আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিহাদ, অভিযান, হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অথবা উমরাহ করে ফিরে আসার সময় যখন কোন উচু টিলা বা কংকরময় উচ্চভূমিতে আরোহণ করতেন তখন তিনবার "আল্ল-হু আকবার" (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) ধ্বনি দিতেন, এরপর এ দু'আ পড়তেন। (অর্থ) "আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি একক, তার কোন শারীক নেই। তারই রাজত্ব (বা সার্বভৌমত্ব), তার জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (আমরা) প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকার, আমাদের প্রতিপালককে সিজদাকারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তার ওয়াদা পুরন করেছেন, তার বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু উমার ও ইবনু রাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। শুধুমাত্র আইয়ুবের বর্ণনায় দু’বার তাকবীরের কথা উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও আবূ তলহাহ্ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে প্রত্যাবর্তন করলাম এবং সফিয়্যাহ্ (রাযিঃ) তার উষ্ট্রীর পিঠে পেছনে সওয়ার ছিলেন। আমরা যখন মাদীনাহ শহরতলীতে পৌছলাম তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'আ পড়লেনঃ (অর্থ) “আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, আমাদের প্রভুর ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী।” আমরা মাদীনায় প্রবেশ করা পর্যন্ত তিনি অবিরত এ দু'আ পড়তে থাকতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3281 — Sahih Muslim 15:485
وَحَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
হুমায়দ ইবনু মাস'আদাহ্ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3282 — Sahih Muslim 15:486
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَاخَ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَصَلَّى بِهَا . وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَفْعَلُ ذَلِكَ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফার কংকরময় ভূমি (বাতহা)-তে তার উট বসালেন এবং সেখানে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় রলেন। নাফি’ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ)ও তাই করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ইবনু মুহাজির আল মিসরী ও কুতায়বাহ (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) যুল হুলায়ফার বাতহা প্রান্তরে তার উট বসাতেন যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসাতেন এবং সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল মুসাইয়্যাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অথবা উমরাহ সমাপনান্তে ফেরার পথে যুল হুলায়ফার কংকরময় ভূমিতে নিজের উট বসাতেন যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসাতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3285 — Sahih Muslim 15:489
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - وَهُوَ ابْنُ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ مُوسَى، - وَهُوَ ابْنُ عُقْبَةَ - عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ فِي مُعَرَّسِهِ بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ بِبَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ .
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। যুল হুলায়ফায় রাতের শেষ ভাগে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (কোন আগন্তুক মালাক) আবির্ভূত হয়। তাকে বলা হল, আপনি বারাকাতপূর্ণ পাথরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু বাক্কার (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফার উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থানকালে রাতের বিশেষ প্রহরে তার নিকট (কোন মালাক) আবির্ভূত হয় এবং বলা হয়ঃ আপনি বারাকাতপূর্ণ কংকরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। মূসা উকবাহ (রহঃ) বলেন, সালিম (রহঃ) আমাদের সাথে সফরকালে মসজিদের নিকট তার উট বসাতেন যেখানে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) নিজের উট বসাতেন এবং এ স্থানকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবতরণ (অবস্থান) স্থল মনে করতেন। স্থানটি উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত মসজিদের নিম্নদেশের সমতলে মাসজিদ ও কিবলার মাঝখানে অবস্থিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫২, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের পূর্ববতী (বছরের) যে হাজ্জে (হজ্জে/হজে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর সিদীক (রাযিঃ) কে আমীর নিয়োগ করেছিলেন, সে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সময় তিনি (আবূ বাকর) আমাকে সহ একদল লোকদের কুরবানীর দিন জনগণের মধ্যে নিম্নোক্ত ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেনঃ “এ বছরের পর মুশরিকরা আর হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করতে পারবে না এবং উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করবে না।” ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর এ হাদীস অনুযায়ী হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান বলতেন- “মহান হাজ্জের (হজ্জের/হজের) দিন হচ্ছে এ কুরবানীর দিন"* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫৩, ইসলামীক সেন্টার)