আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ আল কা'নবী (রহঃ) ..... 'আমরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এক ইয়াহুদী মহিলা আয়িশাহ (রাযিঃ) কে কিছু জিজ্ঞেস করার উদ্দেশে তার নিকট আসলো। এসে বলল, আল্লাহ আপনাকে কবর আযাব থেকে মুক্তি দিন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! মানুষকে কবরে কি আযাব দেয়া হবে? আমরাহ এর বর্ণনা অনুযায়ী আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, নাউযুবিল্লাহ। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সকালবেলা সওয়ারীতে আরোহণ করলেন, তখন সূর্যগ্রহণ লাগছিল। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি কতিপয় মেয়ে লোকদের সাথে নিয়ে হুজরাগুলোর পিছন দিয়ে বের হলাম। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ারী থেকে নেমে যেখানে সালাত আদায় করতেন সোজা সেখানে পৌছলে তিনি সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। লোকেরাও সঙ্গে সঙ্গে তার পিছনে দাড়িয়ে গেল। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লম্বা কিয়াম করলেন। অতঃপর রুকূ করলেন এবং রুকূ’ও লম্বা করলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে আবার বেশ কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন যা পূর্বের কিয়াম অপেক্ষা কিছু কম। অতঃপর রুকূ’তে গেলেন তবে তা প্রথম রুকু অপেক্ষা কম ছিল। তারপর মাথা উত্তোলন করলেন। এতক্ষণে সূর্য একেবারে উজ্জ্বল হয়ে গেল। তিনি বললেন, আমি দেখতে পেলাম তোমরা কবরেও দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় ভীষণ পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। আমরাহ (রহঃ) বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, এরপর থেকে আমি শুনতে পেতাম যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাহান্নামের আযাব থেকে ও কবর আযাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কেবল ব্যতিক্রম এই যে, তিনি বলেন, আমি জাহান্নামের মধ্যে হিমইয়ারিয়্যাহ গোত্রের একটি দীর্ঘাকায় কালো মেয়েলোককে দেখতে পেলাম। এতে তিনি বনী ইসরাঈলের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কেবল ব্যতিক্রম এই যে, তিনি বলেন, আমি জাহান্নামের মধ্যে হিমইয়ারিয়্যাহ গোত্রের একটি দীর্ঘাকায় কালো মেয়েলোককে দেখতে পেলাম। এতে তিনি বনী ইসরাঈলের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) [তাদের দু'জনের শব্দ প্রায় কাছাকাছি] ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় অর্থাৎ যেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় পুত্র ইবরাহীম মৃত্যুবরণ করেন, সূর্যগ্রহণ লেগেছিল। এতে লোকেরা বলতে লাগল ইবরাহীমের মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ লেগেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে গিয়ে উপস্থিত লোকদের নিয়ে ছয় রুকূ’ ও চার সাজদায় সালাত আদায় করলেন। সূচনাতে তাকবীর উচ্চারণ করলেন পরে কিরআত পাঠ করলেন এবং কিরআত বেশ লম্বা করলেন। অতঃপর রুকূ করলেন। রুকূ’তে কিয়ামের সমপরিমাণ সময় অবস্থান করলেন। অতঃপর রুকূ’ থেকে মাথা উঠালেন এবং কিয়ামে প্রথম কিরআত অপেক্ষা কিছু ছোট কিরআত পাঠ করলেন। অতঃপর কিয়ামের সমপরিমাণ সময় রুকূ’তে কাটালেন। তারপর রুকূ’ থেকে মাথা উঠিয়ে কিরআত পাঠ করলেন যা পূর্বের কিরআত অপেক্ষা ছোট ছিল। অতঃপর রুকূ’তে গিয়ে কিয়ামের পরিমাণ সময় অতিবাহিত করলেন। এরপর রুকূ’ থেকে মাথা উঠিয়ে সাজদায় গেলেন এবং দুটি সিজদা করলেন। তারপর দাঁড়িয়ে আরো তিনটি রুকূ করলেন যাতে কোন রাকাআত ছিল না। শেষের তিন রুকূ’ এরূপ ছিল যে, প্রত্যেক রুকূ’ পূর্ববর্তী রুকূ’ অপেক্ষা ছোট এবং পরবর্তী রুকূ’ অপেক্ষা দীর্ঘ ছিল। আর প্রতিটি রুকূর সময় সাজদার সমপরিমাণ ছিল। অতঃপর তিনি একটু পিছনে সরে আসলেন আর তার পিছনের সারিগুলোও পিছনে সরে গিয়ে আমরা পৌছে গেলাম। আবূ বকর বলেনঃ মহিলাদের কাতার পর্যন্ত পৌছে গেলেন। অতঃপর তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং তার সাথে সব লোক সামনে এগিয়ে গেল। অবশেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে সালাত শেষ করলেন। এদিকে সূর্য তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে এল। সালাত শেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপস্থিত লোকদেরকে সম্বোধন করে বললেন, হে লোক সকল! চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন। আর এ দুটি কোন মানুষের মৃত্যুর কারণে গ্রাসপ্রাপ্ত হয় না। আবূ বাকর-এর বর্ণনায় (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন), "কোন মানুষের মৃত্যুর কারণে" (এ দুটি গ্রহণ হয় না)। অতএব, তোমরা যখন এরূপ কিছু ঘটতে দেখ তখন সালাত আদায় কর যে পর্যন্ত সূর্য স্পষ্ট হয়ে না যায়। তোমাদের কাছে যে সব বিষয় সম্পর্কে ওয়াদা করা হয়েছে তার প্রতিটি আমি আমার সালাতের মধ্যে দেখতে পেয়েছি। আমার কাছে জাহান্নাম তুলে ধরা হয়েছে। আর এটা তখন যখন তোমরা আমাকে দেখেছ যে, আমি পিছনে সরে এসেছি এর লেলিহান শিখা আমাকে স্পর্শ করার ভয়ে। অবশেষে আমি জাহান্নামের মধ্যে লৌহশলাকাধারীকে (আমর ইবনু মালিক) দেখলাম, সে জাহান্নামের মধ্যে নিজের নাড়ীভুড়ি টানছে। এ ব্যক্তি নিজ লাঠি দ্বারা হাজ যাত্রীদের মালপত্র চুরি করত। এরপর যদি ধরা পড়ে যেত তখন বলত আহ! আমার শলাকার সাথে লেগে গেছে। আর কেউ অসাবধান থাকলে তা নিয়ে যেত। এছাড়া জাহান্নামের মধ্যে ঐ মহিলাকেও দেখতে পেলাম যে, একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। এরপর এটাকে আহারও দেয়নি, ছেড়েও দেয়নি, যাতে জমিনের পোকামাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করতে পারত। শেষ পর্যন্ত বিড়ালটি ক্ষুধায় ছটফট করে মারা গেল। অতঃপর আমার সামনে জান্নাত তুলে ধরা হয়েছে। আর এটা তখন দৃষ্ট হয়েছে, যখন তোমরা আমাকে দেখতে পেয়েছ যে, আমি সামনে এগিয়ে গেছি এবং নিজস্থানে দাঁড়িয়েছি। আমি আমার হাত প্রসারিত করলাম এবং এর ফল তুলে নেবার ইচ্ছা করলাম যাতে তোমরা তা দেখতে পাও। অতঃপর এরূপ না করাই স্থিরকৃত হ'ল। যেসব বিষয় তোমাদের জানানো হয়েছিল তার প্রতিটি বিষয় আমি আমার এ সালাতে থাকাকালীন দেখতে পেয়েছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আ'লা আল হামদানী (রহঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় একবার সূর্যগ্রহণ লাগে। তখন আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর নিকট গিয়ে দেখি তিনি সালাত আদায় করছে। আমি বললাম কি ব্যাপার। লোকেরা সালাত আদায় করছে? আয়িশাহ (রাযিঃ) মাথা নেড়ে আসমানের দিকে ইশারা করলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, একি বিশেষ কোন ঘটনা? তিনি বললেন, হ্যাঁ। এদিকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এত লম্বা কিয়াম করলেন যে, আমার মাথার চক্কর এসে গেল। তখন আমি আমার পাশে রাখা পানির মশক নিয়ে আমার মাথায় অথবা চেহারায় পানি ঢালতে আরম্ভ করলাম। আসমা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত শেষ করার সাথে সাথে সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেল। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের উদ্দেশে খুতবাহ দিলেন। আল্লাহর হামদ ও নাত আদায় করার পর তিনি বললেন, আম্মাবাদ, যে সব বস্তু আমি ইতিপূর্বে দেখিনি তা আমি আমার এ স্থানে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলাম। এমনকি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখলাম। আর এ মুহুর্তে আমার নিকট অবতীর্ণ করা হয়েছে যে, অচিরেই তোমরা কবরে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। অথবা বলেছেন, মাসীহ দাজ্জালের ফিৎনার ন্যায় ফিৎনায় পতিত হবে। (রাবী বলেন,) আমার জানা নেই আসমা এর কোনটা বলেছে। এরপর তোমাদের প্রত্যেককে হাজির করে জিজ্ঞেস করা হবে "এ ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার কি জানা আছে?" এ সময় ঈমানদার ব্যক্তি অথবা বলেছে "মু'মিন দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তি (আমার জানা নেই আসমা এর কোনটা বলেছেন) বলবে, ইনি মুহাম্মাদ , ইনি রসূলুল্লাহ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও হিদায়াতের বিষয়বস্তু নিয়ে এসেছেন। তাই আমরা তার আহবানে সাড়া দিয়েছি এবং তার অনুসরণ করেছি। তিনবার সে এ কথা উচ্চারণ করবে। তখন তাকে বলা হবে। ঘুমাও, আমরা জানতাম তুমি তার প্রতি ঈমান বজায় রেখেছো। ভালরূপে ঘুমাও। কিন্তু মুনাফিক অথবা মুরতাদ (সংশয়বাদী আমার জানা নেই আসমা এর কোনটা বলেছেন) বলবে, আমি তো কিছু জানি না। লোকদের কিছু বলাবলি করতে শুনেছি আমিও তা-ই বলেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭২, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনكَسَفَتِ الشَّمْسُ বলবে না, বরং خَسَفَتِ الشَّمْسُ বলো। অর্থ একই সূর্যগ্রহণ লেগেছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনكَسَفَتِ الشَّمْسُ বলবে না, বরং خَسَفَتِ الشَّمْسُ বলো। অর্থ একই সূর্যগ্রহণ লেগেছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2106 — Sahih Muslim 10:15
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُمِّهِ، صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهَا قَالَتْ فَزِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا - قَالَتْ تَعْنِي يَوْمَ كَسَفَتِ الشَّمْسُ - فَأَخَذَ دِرْعًا حَتَّى أُدْرِكَ بِرِدَائِهِ فَقَامَ لِلنَّاسِ قِيَامًا طَوِيلاً لَوْ أَنَّ إِنْسَانًا أَتَى لَمْ يَشْعُرْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَكَعَ مَا حَدَّثَ أَنَّهُ رَكَعَ مِنْ طُولِ الْقِيَامِ .
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন অর্থাৎ- যেদিন সূর্যগ্রহণ লেগেছিল, এরূপ আতঙ্কগ্রস্ত হলেন যে, চাদর নিতে গিয়ে ভুলে (মহিলাদের) বড় চাদর উঠিয়ে নিলেন। পরে তার চাদরই তাকে পৌছে দেয়া হ'ল। অতঃপর তিনি লোকদের নিয়ে সালাত শুরু করে দিলেন এবং বেশ লম্বা কিয়াম করলেন। যদি কোন লোক তার কাছে আসত বুঝত পারত না যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ’ করেছেন (রুকূর পর) দীর্ঘ কিয়ামের কারণে। যে পর্যন্ত কেউ প্রকাশ না করে দিত যে, তিনি রুকূ’ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু ইয়াহইয়া আল উমাবী (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে আসমা (রাযিঃ) বলেছেন, দীর্ঘ সময় কিয়াম করে পরে রুকূ’ করেছেন। বর্ণনাকারী এ কথাটুকু বাড়িয়েছেন- “আমি মহিলাদের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, আমার চেয়ে বয়স্কা মহিলাও আছে আর আমার চেয়ে অধিক রুগ্না মহিলাও রয়েছে।" (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৯৭৬, ইসলামীক সেন্টার)