حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِ��ٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ عَبْدٌ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَطَبَ أُمَّ هَانِئٍ بِنْتَ أَبِي طَالِبٍ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ كَبِرْتُ وَلِيَ عِيَالٌ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خَيْرُ نِسَاءٍ رَكِبْنَ " . ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ يُونُسَ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ " أَحْنَاهُ عَلَى وَلَدٍ فِي صِغَرِهِ " .
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাযিঃ) এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো বার্ধক্যে পৌছে গেছি এবং আমার সন্তানাদিও রয়েছে। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উটে আরোহণকারিণীদের মধ্যে (তুমি) সর্বোত্তম নারী। তারপর মা'মার (রাবী) ইউনুস বর্ণিত হাদীসের হুবহু উল্লেখ করেন। কিন্তু তার বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেন, অর্থাৎ "তারা শৈশবে সন্তানের প্রতি খুবই স্নেহশীল ও যত্নশীল"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২২৯, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উটে আরোহণকারিণী নারীদের মধ্যে কুরাইশী সৎ নারীরাই উত্তম। তারা তাদের সন্তানদের প্রতি শৈশবে যত্নবান এবং স্বামীর ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে বিশ্বস্ত দায়িত্বশীল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩০, ইসলামিক সেন্টার)
(…/…) আহমাদ ইবনু উসমান ইবনু হাকীম আল-আরদী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত মা'মার এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩১, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6462 — Sahih Muslim 44:291
حَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ - عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آخَى بَيْنَ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ وَبَيْنَ أَبِي طَلْحَةَ .
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাযিঃ) ও আবূ তালহাহ (রাযিঃ) এর মাঝে ভ্রাতৃসম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩২, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6463 — Sahih Muslim 44:292
حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، قَالَ قِيلَ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ بَلَغَكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ حِلْفَ فِي الإِسْلاَمِ " . فَقَالَ أَنَسٌ قَدْ حَالَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ قُرَيْشٍ وَالأَنْصَارِ فِي دَارِهِ .
আবূ জাফর মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ (রহঃ) ..... ‘আসিম ইবনুল আহওয়াল বর্ণনা করেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে প্রশ্ন করা হলো, আপনার নিকট কি এ মর্মে রিওয়ায়াত পৌছেছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইসলামে কোন হলফ-মৈত্রী স্থাপন নেই? তখন আনাস (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরায়শ ও আনসারদের মাঝে তার গৃহে বসেই বন্ধুত্ব-চুক্তি করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6464 — Sahih Muslim 44:293
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ، سُلَيْمَانَ عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ حَالَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ قُرَيْشٍ وَالأَنْصَارِ فِي دَارِهِ الَّتِي بِالْمَدِينَةِ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরায়শ ও আনসারদের মাঝে মাদীনাতে তার গৃহে বসেই সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু মুতাইম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইসলামে অবৈধ চুক্তির কোন অবকাশ নেই। তবে জাহিলী যুগে ভাল কাজের উদ্দেশে যেসব চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা ইসলামে আরও মজবুত ও শক্তিশালী করে দিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আবান (রহঃ) ..... আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) এর পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মাগরিবের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। তারপর আমরা বললাম, আমরা যদি তার সাথে ইশার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তাহলে কতই না ভাল হত)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে, ইশার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আপনার সাথে আদায় করার জন্যে বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভাল করেছ কিংবা তোমরা ঠিকই করেছ। তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তার মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন, তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়াদাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থাৎ- কিয়ামত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সহাবাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরূপ। আমি যখন বিদায় নিব তখন আমার সহাবাদের উপর ওয়াদাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থাৎ- ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সহাবাগণ সকল উম্মাতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরূপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উম্মাতের উপর ওয়াদাকৃত বিষয় উপস্থিত হবে*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩৬ ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6467 — Sahih Muslim 44:296
حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ سَمِعَ عَمْرٌو، جَابِرًا يُخْبِرُ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ يَغْزُو فِئَامٌ مِنَ النَّاسِ فَيُقَالُ لَهُمْ فِيكُمْ مَنْ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَقُولُونَ . نَعَمْ فَيُفْتَحُ لَهُمْ ثُمَّ يَغْزُو فِئَامٌ مِنَ النَّاسِ فَيُقَالُ لَهُمْ فِيكُمْ مَنْ رَأَى مَنْ صَحِبَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَقُولُونَ نَعَمْ . فَيُفْتَحُ لَهُمْ ثُمَّ يَغْزُو فِئَامٌ مِنَ النَّاسِ فَيُقَالُ لَهُمْ هَلْ فِيكُمْ مَنْ رَأَى مَنْ صَحِبَ مَنْ صَحِبَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيَقُولُونَ نَعَمْ . فَيُفْتَحُ لَهُمْ " .
আবূ খাইসামাহ্ যুহায়র ইবনু হারব ও আহমাদ ইবনু আবাদাহ্ আয যাববিয়্য (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ লোকদের উপর এমন সময় আসবে, তখন তাদের একদল জিহাদে লিপ্ত থাকবে। তারপর তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ আছেন যিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলবে, জ্বি হ্যাঁ। তারা তখন বিজিত হবে। তারপর মানুষের মাঝখান থেকে একদল জিহাদ করতে থাকবে। তাদের তখন প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তারা সমস্বরে বলে উঠবে, জ্বি হ্যাঁ। তখন তারা জয়ী হবে। অতঃপর লোক অপর একটি দল যুদ্ধ করতে থাকবে। তখন তাদের প্রশ্ন করা হবে, তোমাদের মাঝে এমন কেউ কি আছেন, যিনি সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারী অর্থাৎ তাবি'ঈকে প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন লোকেরা বলবে, জি হ্যাঁ। তখন তাদের বিজয় এসে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6468 — Sahih Muslim 44:297
حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي، الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ، قَالَ زَعَمَ أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ يُبْعَثُ مِنْهُمُ الْبَعْثُ فَيَقُولُونَ انْظُرُوا هَلْ تَجِدُونَ فِيكُمْ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيُوجَدُ الرَّجُلُ فَيُفْتَحُ لَهُمْ بِهِ ثُمَّ يُبْعَثُ الْبَعْثُ الثَّانِي فَيَقُولُونَ هَلْ فِيهِمْ مَنْ رَأَى أَصْحَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيُفْتَحُ لَهُمْ بِهِ ثُمَّ يُبْعَثُ الْبَعْثُ الثَّالِثُ فَيُقَالُ انْظُرُوا هَلْ تَرَوْنَ فِيهِمْ مَنْ رَأَى مَنْ رَأَى أَصْحَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ يَكُونُ الْبَعْثُ الرَّابِعُ فَيُقَالُ انْظُرُوا هَلْ تَرَوْنَ فِيهِمْ أَحَدًا رَأَى مَنْ رَأَى أَحَدًا رَأَى أَصْحَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَيُوجَدُ الرَّجُلُ فَيُفْتَحُ لَهُمْ بِهِ " .
সাঈদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ উমাবী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) বলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকজনের উপর এমন সময় আসবে, যখন তাদের মাঝখান থেকে কোন অভিযাত্রী দল পাঠানো হবে। তারপর মানুষেরা কথোপকথন করবে, সন্ধান করো তোমাদের মাঝে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের কাউকে পাও নাকি। তখন কোন একজন সাহাবী পাওয়া যাবে। তারপর তার কারণে তাদের বিজয় আসবে। তারপর দ্বিতীয় সেনাদল প্রেরণ করা হবে। তখন মানুষেরা বলবে, তোমাদের মাঝে এমন কোন লোক আছেন কি, যিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের প্রত্যক্ষ করেছেন? তখন একজন (তাবিঈ)-কে পাওয়া যাবে। তারপর তাদের বিজয় লাভ হবে। তরপর তৃতীয় সেনাদল প্রেরণ করা হবে। তখন প্রশ্ন করা হবে, খোঁজ করে দেখো, তাদের মাঝে কাউকে দেখতে পাও কিনা, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের সাহচর্য লাভকারী অর্থাৎ- তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত? তারপর চতুর্থ সেনাদল যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে। তখন জিজ্ঞেস করা হবে দেখো, তোমরা এদের মাঝে এমন কাউকে পাও কি-না, যারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের সাহচর্য অর্জনকারীদের সাহচর্য লাভ করেছে অর্থাৎ- কোন তাবি-তাবি'ঈকে প্রত্যক্ষ করেছে? তখন এক লোককে পাওয়া যাবে। অতঃপর তার কারণে তারা বিজয় লাভ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৩৮, ইসলামিক সেন্টার)