Qurani·قرآني
বাংলা

হজ্জ

253 হাদিস · #705–957

হাদিস 745 — Muwatta Malik 20:41
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الثَّقَفِيِّ، أَنَّهُ سَأَلَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ - وَهُمَا غَادِيَانِ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ - كَيْفَ كُنْتُمْ تَصْنَعُونَ فِي هَذَا الْيَوْمِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ يُهِلُّ الْمُهِلُّ مِنَّا فَلاَ يُنْكَرُ عَلَيْهِ وَيُكَبِّرُ الْمُكَبِّرُ فَلاَ يُنْكَرُ عَلَيْهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৫. মুহাম্মদ ইবন আবু বকর সাকাফী (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে মিনা হইতে আরাফাত ময়দানের দিকে যাইতেছিলেন, তখন তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলিলেনঃ আজকের দিনে আপনারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহিত কি ধরনের আমল করিতেন? আনাস (রাঃ) বলিলেনঃ কেহ কেহ উচ্চস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলতেন, কেউ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলিতে থাকিতেন। অথচ কেহ কাহাকেও নিষেধ করিতেন না।
হাদিস 746 — Muwatta Malik 20:42
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، كَانَ يُلَبِّي فِي الْحَجِّ حَتَّى إِذَا زَاغَتِ الشَّمْسُ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ قَطَعَ التَّلْبِيَةَ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ الأَمْرُ الَّذِي لَمْ يَزَلْ عَلَيْهِ أَهْلُ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৬. জাফর ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) হজ্জের সময় উচ্চস্বরে লাব্বায়কা বলিতে থাকিতেন। তবে আরাফাতের দিন সূর্য যখন হেলিয়া পড়িত তখন লাব্বায়কা বলা মওকুফ করিয়া দিতেন।
হাদিস 747 — Muwatta Malik 20:43
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا كَانَتْ تَتْرُكُ التَّلْبِيَةَ إِذَا رَجَعَتْ إِلَى الْمَوْقِفِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্নী আয়েশা (রাঃ) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করিতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করিয়া দিতেন।
হাদিস 748 — Muwatta Malik 20:44
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقْطَعُ التَّلْبِيَةَ فِي الْحَجِّ إِذَا انْتَهَى إِلَى الْحَرَمِ حَتَّى يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يُلَبِّي حَتَّى يَغْدُوَ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ فَإِذَا غَدَا تَرَكَ التَّلْبِيَةَ وَكَانَ يَتْرُكُ التَّلْبِيَةَ فِي الْعُمْرَةِ إِذَا دَخَلَ الْحَرَمَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হারম শরীফে তাওয়াফ ও সায়ী করিয়া ‘লাব্বায়কা’ মওকুফ করিয়া দিতেন। পরে আবার লাব্বায়কা বলা শুরু করতেন এবং মিনা হইতে সকালে আরাফাত যাত্রার সময় পর্যন্ত উহা পাঠ করিতেন। আরাফাতে যাত্রার সময় তিনি তাহা পুনরায় বন্ধ করিতেন। উমরার বেলায় হারম শরীফে প্রবেশ করিয়াই ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করিয়া দিতেন।
হাদিস 749 — Muwatta Malik 20:45
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ لاَ يُلَبِّي وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৯. ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না।
হাদিস 750 — Muwatta Malik 20:46
Mauquf Hasan
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَنْزِلُ مِنْ عَرَفَةَ بِنَمِرَةَ ثُمَّ تَحَوَّلَتْ إِلَى الأَرَاكِ ‏.‏ قَالَتْ وَكَانَتْ عَائِشَةُ تُهِلُّ مَا كَانَتْ فِي مَنْزِلِهَا وَمَنْ كَانَ مَعَهَا فَإِذَا رَكِبَتْ فَتَوَجَّهَتْ إِلَى الْمَوْقِفِ تَرَكَتِ الإِهْلاَلَ ‏.‏ قَالَتْ وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَعْتَمِرُ بَعْدَ الْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ فِي ذِي الْحِجَّةِ ثُمَّ تَرَكَتْ ذَلِكَ فَكَانَتْ تَخْرُجُ قَبْلَ هِلاَلِ الْمُحَرَّمِ حَتَّى تَأْتِيَ الْجُحْفَةَ فَتُقِيمَ بِهَا حَتَّى تَرَى الْهِلاَلَ فَإِذَا رَأَتِ الْهِلاَلَ أَهَلَّتْ بِعُمْرَةٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫০. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি আরাফাত ময়দানে প্রথমে ‘নামিরা’ নামক স্থানে অবস্থান করিতেন, পরে আরাক’ নামক স্থানে অবস্থান করা শুরু করেন। আয়েশা (রাঃ) যতক্ষণ মনযিলে অবস্থান করিতেন ততক্ষণ তিনি ও তাহার সঙ্গীগণ ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করিতে থাকিতেন। যখন আরাফাতের দিকে যাত্রার জন্য সওয়ার হইতেন তখন উহা বন্ধ করিয়া দিতেন। আয়েশা (রাঃ) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হইতে ইহরাম বাঁধিয়া উমরা করিতেন, পরে উহা ত্যাগ করিয়া মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা আসিয়া অবস্থান করিতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠিলে উমরার ইহরাম বাঁধিতেন।
হাদিস 751 — Muwatta Malik 20:47
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، غَدَا يَوْمَ عَرَفَةَ مِنْ مِنًى فَسَمِعَ التَّكْبِيرَ عَالِيًا فَبَعَثَ الْحَرَسَ يَصِيحُونَ فِي النَّاسِ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهَا التَّلْبِيَةُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫১. ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ মিনা হইতে সকালে আরাফাত ময়দানের দিকে যাত্রা করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আওয়াজ শুনিতে পাইলেন। তখন তিনি কতিপয় সিপাহীকে এই কথা ঘোষণা করিতে নির্দেশ দিলেন যে, এখনই ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করার সময়।
হাদিস 752 — Muwatta Malik 20:48
Mauquf Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ يَا أَهْلَ مَكَّةَ مَا شَأْنُ النَّاسِ يَأْتُونَ شُعْثًا وَأَنْتُمْ مُدَّهِنُونَ أَهِلُّوا إِذَا رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫২. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলিয়াছিলেনঃ হে মক্কাবাসী! অন্যান্য মানুষ এই সময় উস্কখুস্ক চুল ও অপরিপাটি অবস্থায় এইখানে আগমন করে, আর তোমরা চুলে তেল মর্দন করিয়া পরিপাটি হইয়া থাক। যিলহজ্জের চাঁদ উঠিলে তোমরাও ইহরাম বাঁধিয়া নিও।
হাদিস 753 — Muwatta Malik 20:49
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، أَقَامَ بِمَكَّةَ تِسْعَ سِنِينَ يُهِلُّ بِالْحَجِّ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ وَعُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ مَعَهُ يَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا يُهِلُّ أَهْلُ مَكَّةَ وَغَيْرُهُمْ بِالْحَجِّ إِذَا كَانُوا بِهَا وَمَنْ كَانَ مُقِيمًا بِمَكَّةَ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهَا مِنْ جَوْفِ مَكَّةَ لاَ يَخْرُجُ مِنَ الْحَرَمِ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ أَهَلَّ مِنْ مَكَّةَ بِالْحَجِّ فَلْيُؤَخِّرِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَالسَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يَرْجِعَ مِنْ مِنًى وَكَذَلِكَ صَنَعَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَمَّنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَوْ غَيْرِهِمْ مِنْ مَكَّةَ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ كَيْفَ يَصْنَعُ بِالطَّوَافِ قَالَ أَمَّا الطَّوَافُ الْوَاجِبُ فَلْيُؤَخِّرْهُ وَهُوَ الَّذِي يَصِلُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ السَّعْىِ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلْيَطُفْ مَا بَدَا لَهُ وَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ كُلَّمَا طَافَ سُبْعًا وَقَدْ فَعَلَ ذَلِكَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الَّذِينَ أَهَلُّوا بِالْحَجِّ فَأَخَّرُوا الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَالسَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى رَجَعُوا مِنْ مِنًى وَفَعَلَ ذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَكَانَ يُهِلُّ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ بِالْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ وَيُؤَخِّرُ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَالسَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يَرْجِعَ مِنْ مِنًى ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ هَلْ يُهِلُّ مِنْ جَوْفِ مَكَّةَ بِعُمْرَةٍ قَالَ بَلْ يَخْرُجُ إِلَى الْحِلِّ فَيُحْرِمُ مِنْهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেনঃ আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ) নয় বৎসর মক্কায় ছিলেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলেই তিনি ইহরাম বাঁধিয়া নিতেন। উরওয়াহও তদ্রুপ করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানরত অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাগণ হারম শরীফ হইতেই ইহরাম বাঁধিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মক্কা হইতে যাহারা ইহরাম বাঁধিবে তাহারা মিনা হইতে ঘুরিয়া না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করিবে না। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-ও তদ্রুপ করিয়াছিলেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইল- মদীনাবাসী এবং মক্কার বাহিরের কোন লোক যদি মক্কায় অবস্থান কালে মক্কা হইতে যিলহজ্জ মাসে ইহরাম বাঁধে তবে তাওয়াফে যিয়ারত সম্পর্কে কি করিবে? তিনি বলিলেনঃ তাওয়াফে ইফাযা বা তাওয়াফে যিয়ারত তখন করিবে না। নফল তাওয়াফ যত ইচ্ছা তত করিতে পারে। তবে প্রতি তাওয়াফের পর দুই রাকাআত নামায পড়িয়া নিবে। যে সকল সাহাবী মক্কা হইতে ইহরাম বাধিয়াছিলেন তাহারাও তদ্রুপ করিয়াছিলেন। তাহারা মিনা হইতে ফিরিয়া না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সায়ী করেন নাই। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-ও তাহাই করিতেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর তিনি মক্কা হইতে ইহরাম বাঁধিতেন এবং মিনা হইতে ঘুরিয়া না আসা পর্যন্ত তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করিতেন না। মালিক (রহঃ)-কে মক্কারাসী কোন ব্যক্তি উমরার জন্য ইহরাম কোথা হইতে বাঁধিবে তাহা জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বলেনঃ হারম শরীফ হইতে উমরার ইহরাম বাঁধা মক্কাবাসীদের জন্য জায়েয নহে। তাহার হারমের বাহির হইতে ইহরাম বাঁধিয়া আসিবে।
হাদিস 754 — Muwatta Malik 20:50
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّ زِيَادَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ كَتَبَ إِلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النِّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ قَالَ مَنْ أَهْدَى هَدْيًا حَرُمَ عَلَيْهِ مَا يَحْرُمُ عَلَى الْحَاجِّ حَتَّى يُنْحَرَ الْهَدْىُ وَقَدْ بَعَثْتُ بِهَدْىٍ فَاكْتُبِي إِلَىَّ بِأَمْرِكِ أَوْ مُرِي صَاحِبَ الْهَدْىِ ‏.‏ قَالَتْ عَمْرَةُ قَالَتْ عَائِشَةُ لَيْسَ كَمَا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَا فَتَلْتُ قَلاَئِدَ هَدْىِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدَىَّ ثُمَّ قَلَّدَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ ثُمَّ بَعَثَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَ أَبِي فَلَمْ يَحْرُمْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَىْءٌ أَحَلَّهُ اللَّهُ لَهُ حَتَّى نُحِرَ الْهَدْىُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৪. আমরা বিনত আবদুর রহমান (রহঃ) বর্ণনা করেন- যিয়াদ ইবন আবু সুফইয়ান নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট চিঠি লিখিলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যবেহ না হওয়া পর্যন্ত কুরবানীর উদ্দেশ্যে মক্কায় পশু প্রেরণকারীর উপর ইহরাম পালনরত ব্যক্তির মত সকল জিনিস হারাম হইয়া যায়। আমি আপনার নিকট পশু[1] প্রেরণ করিলাম। আশা করি, উক্ত পশুর সহিত প্রেরিত ব্যক্তির নিকট অথবা পত্ৰযোগে আমাকে উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ফতওয়া জানাইবেন। আমরা বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ ইবন আব্বাস (রাঃ) যাহা বলিয়াছেন তাহা ঠিক নহে। আমি নিজের হাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক প্রেরিত পশুর রশি পাকাইয়াছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে তাহা উহার গলায় পরাইয়া আমার পিতার সহিত উহা মক্কায় প্রেরণ করিয়াছিলেন। অথচ উক্ত পশুটি যবেহ হওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যেও কোন হালাল জিনিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য হারাম হয় নাই।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।