ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শস্য ও খেজুর পূর্ণ পাঁচ ওয়াসাক না হলে তাতে কোন যাকাত নেই, উটের সংখ্যা পাঁচের কম হলে তাতে যাকাত নেই এবং পাঁচ উকিয়্যার (বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্যের) কমে কোন যাকাত নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ... ইসমাঈল ইবনু উমাইয়্যাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে আবদুর রহমান ইবনু মাহদী ও ইয়াহইয়া ইবনু আদম (রহঃ) এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি খেজুরের পরিবর্তে 'ফল' উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু মা’রূফ ও হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রৌপ্য পরিমাণ পাঁচ উকিয়্যার কম হলে তাতে কোন যাকাত নেই, উটের সংখ্যা পাঁচের কম হলে তাতে কোন যাকাত নেই, আর খেজুর পাঁচ ওয়াসাকের কম হলে তাতেও যাকাত নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ তহির, আহমাদ ইবনু আমর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আমর সারহ, হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী, আমর ইবনু সাওওয়াদ এবং ওয়ালীদ ইবনু শুজা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, যে জমি নদী-নালা ও বর্ষার পানিতে সিক্ত হয় তাতে উশর (উৎপাদিত শস্যের দশ ভাগের এক ভাগ যাকাত) ধার্য হয়। আর যে জমিতে উটের সাহায্যে পানি সরবরাহ করা হয় তাতে অর্ধেক উশর (বিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত) ধার্য হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন যাকাত নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪২, ইসলামীক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মুসলিম ব্যক্তির ক্রীতদাস ও ঘোড়ার উপর কোন সদাকাহ্ (যাকাত) ধার্য হয় না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ ত্বহির, হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমদ ইবনু ঈসা (রহ) ...... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)-এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, গোলামের জন্য (মনিবের উপর) যাকাত নেই। তবে সদাকায়ে ফিতর আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2277 — Sahih Muslim 12:15
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عُمَرَ عَلَى الصَّدَقَةِ فَقِيلَ مَنَعَ ابْنُ جَمِيلٍ وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ وَالْعَبَّاسُ عَمُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا يَنْقِمُ ابْنُ جَمِيلٍ إِلاَّ أَنَّهُ كَانَ فَقِيرًا فَأَغْنَاهُ اللَّهُ وَأَمَّا خَالِدٌ فَإِنَّكُمْ تَظْلِمُونَ خَالِدًا قَدِ احْتَبَسَ أَدْرَاعَهُ وَأَعْتَادَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَأَمَّا الْعَبَّاسُ فَهِيَ عَلَىَّ وَمِثْلُهَا مَعَهَا " . ثُمَّ قَالَ " يَا عُمَرُ أَمَا شَعَرْتَ أَنَّ عَمَّ الرَّجُلِ صِنْوُ أَبِيهِ " .
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর (রাযিঃ) কে যাকাত আদায়ের জন্য পাঠালেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলা হলো, ইবনু জামীল এবং খালিদ ইবনু ওয়ালীদ ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাচা আব্বাস (রাযিঃ) যাকাত দিতে অস্বীকার করেছেন। এখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইবনু জামীল দরিদ্র ছিল আল্লাহ তাকে ধনী করে দিয়েছেন সে প্রতিশোধ সে নিচ্ছে। আর খালিদ ইবনু ওয়ালীদের কাছে তোমরা যাকাত চেয়ে অবিচার করেছো। কারণ সে তার বর্ম এবং সম্পদ আল্লাহর পথে ওয়াকফ করে রেখেছে। আমার চাচা আব্বাস, তার এ বছরের যাকাত ও তার সমপরিমাণ আরও আমার জিন্মায়। অতঃপর তিনি বললেন, হে উমার! তুমি কি উপলব্ধি করছ না যে, কোন ব্যক্তির চাচা তার পিতার সমতুল্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪৬, ইসলামীক সেন্টার)