আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, আমাকে তোমার সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি সারা রাত দাঁড়িয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় কর এবং দিনের বেলা সওম রাখ? আমি বললাম, আমি অবশ্য করি। তিনি বলেন, তুমি এরূপ করতে গেলে অনিদ্রার কারণে তোমার চোখ কোটরগত হবে এবং তুমি দুর্বল হয়ে পড়বে। তোমার চোখের হাক্ব (হক) রয়েছে, তোমার দেহের হাক্ব (হক) রয়েছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনের হাক্ব (হক) রয়েছে। অতএব তুমি রাতে ইবাদাতও করবে এবং নিদ্রাও যাবে। সওমও পালন করবে, আবার তা বাদও দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় সওম হচ্ছে দাউদ (আঃ) এর সওম এবং তার নিকট পছন্দনীয় সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) হচ্ছে দাউদ (আঃ) এর সালাত। তিনি অর্ধরাত ঘুমাতেন। অতঃপর এক-তৃতীয়াংশ রাত ইবাদাতে থাকতেন। অতঃপর এক-ষষ্ঠাংশ রাত ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন বাদ দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর ইবনুল ‘আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় সওম হচ্ছে দাউদ (আঃ) এর সওম। তিনি বছরের অর্ধেক কাল সওম পালন করতেন। মহান আল্লাহর নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) হচ্ছে দাউদ (আঃ) এর সালাত। তিনি অর্ধ রাত ঘুমাতেন, অতঃপর সালাতে দাঁড়াতেন, অতঃপর শেষ রাতে ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি অর্ধ রাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ইবাদাত করতেন। রাবী ইবনু জুরায়জ (রহঃ) বলেন, আমি 'আমর ইবনু দীনারকে বললাম, আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) কি এ কথা বলতেন যে, তিনি অর্ধরত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ইবাদাতে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ কিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আবুল মালীহ (রহঃ) অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেনঃ আমি তোমার পিতার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাযিঃ) এর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের নিকট বললেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আমার সওম সম্পর্কে উল্লেখ করা হলে তিনি আমার কাছে এলেন। আমি তার জন্য একটি চামড়ার বালিশ বিছিয়ে দিলাম। তাতে খেজুরের আঁশ ভর্তি ছিল। তিনি মাটির উপর বসে গেলেন এবং বালিশটি তার ও আমার মাঝে পড়ে থাকল। তিনি আমাকে বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (আমি এর অধিক সওম পালন করতে সক্ষম) তিনি বললেন, তাহলে পাঁচদিন। আমি বললাম হে আল্লাহর রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)। তিনি বললেন, তাহলে সাতদিন? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে নয়দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)। তিনি বললেন, তাহলে এগার দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দাউদ (আঃ) এর সওমের উপর কোন সওম নেই। তিনি বছরের অর্ধেক অর্থাৎ একদিন যদি এ সওম পালন করতেন, আরেক দিন বাদ দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, তুমি একদিন সওম পালন করলে পরের দিনের সাওয়াব পাবে। তিনি বলেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দু'দিন সওম পালন কর। তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোর সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক সওম পালন করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি চারদিন সওম পালন কর, তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব লাভ করবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দাউদ (আঃ) এর সওম পালন কর যা আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সওম। তিনি পর্যায়ক্রমে একদিন সওম পালন করতেন এবং পরের দিন বাদ দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬০৯, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু আমর! আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি দিনের বেলা সওম পালন কর এবং রাতের বেলা সালাতে থাক, তুমি এরূপ করো না। কারণ তোমার উপর তোমাদের দেহের একটি অংশ (হাক্ব (হক)) রয়েছে, তোমার উপর তোমার চোখের অংশ রয়েছে এবং তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অংশ রয়েছে। তুমি সওমও পালন কর এবং বাদও দাও। প্রতি মাসে তিনদিন করে সওম পালন কর এবং এটাই হল সারা বছরের সওম (এর নিয়ম)। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার আরও শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে দাউদ (আঃ) এর সওম এর মতো সওম পালন কর। পর্যায়ক্রমে একটি সওম পালন কর এবং একদিন বাদ দাও। 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলতেন, হায়! আমি যদি সহজটার উপর আমল করতাম! (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬১০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2744 — Sahih Muslim 13:250
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ، قَالَ حَدَّثَتْنِي مُعَاذَةُ، الْعَدَوِيَّةُ أَنَّهَا سَأَلَتْ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ قَالَتْ نَعَمْ . فَقُلْتُ لَهَا مِنْ أَىِّ أَيَّامِ الشَّهْرِ كَانَ يَصُومُ قَالَتْ لَمْ يَكُنْ يُبَالِي مِنْ أَىِّ أَيَّامِ الشَّهْرِ يَصُومُ .
শায়বান ইবনু ফারুখ (রহঃ) ..... মুআযাহ্ আল আদাবিয়্যাহ (রহঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) এর কাছে জানতে চাইলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করলাম, মাসের কোন কোন দিন তিনি সওম পালন করতেন? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, তিনি মাসের যে কোন দিন সওম পালন করতে দ্বিধা করতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬১১, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা আয যুবাঈ (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন অথবা (অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ) তিনি কোন ব্যক্তিকে বলেছেন এবং তিনি তা শুনলেন, হে অমুক তুমি কি এ মাসের মধ্যভাগে সওম পালন করেছিলে? সে বলল, না। তিনি বললেন, যখন তুমি তা ভঙ্গ করবে, তখন দু'দিন সওম পালন করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬১২, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ...... আবূ কাতাদাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি কিভাবে সওম পালন করেন? তার এ কথায় রসূলুল্লাহ অসন্তুষ্ট হলেন। উমর (রাযিঃ) তার অসন্তোষ লক্ষ্য করে বললেন, “আমরা আল্লাহর উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর আমাদের নবী হিসেবে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আল্লাহর কাছে তার ও তার রসূলের অসন্তোষ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।” “উমর (রাযিঃ) কথাটি বার বার আওড়াতে থাকলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অসন্তোষের ভাব দূরীভূত হল। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যে ব্যক্তি সারা বছর সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি এবং ছেড়েও দেয়নি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে পর্যায়ক্রমে দু'দিন সওম পালন করে ও একদিন সওম ত্যাগ করে, তার অবস্থা কীরূপ? তিনি বললেন, এ সামর্থ্য কার আছে? (অর্থাৎ সামর্থ্য) থাকলে বেশ ভাল কথা। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে ব্যক্তি একদিন পর একদিন সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, এটা দাউদ (আঃ) এর সওম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, যে একদিন সওম পালন করে ও একদিন করে না, তার অবস্থা কিরূপ? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি আশা করি যে, আমার এতটা শক্তি হোক। তিনি পুনরায় বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা এবং রমাযান মাসের সওম এক রমাযান থেকে পরবর্তী রমাযান পর্যন্ত সারা বছর সওম পালনের সমান। আর আরাফাহ দিবসের সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। আর আশুরার সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফফারাহ হয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬১৩, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ আল আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। এতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসন্তুষ্ট হলেন। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, আমরা আল্লাহর উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দীন হিসেবে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর (আমাদের) রসূল হিসেবে এবং আমাদের কৃত বাই’আতের উপর আমরা সন্তুষ্ট। অতঃপর সারা বছর সওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি, ইফত্বারও করেনি, সে সওম পালন করেনি এবং সওমহীনও থাকেনি। অতঃপর একাধারে দু'দিন সওম পালন করা ও একদিন সওম পালন না করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, এভাবে সওম পালনের সামর্থ্য কার আছে? অতঃপর একদিন সওম পালন ও দু'দিন সওম ত্যাগ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, আল্লাহ যেন আমাদের এরূপ সওম পালনের সামর্থ্য দান করেন। অতঃপর একদিন সওম পালন করা ও একদিন না করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, তা আমার ভাই দাউদ (আঃ) এর সওম। অতঃপর সোমবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এ দিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং এ দিনই আমি নুবুওয়াতপ্রাপ্ত হয়েছি বা আমার উপর (কুরআন) নাযিল করা হয়েছে। তিনি আরও বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন এবং গোটা রমযান মাস সওম পালন করাই হল সারা বছর সওম পালনের সমতুল্য। অতঃপর আরাফাহ দিবসের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের কাফফারাহ হয়ে যাবে। অতঃপর আশুরার সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, বিগত বছরের গুনাহের কাফফারাহ হয়ে যাবে। এ হাদীসে শু'বাহ এর বর্ণনায় আরও আছে, “অতঃপর সোমবার ও বৃহস্পতিবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল।" কিন্তু আমাদের বৃহস্পতিবারের কথা ভুলবশতঃ বর্ণিত হয়েছে, তাই আমরা তার উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬১৪, ইসলামীক সেন্টার)