Qurani·قرآني
বাংলা

তাহারাত

114 হাদিস · #32–145

হাদিস 42 — Muwatta Malik 2:11
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ حُمَيْدَةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ فَرْوَةَ، عَنْ خَالَتِهَا، كَبْشَةَ بِنْتِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ - وَكَانَتْ تَحْتَ ابْنِ أَبِي قَتَادَةَ الأَنْصَارِيِّ - أَنَّهَا أَخْبَرَتْهَا أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ دَخَلَ عَلَيْهَا فَسَكَبَتْ لَهُ وَضُوءًا فَجَاءَتْ هِرَّةٌ لِتَشْرَبَ مِنْهُ فَأَصْغَى لَهَا الإِنَاءَ حَتَّى شَرِبَتْ قَالَتْ كَبْشَةُ فَرَآنِي أَنْظُرُ إِلَيْهِ فَقَالَ أَتَعْجَبِينَ يَا ابْنَةَ أَخِي قَالَتْ فَقُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّهَا لَيْسَتْ بِنَجَسٍ إِنَّمَا هِيَ مِنَ الطَّوَّافِينَ عَلَيْكُمْ أَوِ الطَّوَّافَاتِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৩. কাবসা বিনতে কা'ব ইবন মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবূ কাতাদা (রাঃ) তাহার নিকট আসিলেন। কাব্‌সা তাহার জন্য ওযুর পানি ঢালিতেছিলেন। এমন সময় একটি বিড়াল উহা হইতে পানি পান করার জন্য আসিল। আবূ কাতাদা পানির পাত্র ইহার জন্য কাত করিলেন, বিড়াল পানি পান করিল। কাবসা বলেনঃ তিনি আমাকে দেখিলেন আমি খুব বিস্ময়ের সহিত তাহার দিকে দেখিতেছি। তাই তিনি বলিলেনঃ হে ভাতিজী! তুমি কি আশ্চর্যবোধ করিতেছ? আমি (উত্তরে) বলিলামঃ হ্যাঁ। তারপর তিনি বলিলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ বিড়াল নাপাক নহে, উহা তোমাদের আশেপাশে যাহারা অধিক ঘোরাফেরা করে, তাহাদের অন্তর্ভুক্ত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ বিড়ালের মুখে নাজাসত (নাপাকী) না থাকিলে উহার মুখ (পাত্রে) দেওয়াতে কোন ক্ষতি নাই।
হাদিস 43 — Muwatta Malik 2:12
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، خَرَجَ فِي رَكْبٍ فِيهِمْ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ حَتَّى وَرَدُوا حَوْضًا فَقَالَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ لِصَاحِبِ الْحَوْضِ يَا صَاحِبَ الْحَوْضِ هَلْ تَرِدُ حَوْضَكَ السِّبَاعُ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَا صَاحِبَ الْحَوْضِ لاَ تُخْبِرْنَا فَإِنَّا نَرِدُ عَلَى السِّبَاعِ وَتَرِدُ عَلَيْنَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৪. ইয়াহইয়া ইবন আবদুর রহমান ইবন হাতিব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এক কাফেলার সহিত বাহির হইলেন। কাফেলায় আমর ইবন আস (রাঃ)-ও শরীক ছিলেন। তাহারা একটি জলাধারের নিকট অবতরণ করিলেন। জলাধারের মালিককে আমর ইবন আস বলিলেনঃ হে জলাধারের মালিক! আপনার জলাধারে চতুষ্পদ জন্তু অবতরণ করে কি? উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) জলাধারের মালিককে বলিলেনঃ আপনি (এই বিষয়ে) আমাদিগকে খবর দিবেন না। কারণ আমরা চতুষ্পদ জন্তুসমূহের নিকট বিচরণ করি এবং তাহারাও আমাদের কাছে বিচরণ করে।
হাদিস 44 — Muwatta Malik 2:13
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِنْ كَانَ الرِّجَالُ وَالنِّسَاءُ فِي زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيَتَوَضَّئُونَ جَمِيعًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৫. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে নারী-পুরুষ একত্রে ওযু করিতেন।
হাদিস 45 — Muwatta Malik 2:14
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أُمِّ وَلَدٍ، لإِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَنَّهَا سَأَلَتْ أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ إِنِّي امْرَأَةٌ أُطِيلُ ذَيْلِي وَأَمْشِي فِي الْمَكَانِ الْقَذِرِ قَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يُطَهِّرُهُ مَا بَعْدَهُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৬. ইবরাহীম ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রহঃ)-এর উম্মে-ওয়ালাদ (তাহার নাম হুমায়দা বলা হইয়াছে) হইতে বর্ণিত, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে-সালমা (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করিলেন, আমি একজন স্ত্রীলোক। আমি আমার কাপড়ের ঝুল লম্বা রাখি আর আমি কোন কোন সময় চলাফেরা করি আবর্জনাযুক্ত স্থান দিয়া। উম্মে সালমা (রাঃ) বলিলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করিয়াছেনঃ কাপড়ের ঝুলকে আবর্জনাযুক্ত রাস্তার পরবর্তী স্থান পবিত্র করিয়া দিবে।
হাদিস 46 — Muwatta Malik 2:15
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ رَأَى رَبِيعَةَ بْنَ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقْلِسُ مِرَارًا وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ فَلاَ يَنْصَرِفُ وَلاَ يَتَوَضَّأُ حَتَّى يُصَلِّيَ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنْ رَجُلٍ قَلَسَ طَعَامًا هَلْ عَلَيْهِ وُضُوءٌ فَقَالَ لَيْسَ عَلَيْهِ وُضُوءٌ وَلْيَتَمَضْمَضْ مِنْ ذَلِكَ وَلْيَغْسِلْ فَاهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি রবী’আ ইবন আবদুর রহমানকে কয়েকবার উদর হইতে পানি বমি করিতে দেখিয়াছেন, তখন তিনি ছিলেন মসজিদে। তিনি অতঃপর নামায আদায় করা পর্যন্ত মসজিদ হইতে বাহিরেও যাইতেন না এবং ওযুও করিতেন না। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেনঃ মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি খাদ্যবস্তু বমি করিয়াছে, তাহার জন্য ওযু ওয়াজিব হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ তাহার জন্য ওযু ওয়াজিব নহে, ইহার জন্য সে কুলি করিবে এবং তাহার মুখ ধুইবে।
হাদিস 47 — Muwatta Malik 2:16
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، حَنَّطَ ابْنًا لِسَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ وَحَمَلَهُ ثُمَّ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ ‏.‏ قَالَ يَحْيَى وَسُئِلَ مَالِكٌ هَلْ فِي الْقَىْءِ وُضُوءٌ قَالَ لاَ وَلَكِنْ لِيَتَمَضْمَضْ مِنْ ذَلِكَ وَلْيَغْسِلْ فَاهُ وَلَيْسَ عَلَيْهِ وُضُوءٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৮. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) সাঈদ ইবন যায়দ-এর এক (মৃত) পুত্রকে হানূত[1] লাগাইলেন এবং তাহার লাশ বহন করিলেন, অতঃপর ওযু না করিয়া মসজিদে প্রবেশ করিয়া তিনি নামায পড়িলেন। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইলঃ বমি করিলে ওযু করিতে হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ না। তবে ইহার জন্য কুলি করিবে এবং তাঁহার মুখ ধুইবে। তাহার উপর ওযু ওয়াজিব নহে।
হাদিস 48 — Muwatta Malik 2:17
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، ‏.‏ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَكَلَ كَتِفَ شَاةٍ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ১৯. আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাগের কাঁধের গোশত আহার করার পর ওযু না করিয়া নামায পড়িলেন।
হাদিস 49 — Muwatta Malik 2:18
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ، مَوْلَى بَنِي حَارِثَةَ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ النُّعْمَانِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، خَرَجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ خَيْبَرَ حَتَّى إِذَا كَانُوا بِالصَّهْبَاءِ - وَهِيَ مِنْ أَدْنَى خَيْبَرَ - نَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ دَعَا بِالأَزْوَادِ فَلَمْ يُؤْتَ إِلاَّ بِالسَّوِيقِ فَأَمَرَ بِهِ فَثُرِّيَ فَأَكَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَكَلْنَا ثُمَّ قَامَ إِلَى الْمَغْرِبِ فَمَضْمَضَ وَمَضْمَضْنَا ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২০. সুওয়ায়দ ইবন নুমান (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে খায়বরের যুদ্ধের বৎসর বাহির হইলেন। যখন তাহার সাহ্‌বা (صهباء) নামক স্থানে পৌছিলেন- উহা খায়বরের ঢালু অংশে অবস্থিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তথায়) অবতরণ করিলেন, তারপর আসর নামায পড়িলেন। অতঃপর সফরে আহারের জন্য রাখা খাদ্যবস্তু এবং উহার পাত্রসমূহ আনিতে বলিলেন, তাহার নিকট ছাতু ছাড়া অন্য কিছু উপস্থিত করা হইল না। তিনি নির্দেশ দিলেন, উহা গুলান হইল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহার করিলেন, আমরাও আহার করিলাম। অতঃপর মাগরিবের নামাযের জন্য উঠিলেন এবং কুলি করিলেন, আমরাও কুলি করিলাম। তারপর তিনি নামায পড়িলেন, অথচ আর ওযু করিলেন না।
হাদিস 50 — Muwatta Malik 2:19
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، وَعَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهُدَيْرِ، أَنَّهُ تَعَشَّى مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২১. রবী’আ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন হুদায়র (রহঃ) উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সহিত সন্ধ্যাকালীন আহার করিলেন, তারপর নামায পড়িলেন, আর ওযু করিলেন না।
হাদিস 51 — Muwatta Malik 2:20
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، أَكَلَ خُبْزًا وَلَحْمًا ثُمَّ مَضْمَضَ وَغَسَلَ يَدَيْهِ وَمَسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ২২. উসমান ইবন আফফান (রাঃ) রুটি-গোশত আহার করিলেন, তারপর কুলি করিলেন, উভয় হাত ধুইলেন এবং হস্তদ্বয় দ্বারা মুখমণ্ডল মসেহ করিলেন, তারপর নামায পড়িলেন অথচ পুনরায় ওযু করিলেন না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি জানিতে পারিয়াছেন যে, আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) এবং আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) আগুনে জ্বাল দেওয়া খাদ্যবস্তু আহার করিয়া ওযু করিতেন না।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।