উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ..... উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু যাকাতের মাল বণ্টন করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি যাদেরকে দিয়েছেন প্রকৃতপক্ষে এরা পাওয়ার যোগ্য নয়। বরং পাওয়ার যোগ্য হলো অন্য লোক। উত্তরে তিনি বললেন, তারা আমাকে এমনভাবে বাধ্য করেছে যে, আমি যদি তাদেরকে না দিতাম তাহলে তারা আমার কাছে নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন করত অথবা আমাকে কৃপণ বলে আখ্যায়িত করত। সুতরাং আমি কৃপণতার আশ্রয় গ্রহণকারী নই (অর্থাৎ কৃপণ নই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2429 — Sahih Muslim 12:166
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ مَالِكًا، ح وَحَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي مَالِكُ، بْنُ أَنَسٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كُنْتُ أَمْشِي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ رِدَاءٌ نَجْرَانِيٌّ غَلِيظُ الْحَاشِيَةِ فَأَدْرَكَهُ أَعْرَابِيٌّ فَجَبَذَهُ بِرِدَائِهِ جَبْذَةً شَدِيدَةً نَظَرْتُ إِلَى صَفْحَةِ عُنُقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ أَثَّرَتْ بِهَا حَاشِيَةُ الرِّدَاءِ مِنْ شِدَّةِ جَبْذَتِهِ ثُمَّ قَالَ يَا مُحَمَّدُ مُرْ لِي مِنْ مَالِ اللَّهِ الَّذِي عِنْدَكَ . فَالْتَفَتَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَضَحِكَ ثُمَّ أَمَرَ لَهُ بِعَطَاءٍ .
আমর আন্ নাকিদ ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে পথ চলছিলাম, তার পরনে ছিল নাজরানের তৈরি মোটা আঁচল বিশিষ্ট চাঁদর। এক বেদুঈন তার কাছে আসল। সে তার চাঁদর ধরে তাকে সজোরে টান দিল। আমি দেখলাম ফলে তার ঘাড়ে দাগ পড়ে গেল। সজোরে তার এ টানের কারণে চাঁদরের আঁচলও পড়ে গেল। সে (বেদুঈন) বলল, হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহর দেয়া যে সব মাল তোমার কাছে আছে এ থেকে আমাকে কিছু দেয়ার জন্য নির্দেশ দাও। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন এবং তাকে কিছু মাল দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৯৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2430 — Sahih Muslim 12:167
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، ح وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، كُلُّهُمْ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ، بْنِ مَالِكٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ . وَفِي حَدِيثِ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ مِنَ الزِّيَادَةِ قَالَ ثُمَّ جَبَذَهُ إِلَيْهِ جَبْذَةً رَجَعَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي نَحْرِ الأَعْرَابِيِّ . وَفِي حَدِيثِ هَمَّامٍ فَجَاذَبَهُ حَتَّى انْشَقَّ الْبُرْدُ وَحَتَّى بَقِيَتْ حَاشِيَتُهُ فِي عُنُقِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
যুহায়র ইবনু হারব ও সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। "আমরের বর্ণিত হাদীসে আরো আছে "তারপর সে (বেদুঈন) এমন জোরে চাঁদর ধরে টান দিল যে, আল্লাহর নবী বেদুঈনের ঘাড়ের সাথে লেগে গেল। আর হাম্মামের বর্ণনায় আছেঃ এমন জোড়ে তার চাঁদর ধরে টান দিল যে, তা ফেটে গেল এবং এর আঁচল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘাড়ে থেকে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৯৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2431 — Sahih Muslim 12:168
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، أَنَّهُ قَالَ قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْبِيَةً وَلَمْ يُعْطِ مَخْرَمَةَ شَيْئًا فَقَالَ مَخْرَمَةُ يَا بُنَىَّ انْطَلِقْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَانْطَلَقْتُ مَعَهُ قَالَ ادْخُلْ فَادْعُهُ لِي . قَالَ فَدَعَوْتُهُ لَهُ فَخَرَجَ إِلَيْهِ وَعَلَيْهِ قَبَاءٌ مِنْهَا فَقَالَ " خَبَأْتُ هَذَا لَكَ " . قَالَ فَنَظَرَ إِلَيْهِ فَقَالَ " رَضِيَ مَخْرَمَةُ " .
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু সংখ্যক কাবা (শেরওয়ানী) বন্টন করলেন। কিন্তু (আমার পিতা) মাখরামাহকে একটিও দিলেন না। মাখরামাহ্ বললেন, বৎস! আমার সাথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে চলো। আমি তার সাথে গেলাম। তিনি বললেন, তুমি ঘরের ভিতরে গিয়ে তাকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে) ডাক। আমি তাকে ডাকলাম। তিনি যখন বেরিয়ে আসলেন, ঐ কাবাগুলোর একটি তার পরনে ছিল। তিনি বললেন, "এটা আমি তোমার জন্যেই রেখেছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মাখরামার দিকে তাকালেন এবং বললেন, “মাখরামাহ্ সম্ভষ্ট হয়েছে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2432 — Sahih Muslim 12:169
حَدَّثَنَا أَبُو الْخَطَّابِ، زِيَادُ بْنُ يَحْيَى الْحَسَّانِيُّ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ السَّخْتِيَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، قَالَ قَدِمَتْ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَقْبِيَةٌ فَقَالَ لِي أَبِي مَخْرَمَةُ انْطَلِقْ بِنَا إِلَيْهِ عَسَى أَنْ يُعْطِيَنَا مِنْهَا شَيْئًا . قَالَ فَقَامَ أَبِي عَلَى الْبَابِ فَتَكَلَّمَ فَعَرَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَوْتَهُ فَخَرَجَ وَمَعَهُ قَبَاءٌ وَهُوَ يُرِيهِ مَحَاسِنَهُ وَهُوَ يَقُولُ " خَبَأْتُ هَذَا لَكَ خَبَأْتُ هَذَا لَكَ " .
আবূল খাত্ত্বাব যিয়াদ ইবনু ইয়াহইয়া আল হাসসানী (রহঃ) ..... মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কিছু সংখ্যক কাবা (পোষাক-পরিচ্ছদ পরিধানের জন্য জামা বিশেষ) আসল। আমার পিতা মাখরামাহ্ আমাকে বললেন, “আমার সাথে তার (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে চল, হয় তো তিনি আমাদেরকে তা থেকে দু' একটা দিতে পারেন।" বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা গিয়ে তার দরজায় দাঁড়িয়ে কথা বললেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কণ্ঠস্বর বুঝতে পারলেন। তিনি একটি কাবা সাথে করে তার কারুকার্য ও সৌন্দর্য দেখতে দেখতে বের হলেন এবং বলতে থাকলেনঃ “আমি এটি তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছিলাম; আমি এটি তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছিলাম।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০০, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী এবং আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উপস্থিতিতে কতিপয় লোককে কিছু দান করলেন। আমিও তখন তাদের মধ্যে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে দেয়া থেকে বিরত থাকলেন। সে আমার দৃষ্টিতে তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক ছিল। সুতরাং আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে দেননি কেন? আল্লাহর শপথ আমি জানি সে মুমিন লোক। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। অতঃপর আমি সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সদগুণাবলী ও ঈমানী চরিত্র সম্পর্কে আমার অবগতি আমাকে প্রভাবিত করায় পুনরায় বললাম, "হে আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কেন দেননি? আল্লাহর কসম, আমি জানি সে মুমিন লোক। তিনি (এবারও) বললেন বরং সে মুসলিম। আমি আবার কিছু সময় চুপ থাকলাম। কিন্তু তার সম্পর্কে আমার অবগতি পুনরায় আমাকে প্রভাবিত করল। তাই আমি বললাম, আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কিছু দেননি কেন? আল্লাহর শপথ! আমি ভাল করেই জানি সে মু'মিন। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। তৃতীয়বার বললেন, আমি অধিকাংশ সময় কোন ব্যক্তিকে দেই কিন্তু অপর ব্যক্তি আমার কাছে তার তুলনায় অধিক প্রিয়। এর কারণ হচ্ছে- যদি তাদেরকে না দেই তাহলে হয়ত তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আল হুলওয়ানীর বর্ণনায় দু’বারের উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০১, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রেও যুহরী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ বর্ণনায় আরো আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (স্নেহ ভরে) আমার ঘাড় ও কাঁধের মাঝে হাত মেরে বললেনঃ হে সাদ! তুমি কি আমার সাথে লড়তে চাও। নিশ্চয়ই আমি কোন ব্যক্তিকে দিয়ে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৩, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। হুনায়নের দিনে আল্লাহ তা'আলা তার রসূলকে বিনা যুদ্ধে হাওয়াযিন গোত্রের ধন-সম্পদ থেকে যা (গনীমাত হিসেবে) দান করেছিলেন এ থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরায়শদের কয়েকজন লোককে একশ' উট প্রদান করলেন। আনসারদের মধ্যে কয়েক ব্যক্তি বলল, “আল্লাহ তার রসূলকে ক্ষমা করুন, তিনি আমাদের না দিয়ে কুরায়শদের দিচ্ছেন। অথচ আমাদের তরবারি থেকে এখনও তাদের রক্ত করছে।" আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, এ খবর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছলে তিনি আনসারদের ডেকে পাঠালেন। তিনি একটি চামড়ার তাঁবুতে তাদের একত্রিত করলেন। তারা জড়ো হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বললেন, তোমাদের পক্ষ থেকে আমার কাছে যে কথা পৌছেছে তার মানে কী? আনসারদের মধ্যে থেকে বুদ্ধিমান ব্যক্তিগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্যে যারা বুদ্ধিমান ও অভিজ্ঞ তারা তো কিছুই বলেনি। তবে আমাদের মধ্যে যারা কম বয়সী তারা বলেছেন- আল্লাহ তা'আলা তার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ক্ষমা করুন, তিনি আমাদের না দিয়ে কুরায়শদের দিচ্ছেন। অথচ এখনো আমাদের তরবারি থেকে তাদের রক্ত টপকে পড়ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ "আমি এমন লোকদের দিয়ে থাকি যারা সেদিনও কাফির ছিল যাতে তাদের মন সন্তুষ্ট (ও ইসলামের দিকে আকৃষ্ট) থাকে। তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তারা (গনীমতের) মাল নিয়ে তাদের ঘরে চলে যাবে আর তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সাথে নিয়ে ঘরে যাবে? আল্লাহর শপথ! ওরা যা নিয়ে ঘরে ফিরবে তার চেয়ে উত্তম হচ্ছে তোমরা যা নিয়ে ঘরে ফিরবে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা যা নিচ্ছি তাই উত্তম এবং আমরা সন্তুষ্ট আছি। পুনরায় তিনি বললেন, ভবিষ্যতেও এভাবে তোমাদের উপর অন্যদের (দানের ব্যাপারে) প্রাধান্য দেয়া হবে। তখন তোমরা আল্লাহ ও তার রসূলের সাথে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে এবং হাওযে কাওসারের কাছে থাকবে। তারা বললেন, এখন থেকে আমরা ধৈর্য ধারণ করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রেও হাওয়াযিন গোত্র থেকে বিনা যুদ্ধে সম্পদ লাভ ও বণ্টন সম্পর্কিত উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে আরো আছেঃ আনাস (রাযিঃ) বলেছেন, আমরা ধৈর্য ধারণ করতে পারিনি এবং ‘আমাদের কিছু লোক' শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৫, ইসলামীক সেন্টার)