Qurani·قرآني
বাংলা

বিবাহ

59 হাদিস · #1091–1149

হাদিস 1091 — Muwatta Malik 28:1
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَخْطُبُ أَحَدُكُمْ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১. আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করিয়াছেন, কেউ যেন তাহার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়।
হাদিস 1092 — Muwatta Malik 28:2
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَخْطُبُ أَحَدُكُمْ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, কেউ যেন তাহার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের মতে (আল্লাহ সর্বজ্ঞ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের বাণী, “কেউ যেন তাহার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়।” ইহার ব্যাখ্যা এই— যদি কোন পুরুষ কোন মহিলাকে বিবাহের প্রস্তাব দেয়, মহিলাটি তার প্রস্তাবের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং উভয়ে একটি নির্দিষ্ট মোহরের উপর ঐকমত্যে পৌছে। উভয়ে এই ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার উপর রাযী হইয়াছে এবং উক্ত মহিলা তাহাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তাবকারীর উপর শর্ত করিয়াছে। এমতাবস্থায় পুরুষের পক্ষে তাহার ভাইয়ের এই প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেওয়া নিষেধ। এক ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহের প্রস্তাব দিল। কিন্তু উক্ত মহিলা তাহার এই প্রস্তাবের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করে নাই এবং তাহার দিকে আকৃষ্টও হয় নাই। এরূপ মহিলার বিবাহের জন্য কেউ প্রস্তাব দিবে না। এই হাদীসের অর্থ ইহা নহে। কারণ ইহাতে লোকের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টির দরজা উন্মুক্ত হইবে।
হাদিস 1093 — Muwatta Malik 28:3
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي قَوْلِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏وَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا عَرَّضْتُمْ بِهِ مِنْ خِطْبَةِ النِّسَاءِ أَوْ أَكْنَنْتُمْ فِي أَنْفُسِكُمْ عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُمْ سَتَذْكُرُونَهُنَّ وَلَكِنْ لاَ تُوَاعِدُوهُنَّ سِرًّا إِلاَّ أَنْ تَقُولُوا قَوْلاً مَعْرُوفًا‏}‏ أَنْ يَقُولَ الرَّجُلُ لِلْمَرْأَةِ وَهِيَ فِي عِدَّتِهَا مِنْ وَفَاةِ زَوْجِهَا إِنَّكِ عَلَىَّ لَكَرِيمَةٌ وَإِنِّي فِيكِ لَرَاغِبٌ وَإِنَّ اللَّهَ لَسَائِقٌ إِلَيْكِ خَيْرًا وَرِزْقًا وَنَحْوَ هَذَا مِنَ الْقَوْلِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩. “স্ত্রীলোকদের নিকট তোমরা ইঙ্গিতে বিবাহ প্রস্তাব করিলে অথবা তোমাদের অন্তরে গোপন রাখিলে তোমাদের কোন পাপ নাই।” আল্লাহ জানেন যে, তোমরা তাহাদের সম্বন্ধে আলোচনা করিবে; কিন্তু বিধিমত কথাবার্তা ব্যতীত গোপনে তাহাদের নিকট কোন অঙ্গীকার করিও না। (বাকারাঃ ২৩৫) আবদুর রহমান ইবন কাসেম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিতেন, “আল্লাহ্ তা'আলার এই বাণীর ব্যাখ্যা এই — কোন পুরুষ কর্তৃক কোন মহিলাকে তার স্বামীর ওফাতের ইদ্দত পালনের সময়ে এইরূপ বলা – “তুমি আমার নিকট সম্মানিত,” “আমি তোমাকে পছন্দ করি” “আল্লাহ তা'আলা নিশ্চয়ই তোমার জন্য মঙ্গল ও জীবিকা প্রেরণ করিবেন।” আরও এই জাতীয় উক্তি।
হাদিস 1094 — Muwatta Malik 28:4
সহিহ
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا وَالْبِكْرُ تُسْتَأْذَنُ فِي نَفْسِهَا وَإِذْنُهَا صُمَاتُهَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করিয়াছেনঃ আইয়্যেম[1] তাহার ব্যাপারে অভিভাবকের তুলনায় অধিক হকদার এবং কুমারীর বিবাহের ব্যাপারে তাহার অনুমতি লইতে হইবে। চুপ থাকাই হইতেছে তাহার অনুমতি।
হাদিস 1095 — Muwatta Malik 28:5
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لاَ تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ إِلاَّ بِإِذْنِ وَلِيِّهَا أَوْ ذِي الرَّأْىِ مِنْ أَهْلِهَا أَوِ السُّلْطَانِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিয়াছেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ অভিভাবক বা উক্ত পরিবারের বুদ্ধিমান ব্যক্তি অথবা রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতি ব্যতীত কোন মহিলাকে যেন বিবাহ দেওয়া না হয় না।
হাদিস 1096 — Muwatta Malik 28:6
Maqtu Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، كَانَا يُنْكِحَانِ بَنَاتِهِمَا الأَبْكَارَ وَلاَ يَسْتَأْمِرَانِهِنَّ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ الأَمْرُ عِنْدَنَا فِي نِكَاحِ الأَبْكَارِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلَيْسَ لِلْبِكْرِ جَوَازٌ فِي مَالِهَا حَتَّى تَدْخُلَ بَيْتَهَا وَيُعْرَفَ مِنْ حَالِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, কাসেম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ও সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) তাহারা উভয়ে নিজেদের কুমারী কন্যাদিগকে তাহাদের অনুমতি না লইয়া বিবাহ দিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কুমারীদের বিবাহের ব্যাপারে আমাদের নিকটও ইহা পছন্দনীয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্বামীর গৃহে না আসা (স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন না করা) এবং তাহার যোগ্যতার যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কুমারী মেয়ে তাহার সম্পদের উপর ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকারী হয় না।
হাদিস 1097 — Muwatta Malik 28:7
Maqtu Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، كَانُوا يَقُولُونَ فِي الْبِكْرِ يُزَوِّجُهَا أَبُوهَا بِغَيْرِ إِذْنِهَا إِنَّ ذَلِكَ لاَزِمٌ لَهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭. মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, কাসেম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) তাহারা সকলেই কুমারীর ব্যাপারে বলিতেন, তাহার পিতা তাহার অনুমতি না চাহিয়া তাহাকে বিবাহ দিলে সে বিবাহ প্রযোজ্য হইবে।
হাদিস 1098 — Muwatta Malik 28:8
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، ‏.‏ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ وَهَبْتُ نَفْسِي لَكَ فَقَامَتْ قِيَامًا طَوِيلاً فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ زَوِّجْنِيهَا إِنْ لَمْ تَكُنْ لَكَ بِهَا حَاجَةٌ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَلْ عِنْدَكَ مِنْ شَىْءٍ تُصْدِقُهَا إِيَّاهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ مَا عِنْدِي إِلاَّ إِزَارِي هَذَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنْ أَعْطَيْتَهَا إِيَّاهُ جَلَسْتَ لاَ إِزَارَ لَكَ فَالْتَمِسْ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ مَا أَجِدُ شَيْئًا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ الْتَمِسْ وَلَوْ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ ‏"‏ ‏.‏ فَالْتَمَسَ فَلَمْ يَجِدْ شَيْئًا ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَلْ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ شَىْءٌ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ نَعَمْ مَعِي سُورَةُ كَذَا وَسُورَةُ كَذَا ‏.‏ لِسُوَرٍ سَمَّاهَا ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قَدْ أَنْكَحْتُكَهَا بِمَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮. সাহল ইবন সা'দ সায়িদী (রাঃ) হইতে বর্ণিত—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট একজন মহিলা আসিয়া বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আমি আমার সত্তাকে আপনার জন্য হিবা (দান) করিলাম। ইহা বলার পর সে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করিল। অতঃপর এক ব্যক্তি দাঁড়াইয়া বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার প্রয়োজন না থাকিলে এই মহিলাকে আমার সঙ্গে বিবাহ দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলিলেন, এই মহিলাকে মোহরানা বাবদ দিবার মতো তোমার কিছু আছে কি? লোকটি বলিল, আমার নিকট আমার এই তাহবন্দ (পরিচ্ছদ-লুঙ্গি অথবা পায়জামা) ব্যতীত আর কিছু নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তোমার এই তাহবন্দ উহাকে প্রদান করিলে তোমার নিকট কোন পরিচ্ছদ থাকিবে না। তাই তুমি অন্য কিছু তালাশ কর। সে ব্যক্তি বলিল, আমি কিছু পাইব না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তুমি একটি লোহার আংটিও পাও কিনা দেখ। সে তালাশ করিল। কিন্তু কিছুই পাইল না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেন, কুরআনের কিছু অংশ তোমার জানা আছে কি? সে সূরার নাম উল্লেখ করিয়া বলিল, অমুক অমুক সূরা আমার কণ্ঠস্থ আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, কুরআন শরীফের যে কয়টি সূরা তোমার কণ্ঠস্থ আছে সেইগুলির বিনিময়ে (সম্মানে) এই মহিলাকে আমি তোমার নিকট বিবাহ দিলাম।
হাদিস 1099 — Muwatta Malik 28:9
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَيُّمَا رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَبِهَا جُنُونٌ أَوْ جُذَامٌ أَوْ بَرَصٌ فَمَسَّهَا فَلَهَا صَدَاقُهَا كَامِلاً وَذَلِكَ لِزَوْجِهَا غُرْمٌ عَلَى وَلِيِّهَا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا يَكُونُ ذَلِكَ غُرْمًا عَلَى وَلِيِّهَا لِزَوْجِهَا إِذَا كَانَ وَلِيُّهَا الَّذِي أَنْكَحَهَا هُوَ أَبُوهَا أَوْ أَخُوهَا أَوْ مَنْ يُرَى أَنَّهُ يَعْلَمُ ذَلِكَ مِنْهَا فَأَمَّا إِذَا كَانَ وَلِيُّهَا الَّذِي أَنْكَحَهَا ابْنَ عَمٍّ أَوْ مَوْلًى أَوْ مِنَ الْعَشِيرَةِ مِمَّنْ يُرَى أَنَّهُ لاَ يَعْلَمُ ذَلِكَ مِنْهَا فَلَيْسَ عَلَيْهِ غُرْمٌ وَتَرُدُّ تِلْكَ الْمَرْأَةُ مَا أَخَذَتْهُ مِنْ صَدَاقِهَا وَيَتْرُكُ لَهَا قَدْرَ مَا تُسْتَحَلُّ بِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৯. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত—উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি এমন কোন মহিলাকে বিবাহ করিল যেই মহিলার পাগলামি, কুষ্ঠ ও শ্বেত রোগ রহিয়াছে, উক্ত ব্যক্তি সেই মহিলার সাথে সহবাস করিলে সে মহিলা পূর্ণ মোহরানার হকদার হইবে এবং উক্ত মহিলার অভিভাবকের উপর সেই মোহরানার অর্থদণ্ড বর্তাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি উক্ত মহিলার অভিভাবক, যে তাহাকে বিবাহ দিয়াছে তাহার পিতা বা ভাই অথবা এমন কোন আত্মীয় হয়, যে মহিলার রোগের খবর জানে, তবে তাহার স্বামীকে মোহরানার অর্থ ফেরত দিতে হইবে। পক্ষান্তরে যদি উক্ত মহিলার অভিভাবক তাহার চাচাত ভাই অথবা তাহার আযাদকৃত গোলাম অথবা তাহার গোত্রের অন্য কোন লোক হয়, যাহার সম্পর্কে ধারণা করা যায় যে, সে তাহার রোগের খবর জানে না। তবে তাহার উপর অর্থদণ্ড বর্তাইবে না। উক্ত মহিলা মোহরানার নিম্নতম পরিমাণ অর্থ রাখিয়া মোহরানার অবশিষ্ট অংশ স্বামীকে ফেরত দিবে।
হাদিস 1100 — Muwatta Malik 28:10
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَةَ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، - وَأُمُّهَا بِنْتُ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ - كَانَتْ تَحْتَ ابْنٍ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَمَاتَ وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَلَمْ يُسَمِّ لَهَا صَدَاقًا فَابْتَغَتْ أُمُّهَا صَدَاقَهَا فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ لَيْسَ لَهَا صَدَاقٌ وَلَوْ كَانَ لَهَا صَدَاقٌ لَمْ نُمْسِكْهُ وَلَمْ نَظْلِمْهَا ‏.‏ فَأَبَتْ أُمُّهَا أَنْ تَقْبَلَ ذَلِكَ فَجَعَلُوا بَيْنَهُمْ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَقَضَى أَنْ لاَ صَدَاقَ لَهَا وَلَهَا الْمِيرَاثُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উবায়দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর কন্যা আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর পুত্রের স্ত্রী ছিলেন এবং তাহার মাতা ছিলেন যায়দ ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর কন্যা। তাহার সহিত তলব সহবাসের পূর্বে তাহার স্বামীর মৃত্যু হইল। অথচ তাহার মহর ধার্যকৃত ছিল না। স্বামীর মৃত্যুর পর তাহার মাতা মোহরানা দাবি করিলেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেন, তিনি মহর পাইবেন না। যদি তাহার পাওনা থাকিত, তবে আমরা অবশ্যই দিতাম এবং তাহার হক আদায় করিতে কোন প্রকার ক্রটি করিতাম না। কন্যার মাতা এই কথা মানিলেন না। যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) তাহাদের উভয়ের মীমাংসাকারী নিযুক্ত হইলেন। তিনি রায় দিলেন যে, কন্যা মোহরানা পাইবেন না। তিনি স্বামীর সম্পদে উত্তরাধিকারিণী হইবেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।