রেওয়ায়ত ১. বনী যামরার জনৈক ব্যক্তি তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের নিকট আকীকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হইলে তিনি বলিয়াছিলেন, আমি উকুক[1] (পিতা মাতার অবাধ্যতা) পছন্দ করি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই নামটি পছন্দ করিলেন না। তিনি আরো বলিয়াছিলেনঃ কাহারো সন্তান হইলে সে যদি কিছু কুরবানী করিতে চায় তবে তাহা করিতে পারে।
হাদিস 1068 — Muwatta Malik 26:2
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ وَزَنَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَعَرَ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ وَزَيْنَبَ وَأُمِّ كُلْثُومٍ فَتَصَدَّقَتْ بِزِنَةِ ذَلِكَ فِضَّةً .
রেওয়ায়ত ২. জাফর ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-তনয়া ফাতিমা (রাঃ) হাসান, হুসাইন, যায়নব ও উম্মে কুলসুম (রাঃ)-এর মাথার চুল ওজন করিয়া সেই পরিমাণ রৌপ্য খয়রাত করিয়াছিলেন।
হাদিস 1069 — Muwatta Malik 26:3
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، أَنَّهُ قَالَ وَزَنَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَعَرَ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ فَتَصَدَّقَتْ بِزِنَتِهِ فِضَّةً .
রেওয়ায়ত ৩. মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন হুসায়ন (রাঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-তনয়া ফাতিমা (রাঃ) হাসান ও হুসায়নের মাথার চুল ওজন করাইয়া তত পরিমাণ রৌপ্য খয়রাত করিয়াছিলেন।
রেওয়ায়ত ৪. নাফি' (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর পরিবারের কাহারও জন্য আকীকার ব্যাপারে সাহায্য প্রার্থনা করিলে তিনি তাহাকে সাহায্য করিতেন এবং তাহার নিজের সন্তানের ব্যাপারে ছেলে বা মেয়ে হউক, প্রত্যেক সন্তানের জন্য একটি করিয়া বকরী কুরবানী দিতেন।
রেওয়ায়ত ৭. উরওয়াহ ইবন যুবাইর (রহঃ) ছেলে হউক বা মেয়ে, প্রত্যেক সত্তানের জন্য একটি বকরী আকীকা করিতেন।[1] মালিক (রহঃ) বলেনঃ আকীকার বিষয়ে আমাদের নিকট হুকুম হইল, ছেলে হইক বা মেয়ে হউক প্রত্যেকের জন্য একটি বকরী আকীকা করা হইবে। আকীকা করা ওয়াজিব নহে, মুস্তাহাব। তবে আকীকার বকরী কুরবানীর বকরীর অনুরূপ হইতে হইবে। চোখ কানা, অতিশয় বৃদ্ধ, শিং ভাঙা এবং রোগা হইলে চলিবে না। আকীকার গোশত এবং চামড়া বিক্রয় করা জায়েয নহে। ইহার হাড়গুলিও ভাঙ্গিয়া দেওয়া উচিত।[2]আকীকার গোশত নিজে খাইবে এবং দরিদ্রদিগকেও খাইতে দিবে। আকীকাকৃত বকরীর রক্ত বাচ্চাকে ছোঁয়াইবে না।