মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেনঃ "আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু মিলআস সামা-য়ি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিলুআ মা- শিতা মিন শাইয়িন বাদু, আল্লাহুম্মা তাহহিরনী বিস্সালজি ওয়াল বারাদ ওয়াল মা-য়িল বা-রিদি, আল্লাহুম্মা তাহহিরনী মিনায্ যুনুবি ওয়াল খাতা-য়া- কামা- ইউনাক্কাস সাওবুল আব্ইয়াযু মিনাল ওয়াসাখ।" অর্থাৎ "হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা- যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা এবং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পাকপবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) এর সূত্রে মুআয (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মুআয-এর বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ "সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়।” ইয়াযীদের বর্ণনায় الدَّرَنِ শব্দের পরিবর্তেالدَّنَسِ শব্দের উল্লেখ রয়েছে (অর্থ একই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “রব্বানা- লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিলআ মা- শিতা মিন্ শাইয়িন বাদু আহলাস সান-য়ি ওয়াল মাজদি আহাক্কু মা-কা-লাল আবদু ওয়া কুল্লুনা- লাকা ‘আবদুন, আল্লাহুম্মা লা- মা-নি’আ লিমা- আতাইতা ওয়ালা- মুতিয়া লিমামানা'তা ওয়ালা- ইয়ানফাউ যাল জাদি মিন্কাল জাদ।" অর্থাৎ "আমাদের প্রতিপালক তুমি আসমান-জমিন সম পরিপূর্ণ প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পূর্ণ করে প্রশংসা। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা কিছু বলে তুমি তার চাইতে বেশি হকদার। আমরা সবাই তোমার বান্দা; হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যা দেয়া বন্ধ করো, তা দান করার শক্তি কারো নেই। ধনবানের ধন তোমার সামনে কোন কাজে আসে না।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকূ’ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ "আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামা- বাইনাহুমা ওয়ামিলআ মা- শিতা মিন শাইয়িন বাদু আহলাস সান-য়ি ওয়াল মাজদি লা- মা-নিআ লিমা- আতাইতা ওয়ালা- মুতিয়া লিমা- মানাতা ওয়ালা- ইয়ানফাউ যাল জাদি মিনকাল জাদ।" অর্থাৎ "আমাদের প্রতিপালক তুমি আসমান-জমিন সম পরিপূর্ণ প্রশংসার অধিকারী, অতপর তুমি যা চাও তাও পূর্ণ করে প্রশংসার অধিকার। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। (হে আল্লাহ!) তুমি যাকে দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যাকে দেয়া বন্ধ করো, তাকে দান করার শক্তি কারো নেই। চেষ্টা সাধনাকারীর প্রচেষ্টা তোমার সামনে কোন কাজে আসে না"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মৃত্যুশয্যায় থাকাকালীন সময়ে) হুজরার পর্দা তুলে দিলেন। লোকেরা এ সময় আবূ বাকরের পিছনে সালাতের কাতারে দাঁড়ানো ছিল। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! আর নুবুওয়াতের ধারা অবশিষ্ট থাকবে না। তবে মুসলিমরা সত্যস্বপ্ন দেখবে অথবা তাদের দেখানো হবে। সাবধান! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকু বা সাজদারত অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি। তোমরা রুকু অবস্থায় মহান প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত বর্ণনা করবে এবং সাজদারত অবস্থায় অধিক দু’আ পড়ার চেষ্টা করবে, কেননা তোমাদের দু'আ কবুল হওয়ার উপযোগী। হাদীসটি আবূ বকর (রহঃ) حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ বলে রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ কক্ষের পর্দা সরিয়ে দিলেন এ সময় তিনি মৃত্যু শয্যায় ছিলেন। তার মাথা (কাপড় দিয়ে) বাধা ছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌছে দিয়েছি? এ কথা তিনি তিনবার বললেন। নুবুওয়াতের সুসংবাদ (ধারা) আর অবশিষ্ট থাকবে না। তবে ভাল স্বপ্ন অবশিষ্ট থাকবে। নেক বান্দারা তা দেখবে অথবা তাদেরকে দেখানো হবে। হাদীসের পরবর্তী বর্ণনা সুফইয়ানের বর্ণনার অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... 'আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকূ’ বা সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)