? লোকটি বলিল, হারব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তুমি বস। আবার বলিলেন, এই উষ্ট্রীর দুগ্ধ কে দোহন করিবে? (আর) এক ব্যক্তি দাঁড়াইল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলিল, ইয়ায়ীশ । রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলয়হি ওয়া সাল্লাম বলিলেন, যাও, দুগ্ধ দোহন কর।
রেওয়ায়ত ২৫. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলিল, জমরা (ইহার অর্থ আগুনের কয়লা বা অঙ্গার)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমার পিতার নাম কি? লোকটি বলিল, শিহাব (অগ্নিশিখা)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি কোন গোত্রের? লোকটি বলিল, হারাক (জ্বলন্ত)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, কোথায় বাস কর? লোকটি বলিল, হাররাতুন্নারে (দোযখের গরমে)। আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, সেই স্থানটা কোথায়? লোকটি বলিল, যাতে লাযা (লাযা নামক দোযখে)। উমর (রাঃ) বলিলেন, যাও, গিয়া তোমার খবর লও; তাহারা সকলেই জ্বলিয়া গিয়াছে। লোকটি গিয়া দেখিল যে, সত্যই উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) যাহা বলিয়াছেন, তাহাই হইয়াছে (অর্থাৎ সকলেই জ্বলিয়া গিয়াছে)।
হাদিস 1788 — Muwatta Malik 54:26
সহিহ
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَجَمَهُ أَبُو طَيْبَةَ فَأَمَرَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَاعٍ مِنْ تَمْرٍ وَأَمَرَ أَهْلَهُ أَنْ يُخَفِّفُوا عَنْهُ مِنْ خَرَاجِهِ .
রেওয়ায়ত ২৬. আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু তায়েবার হাতে সিঙ্গা লাগাইয়াছিলেন এবং তাহাকে (আবু তায়েবাকে) পারিশ্রমিকস্বরূপ এক সা’ (আনুমানিক সাড়ে তিন সের) খেজুর দিবার জন্য বলিয়াছিলেন এবং তাহার মালিকদেরকে তাহার কর”[1] কম করার নির্দেশ দান করিলেন।
হাদিস 1789 — Muwatta Malik 54:27
দাঈফ
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنْ كَانَ دَوَاءٌ يَبْلُغُ الدَّاءَ فَإِنَّ الْحِجَامَةَ تَبْلُغُهُ " .
রেওয়ায়ত ২৭. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যদি কোন ঔষধ সত্যই রোগ নিবারণে সক্ষম হইত, তবে নিশ্চয়ই উহা হইত সিঙ্গা।
হাদিস 1790 — Muwatta Malik 54:28
সহিহ Lighairihi
وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ مُحَيِّصَةَ الأَنْصَارِيِّ، أَحَدِ بَنِي حَارِثَةَ أَنَّهُ اسْتَأْذَنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي إِجَارَةِ الْحَجَّامِ فَنَهَاهُ عَنْهَا فَلَمْ يَزَلْ يَسْأَلُهُ وَيَسْتَأْذِنُهُ حَتَّى قَالَ " اعْلِفْهُ نُضَّاحَكَ " . يَعْنِي رَقِيقَكَ .
রেওয়ায়ত ২৮. ইবন মুহাইয়েসা আনসারী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন, হাজ্জামের (যে সিঙ্গা লাগানোর কাজ করে তাহার) পারিশ্রমিক নিজের খরচের জন্য ব্যবহার করা কি রকম? (উদ্দেশ্য এই ছিল যে, তাহার গোলাম আবু তায়েবা এই কাজ করিত। ইবনে মুহাইয়েসা তাহার গোলামের এই কাজের পারিশ্রমিক নিজের খরচে ব্যবহার করিতে চাহিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট এই প্রশ্ন করিয়াছিলেন)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহা নিষেধ করিলেন। ইবন মুহাইয়েসা সর্বদা ইহা জিজ্ঞাসা করিতেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তাহার (আবু তায়েবার) আয় তুমি তোমার উটের ও গোলাম-দাসীর খোরাকে খরচ কর।
রেওয়ায়ত ৩০. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) ইরাক গমন করিতে ইচ্ছা করিলেন। অতঃপর কা’ব আহবার তাহাকে বলিলেন, ইয়া আমীরুল মু'মিনীন! আপনি সেই দিকে গমন করিবেন না। কারণ সেই দেশে নয়-দশমাংশ যাদু আছে, সেখানে দুষ্ট প্রকৃতির জ্বিন আছে এবং সেখানে এক প্রকারের (মারাত্মক) রোগ আছে যাহার কোন চিকিৎসা (ঔষধ) নাই।