মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে আজারবাইজান কিংবা সিরিয়ায় ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমার (রাযিঃ) এর কাছ থেকে এ মর্মে একটি চিঠি এলো যে, আম্মা বা'দ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন, তবে দু' আঙ্গুল পরিমাণ হলে বৈধ হবে। আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরী হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নকশী ও নকশার দিকে ইশারা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪১, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবূ গাসসান মিসমা’ঈ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ...... কাতাদাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল বর্ণিত আছে। কিন্তু তিনি আবূ উসমান (রহঃ) এর কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪২, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হান্যালী, ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও হাজ্জাজ ইবনু শা'ইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাটি রেশমের প্রস্তুতকৃত একটি কাবা গায়ে দিলেন, যা তাকে হাদিয়া (উপঢৌকন) দেয়া হয়েছিল। তারপর তিনি সেটি দ্রুত খুলে ফেললেন। অতঃপর সেটি উমার ইবনুল খাত্তাবের কাছে প্রেরণ করলেন। তাকে বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! আপনি দ্রুত এটি খুলে ফেললেন যে? তিনি বললেন জিবরীল (আঃ) আমাকে এটি পরিধান করতে বারণ করেছেন। এরপর উমার (রাযিঃ) ক্ৰন্দনরত অবস্থায় তার নিকটে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি যে জিনিস পছন্দ করলেন না তা আমাকে দিলেন, আমার উপায় কি? সে সময় তিনি বললেন, আমি তোমাকে এটি পরিধান করতে দেইনি। আমি শুধু তোমাকে বিক্রয় করার জন্য দিয়েছি। পরে উমর (রাযিঃ) সেটি দু'হাজার দিরহামে বেচে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি লাল রংয়ের হুল্লা উপঢৌকন দেয়া হলো। অতঃপর তিনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন। আমি সেটি পরিধান করলে তার মুখমণ্ডলে ক্রোধ দর্শন করলাম। তিনি বললেন, আমি এটি পরিধান করার জন্য তোমার নিকট পাঠাইনি। পাঠিয়েছি শুধু এজন্য যে, তুমি এটি কেটে ওড়না হিসেবে (তোমার) স্ত্রীদের মধ্যে ভাগ করে দেবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ ‘আওন (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত রয়েছে। কিন্তু মু'আয (রহঃ) এর হাদীসে আছে, তারপর তার নির্দেশে আমি তা আমার স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। আর মুহাম্মাদ ইবনু জাফার (রহঃ) এর হাদীসে আছে, পরে আমি আমার মহিলাদের মধ্যে সেটি বণ্টন করে দিলাম’। তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ দেয়ার কথা বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, দুমাহ নিবাসী উকাইদির নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি রেশম বস্ত্র উপহার দিলে তিনি তা আলী (রাযিঃ) কে দিয়ে বললেন, তুমি এটি কেটে ফাতিমাদের মধ্যে বণ্টন করে দাও। আবূ বাকর ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) এর বর্ণনায় 'ফাতিমাদের' স্থলে 'মহিলাদের' কথা উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) .....আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি লাল রংয়ের হুল্লা দিলেন। আমি তা পরিধান করে বের হলে তার চেহারা ভীষণ রাগাম্বিত দেখলাম। তিনি বলেন, পরে আমি তা ছিড়ে আমার স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
শাইবান ইবনু ফাররূখ ও আবূ কামিল (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার (রাযিঃ) এর কাছে একটি রেশমী আলখাল্লা প্রেরণ করলে উমার (রাযিঃ) বললেন, আপনি এটি আমার নিকটে প্রেরণ করলেন, অথচ আপনি এটি সম্পর্কে কত কিছু না বলেছেন? তিনি বললেনঃ আমি সেটা এজন্য পাঠাইনি যে, তুমি তা ব্যবহার করবে। আমি শুধু এজন্য প্রেরণ করেছি যে, তুমি এর ক্রয়কৃত অর্থ দিয়ে লাভবান হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫০, ইসলামিক সেন্টার)