Qurani·قرآني
বাংলা

হজ্জ

253 হাদিস · #705–957

হাদিস 815 — Muwatta Malik 20:111
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ يَسْتَلِمُ الأَرْكَانَ كُلَّهَا وَكَانَ لاَ يَدَعُ الْيَمَانِيَ إِلاَّ أَنْ يُغْلَبَ عَلَيْهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহার পিতা উরওয়া বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করার সময় সকল রুকনই ছুইতেন। বিশেষত একান্ত বাধ্য না হইলে রুকনে ইয়ামানীর ইস্তিলাম পরিত্যাগ করিতেন না।
হাদিস 816 — Muwatta Malik 20:112
Mauquf Sahih Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ لِلرُّكْنِ الأَسْوَدِ إِنَّمَا أَنْتَ حَجَرٌ وَلَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَبَّلَكَ مَا قَبَّلْتُكَ ثُمَّ قَبَّلَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) হাজরে আসওয়াদকে লক্ষ করিয়া বলিতেনঃ তুমি শুধু একখানা পাথর, লাভ-লোকসানের কোন ক্ষমতা তোমার নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যদি তোমাকে চুমা দিতে না দেখিতাম তবে আমিও তোমাকে চুমা দিতাম না। অতঃপর তিনি হাজরে আসওয়াদ চুমা দিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কতিপয় আলিমকে বলিতে শুনিয়াছি, রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম করিয়া হাত দ্বারা মুখ স্পর্শ করা মুস্তাহাব, সরাসরি উহাকে চুমা দিবে না।
হাদিস 817 — Muwatta Malik 20:113
Maqtu Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ لاَ يَجْمَعُ بَيْنَ السُّبْعَيْنِ لاَ يُصَلِّي بَيْنَهُمَا وَلَكِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ كُلِّ سُبْعٍ رَكْعَتَيْنِ فَرُبَّمَا صَلَّى عِنْدَ الْمَقَامِ أَوْ عِنْدَ غَيْرِهِ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنِ الطَّوَافِ إِنْ كَانَ أَخَفَّ عَلَى الرَّجُلِ أَنْ يَتَطَوَّعَ بِهِ فَيَقْرُنَ بَيْنَ الأُسْبُوعَيْنِ أَوْ أَكْثَرَ ثُمَّ يَرْكَعُ مَا عَلَيْهِ مِنْ رُكُوعِ تِلْكَ السُّبُوعِ قَالَ لاَ يَنْبَغِي ذَلِكَ وَإِنَّمَا السُّنَّةُ أَنْ يُتْبِعَ كُلَّ سُبْعٍ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ فِي الطَّوَافِ فَيَسْهُو حَتَّى يَطُوفَ ثَمَانِيَةَ أَوْ تِسْعَةَ أَطْوَافٍ قَالَ يَقْطَعُ إِذَا عَلِمَ أَنَّهُ قَدْ زَادَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَلاَ يَعْتَدُّ بِالَّذِي كَانَ زَادَ وَلاَ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَبْنِيَ عَلَى التِّسْعَةِ حَتَّى يُصَلِّيَ سُبْعَيْنِ جَمِيعًا لأَنَّ السُّنَّةَ فِي الطَّوَافِ أَنْ يُتْبِعَ كُلَّ سُبْعٍ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ شَكَّ فِي طَوَافِهِ بَعْدَ مَا يَرْكَعُ رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ فَلْيَعُدْ فَلْيُتَمِّمْ طَوَافَهُ عَلَى الْيَقِينِ ثُمَّ لِيُعِدِ الرَّكْعَتَيْنِ لأَنَّهُ لاَ صَلاَةَ لِطَوَافٍ إِلاَّ بَعْدَ إِكْمَالِ السُّبْعِ ‏.‏ وَمَنْ أَصَابَهُ شَىْءٌ بِنَقْضِ وُضُوئِهِ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَوْ يَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ أَوْ بَيْنَ ذَلِكَ فَإِنَّهُ مَنْ أَصَابَهُ ذَلِكَ وَقَدْ طَافَ بَعْضَ الطَّوَافِ أَوْ كُلَّهُ وَلَمْ يَرْكَعْ رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ فَإِنَّهُ يَتَوَضَّأُ وَيَسْتَأْنِفُ الطَّوَافَ وَالرَّكْعَتَيْنِ وَأَمَّا السَّعْىُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَإِنَّهُ لاَ يَقْطَعُ ذَلِكَ عَلَيْهِ مَا أَصَابَهُ مِنِ انْتِقَاضِ وُضُوئِهِ وَلاَ يَدْخُلُ السَّعْىَ إِلاَّ وَهُوَ طَاهِرٌ بِوُضُوءٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১১৯. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি দুই সাবআর মাঝখানে নামায না পড়িয়া উভয়কে একত্র করিতেন না, বরং তিনি প্রত্যেক সাবআর পর দুই রাকাআত নামায পড়িতেন মাকামে ইবরাহীমের নিকট, আর কখনও পড়িতেন অন্যত্র।[1] মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ কেউ যদি কয়েক সাব্‌আর পর একত্রে সবগুলির নামায আদায় করে তবে তাহা জায়েয হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ জায়েয হইবে না। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাকাআত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ভুল করিয়া যদি কেউ আট বা নয় চক্কর (তাওয়াফ) দিয়া ফেলে তবে যখনই মনে পড়িবে তাওয়াফ ছাড়িয়া দিবে এবং দুই রাকাআত নামায আদায় করিয়া নিবে। অতিরিক্ত তাওয়াফগুলি ধর্তব্যের বলিয়া মনে করিবে না এবং দুই সাবআ সমাধা করিয়া পরে একত্রে নামায আদায় করা সঙ্গত নহে। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাকাআত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ করিয়া দুই রাকাআত নামায আদায় করার পর সাত তাওয়াফ (চক্কর) পুরা হয় নাই বলিয়া যদি কাহারও মনে সন্দেহ হয় তবে তাহাকে ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস)-এর উপর ভিত্তি করিয়া তাওয়াফ পুরা করিয়া আবার দুই রাকাআত নামায আদায় করিতে হইবে। কারণ সাত চক্কর পূর্ণ করার পরই তাওয়াফের নামায পড়িতে হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ বা সায়ী করার সময় যদি কাহারও ওযু নষ্ট হইয়া যায়, তবে ওযু করিয়া পুনরায় নূতন করিয়া তাওয়াফ করিবে এবং সায়ীর যে কয় চক্কর অবশিষ্ট ছিল তাহা পুরা করিবে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ ওযু নষ্ট হওয়ার দরুন সায়ী বাতিল হয় না। তবে সায়ী শুরু করার সময় ওযু করিতে হয়।
হাদিস 818 — Muwatta Malik 20:114
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ الْقَارِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، طَافَ بِالْبَيْتِ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ فَلَمَّا قَضَى عُمَرُ طَوَافَهُ نَظَرَ فَلَمْ يَرَ الشَّمْسَ طَلَعَتْ فَرَكِبَ حَتَّى أَنَاخَ بِذِي طُوًى فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২০. আবদুর রহমান ইবন আবদ আল-করিয়্যে[1] (রহঃ) ফজরের নামাযের পর উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বায়তুল্লাহর তওয়াফ করেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন তাওয়াফ শেষ করেন তখনও সূর্যোদয় হয় নাই। তিনি উটে আরোহণ করিয়া বাহিরে গেলেন এবং মী-তুয়া নামক স্থানে পৌছিয়া উট হইতে অবতরণ করিয়া দুই রাকাআত নামায আদায় করেন।
হাদিস 819 — Muwatta Malik 20:115
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ يَطُوفُ بَعْدَ صَلاَةِ الْعَصْرِ ثُمَّ يَدْخُلُ حُجْرَتَهُ فَلاَ أَدْرِي مَا يَصْنَعُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২১. আবুয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে আসরের পর তাওয়াফ করিতে দেখিতে পাইলাম। তাওয়াফের পর হুজরায় চলিয়া গেলেন। জানি না সেখানে তিনি কি করিয়াছিলেন।
হাদিস 820 — Muwatta Malik 20:116
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، أَنَّهُ قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ الْبَيْتَ يَخْلُو بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ وَبَعْدَ صَلاَةِ الْعَصْرِ مَا يَطُوفُ بِهِ أَحَدٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ طَافَ بِالْبَيْتِ بَعْضَ أُسْبُوعِهِ ثُمَّ أُقِيمَتْ صَلاَةُ الصُّبْحِ أَوْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَإِنَّهُ يُصَلِّي مَعَ الإِمَامِ ثُمَّ يَبْنِي عَلَى مَا طَافَ حَتَّى يُكْمِلَ سُبْعًا ثُمَّ لاَ يُصَلِّي حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ أَوْ تَغْرُبَ ‏.‏ قَالَ وَإِنْ أَخَّرَهُمَا حَتَّى يُصَلِّيَ الْمَغْرِبَ فَلاَ بَأْسَ بِذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ بَأْسَ أَنْ يَطُوفَ الرَّجُلُ طَوَافًا وَاحِدًا بَعْدَ الصُّبْحِ وَبَعْدَ الْعَصْرِ لاَ يَزِيدُ عَلَى سُبْعٍ وَاحِدٍ وَيُؤَخِّرُ الرَّكْعَتَيْنِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ كَمَا صَنَعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَيُؤَخِّرُهُمَا بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ صَلاَّهُمَا إِنْ شَاءَ وَإِنْ شَاءَ أَخَّرَهُمَا حَتَّى يُصَلِّيَ الْمَغْرِبَ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২২. আবুয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বর্ণনা করেন, আমি দেখিয়াছি আসর ও ফজরের পর বায়তুল্লাহ খালি হইয়া পড়িত। ঐ সময় কোন তাওয়াফকারী থাকিত না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ শুরু করার পর ফজর বা আসরের জামাতের তাকবীর শুরু হইলে ইহা ত্যাগ করিয়া ইমামের সহিত নামাযে শামিল হওয়া উচিত। নামায পড়ার পর অবশিষ্ট তাওয়াফ পুরা করিবে। কিন্তু তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায ফজরের সময় সূর্যোদয় এবং আসরের সময় সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত পড়িবে না। মাগরিবের পর যদি উহা পড়ে তবে উহাতেও কোন দোষ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সাত চক্করের উপর বৃদ্ধি না করিয়া যদি কোন ব্যক্তি ফজর ও আসরের পর তাওয়াফ করে এবং তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায সূর্যোদয়ের পর পড়িয়া নেয়, যেরূপ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) করিয়াছিলেন, ইহাতে কোন দোষ নাই। আর যদি আসরের পর তাওয়াফ করিয়া থাকে তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে তাওয়াফের নামায পড়িবে না। সূর্যাস্তের পর ইচ্ছা করিলে তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায পড়িয়া লইবে অথবা ইচ্ছা করিলে মাগরিবের নামায সমাপ্ত করার পর পড়িবে, ইহাতে কোন ক্ষতি নাই।
হাদিস 821 — Muwatta Malik 20:117
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ لاَ يَصْدُرَنَّ أَحَدٌ مِنَ الْحَاجِّ حَتَّى يَطُوفَ بِالْبَيْتِ فَإِنَّ آخِرَ النُّسُكِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي قَوْلِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَإِنَّ آخِرَ النُّسُكِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ إِنَّ ذَلِكَ - فِيمَا نُرَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ - لِقَوْلِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ‏}‏ وَقَالَ ‏{‏ثُمَّ مَحِلُّهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ‏}‏ فَمَحِلُّ الشَّعَائِرِ كُلِّهَا وَانْقِضَاؤُهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২৩. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করিয়া হাজীগণের কেউ যেন মক্কা হইতে না ফিরে। কারণ হজ্জের শেষ আমল হইল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ।[1] মালিক (রহঃ) বলেনঃ ‘শেষ আমল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর এই উক্তির অর্থ হইল, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ ‏وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ‏ যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মর্যাদা দিবে উহা তাহার আল্লাহভীতি হইতেই উৎসারিত। এ সবকিছুরই সম্পর্ক বায়তুল্লাহর সঙ্গে। সুতরাং হজ্জের সমস্ত রুকন ও আমল বায়তুল্লাহতে যাইয়াই শেষ হয়।
হাদিস 822 — Muwatta Malik 20:118
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، ‏.‏ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، رَدَّ رَجُلاً مِنْ مَرِّ الظَّهْرَانِ لَمْ يَكُنْ وَدَّعَ الْبَيْتَ حَتَّى وَدَّعَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা হইতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হইতে ফিরাইয়া দিয়াছিলেন। কারণ সে তাওয়াফুল বিদা করিয়া আসে নাই।
হাদিস 823 — Muwatta Malik 20:119
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ أَفَاضَ فَقَدْ قَضَى اللَّهُ حَجَّهُ فَإِنَّهُ إِنْ لَمْ يَكُنْ حَبَسَهُ شَىْءٌ فَهُوَ حَقِيقٌ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَإِنْ حَبَسَهُ شَىْءٌ أَوْ عَرَضَ لَهُ فَقَدْ قَضَى اللَّهُ حَجَّهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلَوْ أَنَّ رَجُلاً جَهِلَ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ حَتَّى صَدَرَ لَمْ أَرَ عَلَيْهِ شَيْئًا إِلاَّ أَنْ يَكُونَ قَرِيبًا فَيَرْجِعَ فَيَطُوفَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ يَنْصَرِفَ إِذَا كَانَ قَدْ أَفَاضَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১২৫. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ তাওয়াফে ইফাযা (তাওয়াফে যিয়ারত) যে ব্যক্তি করিতে পারিয়াছে আল্লাহ তাহার হজ্জ পুরা করিয়া দিয়াছেন। পরে বিশেষ অসুবিধা দেখা না দিলে সে যেন তাওয়াফুল-বিদা'ও করিয়া নেয়। যদি কোন অসুবিধা দেখা দেয় এবং এই কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করিতে না পারে তবে তাওয়াফে ইফাযা আদায় করায় হজ্জ তাহার পুরা হইয়া গিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফে যিয়ারত করার পর তাওয়াফুল বিদা জানা না থাকার দরুন যদি কেউ উহা না করিয়া মক্কা হইতে চলিয়া আসে তবে আর তাহার জন্য ফিরিয়া যাওয়া জরুরী নহে। তবে মক্কার নিকটবর্তী স্থানে থাকিলে পুনরায় গিয়া বিদায়ী-তাওয়াফ করিয়া নেওয়া উচিত।
হাদিস 824 — Muwatta Malik 20:120
Maqtu Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ شَكَوْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنِّي أَشْتَكِي فَقَالَ ‏"‏ طُوفِي مِنْ وَرَاءِ النَّاسِ وَأَنْتِ رَاكِبَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَطُفْتُ رَاكِبَةً بَعِيرِي وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَئِذٍ يُصَلِّي إِلَى جَانِبِ الْبَيْتِ وَهُوَ يَقْرَأُ بِـ ‏{‏الطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ ‏}‏‏.‏
রেওয়ায়ত ১২৬. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমার অসুস্থতার কথা জানাইলে তিনি বলিলেনঃ পুরুষদের পিছনে থাকিয়া কোন বাহনে আরোহণ করিয়া তোমার তাওয়াফ আদায় করিয়া নাও। উম্মে সালমা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাওয়াফ করিলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন কা'বার এক কোণায় নামাযে দাঁড়াইয়া সূরা তুর পড়িতেছিলেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।