আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিম দাস-দাসী এবং স্বাধীন পুরুষ ও মহিলা সকলের উপর এক সা’ হিসেবে খেজুর বা প্রত্যেক রমাযান মাসে সদাকায়ে ফিতর নির্ধারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু নুমায়র ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক স্বাধীন বা ক্রীতদাস ব্যক্তি সে প্রাপ্তবয়স্ক হোক বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সকলের উপরই এক সা' খেজুর বা সদাকায়ি ফিতর নির্ধারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযাদ গোলাম, পুরুষ, স্ত্রী সবার উপর রমযান মাসের ফিতরা ফারয (ফরয) করে দিয়েছেন। রাবী বলেন, এরপর কতক লোক অর্ধ সা’ গমকে এর সমান করে নিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সা' খেজুর বা যব দিয়ে সদাকায়ি ফিতর আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। পরবর্তীতে লোকেরা দু’মুদ গমের মূল্য এক সা’ খেজুর বা যবের সমান ধরে নেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৫০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ রাফি (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সা' খেজুর বা যব রমযানের পরে সদাকায়ি ফিতর ধার্য করেছেন- সে (মুসলিম ব্যক্তি) স্বাধীন হোক বা ক্রীতদাস, পুরুষ বা মহিলা, ছোট বা বড় (অর্থাৎ সকলকেই ফিতরা দিতে হবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৫১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেনঃ আমরা এক সা' খাদ্য অর্থাৎ গম, অথবা এক সা' খেজুর বা এক সা' পনির বা এক সা' শুষ্ক আঙ্গুর সদাকায়ি ফিতর হিসেবে বের করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৫২, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় আমরা ছোট, বড়, স্বাধীন, ক্রীতদাস- প্রত্যেকের পক্ষ থেকে এক সা’ খাদ্য (অর্থাৎ গম) বা এক সা’ পনির, বা এক সা’ যব বা এক সা’ খেজুর বা এক সা’ শুষ্ক আঙ্গুর ফিতরা হিসেবে বের করতাম। আমরা এভাবেই ফিতরা আদায় করে আসছিলাম। শেষ পর্যন্ত যখন মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) বা উমরার উদ্দেশে আমাদের মাঝে গমন করলেন, তিনি লোকদের উদ্দেশে ওয়ায করলেন এবং বললেনঃ আমি জানি যে, সিরিয়ার দু' মুদ্দ লাল গম এক সা’ খেজুরের সমান। সুতরাং লোকেরা তার এ অভিমত গ্রহণ করল। আবূ সাঈদ বলেন, কিন্তু আমি যতদিন জীবিত থাকব ততদিন পূর্বের ন্যায় যে পরিমাণে ও যে নিয়মে দিচ্ছিলাম সেভাবেই দিতে থাকব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে বর্তমান থাকা অবস্থায় আমরা ছোট-বড়, আযাদ-গোলাম প্রত্যেকের পক্ষ থেকে তিন ধরনের জিনিস যথা- এক সা' খেজুর অথবা এক সা' পনির অথবা এক সা’ বার্লি (যব) দিয়ে ফিতরা আদায় করতাম। আমরা এভাবেই ফিতরা আদায় করে আসছিলাম। অতঃপর মু'আবিয়াহ্ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে রায় দিলেন যে, দু মুদ্দ গম এক সা' খেজুরের সমান (বিনিময়ের দিক থেকে)। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেন, কিন্তু আমি পূর্বের নিয়মেই ফিতরা আদায় করে আসছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তিন প্রকারের জিনিস যথা- পনির, খেজুর ও বার্লি দিয়ে ফিতরা আদায় করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মুআবিয়াহ (রাযিঃ) এক সা' খেজুরের পরিবর্তে অর্ধ সা' গম (ফিতরার জন্য) নির্ধারণ করলে আবূ সাঈদ (রাযিঃ) এর বিরোধিতা করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় যেভাবে এক সা' খেজুর বা শুকনা আঙ্গুর বা যব বা পনির দিতাম এখনো আমি সে পরিমাণেই দিব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২১৫৬, ইসলামীক সেন্টার)