আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... যিয়াদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমর (রাযিঃ) এর কাছে এসে বলল, আমি একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব বলে মানত করেছি। ঘটনাক্রমে ঐ দিনই ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের দিন পড়েছে। ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহ তা'আলা মানত পূর্ণ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2676 — Sahih Muslim 13:182
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى .
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2677 — Sahih Muslim 13:183
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ " .
সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... নুবায়শাহ আল হুযালী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আইয়্যামে তাশরীক হচ্ছে পানাহার করার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নুবায়শাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খালিদ বলেছেন, আমি আবূল মালীহি এর সাথে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করি, তিনি আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুশায়মের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে অতিরিক্ত রয়েছে যে, “এ দিন আল্লাহকে স্মরণ করার দিন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু কা'ব ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে। বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এবং আওস ইবনু হাদাসান (রাযিঃ) কে আইয়্যামে তাশরীকে একটি ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেন। অতঃপর তারা রসূলের বাণী ঘোষণা করে শুনিয়ে দিলেনঃ মু'মিন ব্যক্তি ছাড়া কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর মিনায় অবস্থানের দিনগুলো হচ্ছে পানাহার করার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবরাহীম ইবনু ত্বহমান (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে উল্লেখ আছে তারা উভয়ে ঘোষণা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2681 — Sahih Muslim 13:187
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ نَعَمْ وَرَبِّ هَذَا الْبَيْتِ .
‘আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ইবনু জাফার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) যখন কা'বাহ ঘর প্রদক্ষিণ করছিলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুমুআর দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, কা'বাহ ঘরের প্রভুর শপথ! হ্যাঁ, তিনি নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2682 — Sahih Muslim 13:188
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ، بْنُ جُبَيْرِ بْنِ شَيْبَةَ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَنَّهُ سَأَلَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - بِمِثْلِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমুআর দিন কেউ যেন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন না করে। কিন্তু যদি কেউ জুমুআর দিনের আগে বা পরে একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে তাহলে সে জুমুআর দিন সিয়াম পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2684 — Sahih Muslim 13:190
وَحَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، - يَعْنِي الْجُعْفِيَّ - عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَخْتَصُّوا لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ بِقِيَامٍ مِنْ بَيْنِ اللَّيَالِي وَلاَ تَخُصُّوا يَوْمَ الْجُمُعَةِ بِصِيَامٍ مِنْ بَيْنِ الأَيَّامِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ فِي صَوْمٍ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ " .
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাতগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র জুমুআর রাতকে জাগরণের (নৈশ ইবাদাতের) জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না, আর দিনগুলোর মধ্যে শুধু জুমুআর দিনকে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না। তবে যদি তোমাদের কেউ সর্বদা (নাফল) সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে আর এ সিয়ামের (ধারাবাহিকতার) মধ্যে জুমুআর দিন এসে যায় তাহলে ভিন্ন কথা। অর্থাৎ সে ঐদিন (নাফল) সিয়াম পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫১, ইসলামীক সেন্টার)