রেওয়ায়ত ১১. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বর্ণনা করেন- তাহার পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করিয়া রীম[1] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর পড়িয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ[2] হইবে।
রেওয়ায়ত ১২. সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) সওয়ার হইয়া যাতুন-নুসুব (ذات النصب) নামক স্থানের দিকে গমন করিলেন। তিনি তাহার এই পরিমাণ যাত্রায় নামায কসর পড়িলেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, যাতুন-নুসুব ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হইল চার বরীদ।
রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) মক্কা হইতে তায়েফ অথবা মক্কা হইতে উসফান বা মক্কা হইতে জিদ্দার সমান দূরত্বের স্থানে সফরে বাহির হইলে কসর পড়িতেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণনা করেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, উক্ত পথের দূরত্ব চার বরীদ পরিমাণ। তিনি আরও বলিয়াছেন যে, নামায কসর পড়ার জন্য এতটুকু ব্যবধান বা দূরত্ব (مسافت) আমার নিকট পছন্দনীয়। মালিক (রহঃ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি সফরের নিয়ত করে, সে যতক্ষণ নিজের পল্লীর গৃহাদি ছাড়িয়া না যাইবে, ততক্ষণ নামায কসর পড়িবে না। অনুরূপ ফেরার পথেও যতক্ষণ নিজ গ্রামের সর্বপ্রথম গৃহ বা উহার নিকটতম স্থান পর্যন্ত না পৌছিবে নামায পূর্ণ পড়িবে না।
রেওয়ায়ত ১৬. সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলিতেনঃ আমি যতক্ষণ অবস্থান করার নিয়ত না করি ততক্ষণ মুসাফিরের মত নামায পড়িতে থাকি, যদিও বা এই অবস্থায় বার রাত্রি পর্যন্ত আবদ্ধ থাকি।
রেওয়ায়ত ১৭. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবন উমর (রাঃ) মক্কায় দশ রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করিয়াছিলেন এবং নামায কসর পড়িয়াছিলেন। কেবল ইমামের সাথে নামায পড়িলে তখন ইমামের নামাযের মতই পড়িতেন।
রেওয়ায়ত ১৮. আতা খোরাসানী (রহঃ) সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি চারি রাত্রি পর্যন্ত ইকামতের নিয়ত করিবে মুসাফির হওয়া সত্ত্বেও সে নামায পূর্ণই পড়িবে। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহা আমার পছন্দনীয় বটে। মালিক (রহঃ)-কে কয়েদীদের নামায সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলিলেনঃ মুকীমের মতই নামায পড়িবে, কিন্তু যদি সে মুসাফির হয় (তবে কসর পড়িবে)।