আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু’-সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। আমি বলছি না "তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহারর ইবনু হারব ও ইসহাক (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয়তম (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রুকু’-সাজদার কিরাআত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ঈসা ইবনু হাম্মদ আল মিসরী, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, আল মুকাদ্দামী, হারূন ইবনু সাঈদ আল লাইলী, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব ও কুতাইবাহ ইবনু হুজর এবং হান্নাদ ইবনু আস্ সারী (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। উল্লেখিত সব রাবীই রুকুর কথা বলেছেন। তারা নিজ নিজ বর্ণনায় 'সাজদার মধ্যে কুরআন পাঠ করা নিষেধ' এরূপ কথা উল্লেখ করেননি; যেমন- যুহরী, যায়দ ইবনু আসলাম, ওয়ালীদ ইবনু কাসীর এবং দাউদ ইবনু কায়স নিজেদের বর্ণনায় এ নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে ‘সাজদায় কুরআন পাঠ করা নিষেধ' এ কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আমর ইবনু 'আলী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকূর মধ্যে কুরআন পাঠ না করি। এ সূত্রে ‘আলীর নাম উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ তাহির ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাজদায় গিয়ে বলতেনঃ "আল্লাহুম্মাগ ফিরলী যামবী কুল্লাহু দিক্কাহু ওয়াজিল্লাহু ওয়া আওওয়ালাহু ওয়া আ-খিরাহু ওয়া আলা-নিয়াতাহু ওয়া সিররাহু।" অর্থাৎ "হে আল্লাহ! আমার সকল প্রকার গুনাহ ক্ষমা করে দিন। কম এবং বেশি, প্রথম এবং শেষ, প্রকাশ্য এবং গোপনীয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রুকু’-সাজদায় এ দু'আ অধিক পরিমাণে পাঠ করতেন : “সুবহ-নাকা আল্লহুম্মা রব্বানা- ওয়াবি হামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী”। অর্থাৎ "হে আল্লাহ! হে আমার প্রতিপালক! তোমার প্রশংসার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করছি। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।” তিনি কুরআনের উপর 'আমল করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার ইন্তিকালের পূর্বে এ দু'আটি খুব বেশি মাত্রায় পাঠ করতেনঃ "সুবহানাকা ওয়াবি হামদিকা আস্তাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলায়ক"। অর্থাৎ "মহান পবিত্র আল্লাহ, সকল প্রশংসা প্রাপ্য একমাত্র তিনি, আমি তোমার নিকট সকল পাপের ক্ষমা চাচ্ছি ও তওবা করছি।” রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে যে এসব নতুন বাক্য পড়তে দেখছি- এগুলো কী? তিনি বললেনঃ আমার উন্মাতের মধ্যে আমার জন্য একটি চিহ্ন বা নিদর্শন রাখা হয়েছে। যখন আমি তা দেখি তখন এগুলো বলতে থাকি। আমি দেখেছিঃ “ইযা-জা-আ নাসরুল্ল-হি ওয়াল ফাতহ" সূরার শেষ পর্যন্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, "ইযা- জাআ নসরুল্ল-হি ওয়াল ফাতহ" (সূরাহু আন নাসর) নাযিল হওয়ার পর থেকে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে এ দু'আ পাঠ করা ব্যতিরেকে কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি। অথবা তিনি সেখানে (সালাতে) বলতেনঃ "সুবহা-নাকা রব্বী ওয়াবি হামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী”। অর্থাৎ হে আমার প্রতিপালক আপনার জন্যই সকল পবিত্রতা ও প্রশংসা। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)