মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ইবনু মুহাজির আল মিসরী ও কুতায়বাহ (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) যুল হুলায়ফার বাতহা প্রান্তরে তার উট বসাতেন যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসাতেন এবং সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল মুসাইয়্যাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাযিঃ) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অথবা উমরাহ সমাপনান্তে ফেরার পথে যুল হুলায়ফার কংকরময় ভূমিতে নিজের উট বসাতেন যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসাতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3285 — Sahih Muslim 15:489
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - وَهُوَ ابْنُ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ مُوسَى، - وَهُوَ ابْنُ عُقْبَةَ - عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ فِي مُعَرَّسِهِ بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ بِبَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ .
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। যুল হুলায়ফায় রাতের শেষ ভাগে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (কোন আগন্তুক মালাক) আবির্ভূত হয়। তাকে বলা হল, আপনি বারাকাতপূর্ণ পাথরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু বাক্কার (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফার উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থানকালে রাতের বিশেষ প্রহরে তার নিকট (কোন মালাক) আবির্ভূত হয় এবং বলা হয়ঃ আপনি বারাকাতপূর্ণ কংকরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। মূসা উকবাহ (রহঃ) বলেন, সালিম (রহঃ) আমাদের সাথে সফরকালে মসজিদের নিকট তার উট বসাতেন যেখানে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) নিজের উট বসাতেন এবং এ স্থানকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবতরণ (অবস্থান) স্থল মনে করতেন। স্থানটি উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত মসজিদের নিম্নদেশের সমতলে মাসজিদ ও কিবলার মাঝখানে অবস্থিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫২, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের পূর্ববতী (বছরের) যে হাজ্জে (হজ্জে/হজে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর সিদীক (রাযিঃ) কে আমীর নিয়োগ করেছিলেন, সে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সময় তিনি (আবূ বাকর) আমাকে সহ একদল লোকদের কুরবানীর দিন জনগণের মধ্যে নিম্নোক্ত ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেনঃ “এ বছরের পর মুশরিকরা আর হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করতে পারবে না এবং উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করবে না।” ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর এ হাদীস অনুযায়ী হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান বলতেন- “মহান হাজ্জের (হজ্জের/হজের) দিন হচ্ছে এ কুরবানীর দিন"* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আরাফাহ দিবসের তুলনায় এমন কোন দিন নেই- যেদিন আল্লাহ তা'আলা সর্বাধিক সংখ্যক লোককে দোযখের আগুন থেকে মুক্তি দান করেন। আল্লাহ তা'আলা নিকটবতী হন, অতঃপর বান্দাদের সম্পর্কে মালায়িকার সামনে গৌরব প্রকাশ করেন এবং বলেনঃ তারা কী উদ্দেশে সমবেত হয়েছে (বা তারা কী চায়)? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩১৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একটি উমরাহ পরবর্তী উমরাহ পর্যন্ত মাঝখানের গুনাহসমূহের কাফফারাহ স্বরূপ এবং ক্রটিমুক্ত (অথবা আল্লাহর নিকট গৃহীত) হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫৫, ইসলামীক সেন্টার)