মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ... হকাম ইবনু আ'রাজ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যমযমের কাছে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) চাঁদর বিছিয়ে বসে থাকা অবস্থায় আমি তাকে আশূরার দিবসে সওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। এরপর তিনি হাজিব ইবনু উমার (রহঃ) এর হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ২৫৩২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2666 — Sahih Muslim 13:172
وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا غَطَفَانَ بْنَ طَرِيفٍ الْمُرِّيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ، بْنَ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - يَقُولُ حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ - إِنْ شَاءَ اللَّهُ - صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ " . قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশূরার দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেন এবং লোকদেরকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনের নির্দেশ দেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়াহুদ এবং নাসারা এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব। বর্ণনাকারী বলেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তিকাল হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তবে মুহাররমের নবম তারিখেও সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব। আবূ বাকর (রহঃ) বলেন, নবম তারিখই হচ্ছে আশুরার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2668 — Sahih Muslim 13:174
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي، عُبَيْدٍ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، - رضى الله عنه - أَنَّهُ قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مِنْ أَسْلَمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَأَمَرَهُ أَنْ يُؤَذِّنَ فِي النَّاسِ " مَنْ كَانَ لَمْ يَصُمْ فَلْيَصُمْ وَمَنْ كَانَ أَكَلَ فَلْيُتِمَّ صِيَامَهُ إِلَى اللَّيْلِ " .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিন আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, সে যেন লোকদের মধ্যে এ কথা ঘোষণা করে যে, যে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেনি, সে যেন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে এবং যে আহার করেছে, সে যেন রাত পর্যন্ত তার সওম পূর্ণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) .... রুবায়’ই বিনতু মু'আববিয ইবনু আফরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিন ভোরে এক ব্যক্তিকে মদীনার পার্শ্ববর্তী আনসারী সাহাবীগণের জনপদে এ নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, সে যেন এ ঘোষণা করে দেয় যে, সিয়াম (রোজা/রোযা)রত অবস্থায় যার ভোর হয়েছে, সে যেন তার সওমকে পূর্ণ করে। আর যার ইফত্বার অবস্থায় ভোর হয়েছে, সে যেন তার দিনের অবশিষ্ট অংশ পানাহার থেকে বিরত অবস্থায় পূর্ণ করে। এরপর আমরা এ দিন সওম পালন করতাম এবং আমাদের ছোট ছোট সন্তানদেরকেও আল্লাহ চাহে তো সওম পালনে অভ্যস্ত করে তুলতাম। আমরা তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যেতাম এবং তাদের জন্য পশমের খেলনা বানিয়ে দিতাম। যখন তারা খাওয়ার জন্য কাঁদত, তখন আমরা তাদেরকে সে খেলনা প্রদান করতাম। এমনি করে ইফতারের সময় হয়ে যেত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... খালিদ ইবনু যাকওয়ান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রুবায়’ই বিনতু মু'আববিয (রাযিঃ) কে আশুরার সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বার্তাবাহককে আনসারদের গ্রামে পাঠালেন ..... হাদীসের বাকি অংশ বিশর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। শুধু এতটুকু ব্যতিক্রম রয়েছে, আমরা এদের জন্য পশম দিয়ে খেলনা তৈরি করতাম এবং এগুলো আমাদের সাথেই নিয়ে যেতাম। এরা আমাদের কাছে খাবার চাইলে আমরা এ খেলনা এদের হাতে দিতাম। এটা তাদেরকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পূর্ণ করা পর্যন্ত ভুলিয়ে রাখত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু আযহারের মুক্ত গোলাম আবূ উবায়দ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঈদের দিন উমর ইবনু খাত্ত্বাব (রাযিঃ) এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। তিনি এসে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় সমাপ্ত করে লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। এতে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন, আর দ্বিতীয় হলো যেদিন তোমরা কুরবানীর গোশত খেয়ে থাক।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2672 — Sahih Muslim 13:178
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন- কুরবানীর ঈদের দিন আর ঈদুল ফিতরের দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2673 — Sahih Muslim 13:179
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، - وَهُوَ ابْنُ عُمَيْرٍ - عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ مِنْهُ، حَدِيثًا فَأَعْجَبَنِي فَقُلْتُ لَهُ آنْتَ سَمِعْتَ هَذَا، مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَأَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ أَسْمَعْ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ " لاَ يَصْلُحُ الصِّيَامُ فِي يَوْمَيْنِ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ " .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... কাযা'আহ থেকে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমি তার (আবূ সাঈদ) কাছে একটি হাদীস শুনলাম যা আমার অত্যন্ত পছন্দ হলো। আমি তাঁকে বললাম, আপনি এ হাদীস রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছেন। তিনি বললেন, আমি যা শুনিনি এমন কথা তার নামে চালিয়ে দিতে পারি? এবার তিনি বললেন, আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা সমীচীন নয়। কুরবানীর ঈদের দিন এবং রমযানে ঈদুল ফিতরের দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2674 — Sahih Muslim 13:180
وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ النَّحْرِ .
। আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪১, ইসলামীক সেন্টার)