আব্দুল্লাহ ইবনু বাররাদ আল আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মূসা (আশ'আরী) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কুরআন হিফযের প্রতি লক্ষ্য রাখ। যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ আমি সে মহান সত্তার শপথ করে বলছি, কুরআনের মুখস্থ সূরাহ বা আয়াতসমূহ মানুষের মন থেকে পা বাঁধা উটের চেয়েও অধিক পলায়নপর (অর্থাৎ কুরআন মাজীদের মুখস্থ সূরাহ বা আয়াত তাড়াতাড়ি বিস্মৃতিতে চলে যায়)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭১৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1845 — Sahih Muslim 6:273
حَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ " .
আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হাবর (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাযিঃ) পর্যন্ত এর সানাদ সূত্রটি পৌছিয়েছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নবীর উত্তম ও মিষ্টি করে কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহ তা'আলা যেভাবে শুনে থাকেন অন্য কোন জিনিস সেভাবে শুনেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭১৫, ইসলামীক সেন্টার)
বিশর ইবনুল হাকাম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, মহান আল্লাহ এতটা খুশি হন না যতটা খুশি হয়ে থাকেন সুকণ্ঠের অধিকারী কোন নবীর প্রতি যিনি সুললিত কণ্ঠে ও সশব্দে তা তিলাওয়াত করে থাকেন*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭১৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1848 — Sahih Muslim 6:276
وَحَدَّثَنِي ابْنُ أَخِي ابْنِ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا عَمِّي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ، مَالِكٍ وَحَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ عَنِ ابْنِ الْهَادِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ سَوَاءً وَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَقُلْ سَمِعَ .
ইবনু আখী ইবনু ওয়াহব (রহঃ) ... ইবনুল হাদ (রহঃ) থেকে একই সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন) উল্লেখ করেছেন এবং سَمِعَ (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন) উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭১৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন নবী কর্তৃক সুমিষ্ট কণ্ঠে উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করা আল্লাহ তা'আলা যেভাবে শুনেন অন্য কিছুই আর সেভাবে শুনেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭১৯, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইয়াহইয়া ইবনু কাসীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এতটুকু যে, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব তার বর্ণনাতেكَإِذْنِهِ এ শব্দটা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭২০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... বুরায়দাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু কায়স অথবা বলেছেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) (আবূ মূসা) আল আশ'আর-কে দাউদ এর মতো মিষ্টি কণ্ঠ দান করা হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭২১, ইসলামীক সেন্টার)
দাউদ ইবনু রুশায়দ (রহঃ) ..... আবূ মূসা (আল আশ'আরী) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ মূসা (রাযিঃ) কে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ গতরাতে আমি যখন তোমার কুরআন পাঠ শুনছিলাম তখন যদি তুমি আমাকে দেখতে তাহলে খুব খুশী হতে। তোমাকে তো দাউদ এর মতো সুমিষ্ট কণ্ঠস্বর দেয়া হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭২২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল আল মুযানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের বছরে সফরকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সওয়ারীতে বসে সূরাহ আল ফাতহ পড়ছিলেন। আর কিরাআতে তিনি তারজী' (দ্বিরুক্তি) করছিলেন। মু'আবিয়াহ ইবনু কুররাহ বলেছেন আমি যদি আমার পাশে অধিক মাত্রায় লোকজনের জমায়েত হওয়ার আশঙ্কা না করতাম তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে কিরআত করেছিলেন সেভাবে কিরআত করে তোমাদেরকে শুনাতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭২৩, ইসলামীক সেন্টার)