ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ আল বাহিলী ..... 'ইমরান (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, তারা কারা, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ যারা ক্ষতস্থানে লোহা পুড়ে লাগায় না এবং (জাহিলী যুগের ন্যায়) ঝাড়ফুঁক বা মন্ত্রের দ্বারা চিকিৎসা কামনা করে না বরং তারা আল্লাহর উপর পূর্ণ তাওয়াকুল করে। এ সময় উক্কাশাহ্ (রাযিঃ) ওঠে দাঁড়িয়ে বললো, আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর নবী। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন, তিনি আমাকেও যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ উক্কাশাহ তোমার আগেই দলভুক্ত হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরা কারা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যারা ঝাড়ফুক করায় না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মেনে চলে না, অগ্নি দাগ গ্রহণ করে না, বরং সর্বদাই আল্লাহর ওপর নির্ভর করে (তারাই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার বা সাত লক্ষ (এখানে রাবী আবূ হাযিম কোন সংখ্যাই নিশ্চিত করে বলতে পারেননি) লোক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একে অন্যের হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রথম ব্যক্তি শেষ ব্যক্তির প্রবেশের আগে প্রবেশ করবে না, বরং সবাই একত্রে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাদের মত চমকাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... হুসায়ন ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনু যুবায়র এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের মধ্য হতে কেউ রাতে যে তারকাটি বিচ্যুত হয়েছিল তা দেখেছে কি? আমি বললাম, আমি দেখেছি। অবশ্য আমি রাতের সালাতে রত ছিলাম না; আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছিল। সাঈদ বললেন, দংশন করার পর তুমি কি করেছিলে? আমি বললাম, ঝাড়ফুঁক করিয়েছি। তিনি বললেন, তোমাকে এ ঝাড়ফুঁক গ্রহণে কিসে উদ্বুদ্ধ করল? আমি বললাম, সে হাদীস যা আমাদেরকে শা'বী বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, শা'বী কী হাদীস বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, শা'বী বুরাইদাহ ইবনু হুসায়ন আল আসলামী (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, কুদৃষ্টি বা বিচ্ছু দংশন ব্যতীত অন্য বিষয়ে ঝাড়ফুঁক করানো উচিত নয়। তিনি বললেন, ভাল বলেছেন। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, স্বপ্নে আমার সামনে সকল নবীদের উপস্থিত করা হয়। অতঃপর তখন কোন কোন নবীকে দেখলাম যে, তার সঙ্গে ছোট্ট একটি দল রয়েছে; আর কাউকে দেখলাম, তার সঙ্গে একজন কিংবা দু'জন লোক আবার কেউ এমনও ছিলেন যে, তার সাথে কেউ নেই। হঠাৎ আমার সামনে এক বিরাট দল দেখা গেল। মনে হলো, এরা আমার উম্মত। তখন আমাকে বলা হল, ইনি মূসা (আঃ) ও তার উম্মত; তবে আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন। আমি ওদিকে তাকালাম, দেখি বিরাট একদল, আবার বলা হল, আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন, (আমি ওদিকে তাকিয়ে দেখলাম) এক বিরাট দল। বলা হল, এরা আপনার উম্মত। এদের মধ্যে সত্তর হাজার এমন লোক আছে যারা শাস্তি ব্যতীত ও হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন, অতঃপর তার ঘরে চলে গেলেন। তারা উপস্থিত সাহাবাগণ তখন এ হিসাব ও আযাববিহীন জান্নাতে প্রবেশকারী কারা হবেন? এ নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। কেউ বললেন, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা। কেউ বললেন, তারা সে সব লোক যারা ইসলামের উপর জন্মলাভ করেছে এবং আল্লাহর সঙ্গে কোন প্রকার শিরক করেনি এবং তারা বহু জিনিসের উল্লেখ করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেনঃ তোমরা কি নিয়ে আলোচনা করছিলে? সবাই বিষয়টি (খুলে) বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের বললেনঃ এরা সে সব লোক যারা ঝাড়ফুঁক করে না বা তা গ্রহণও করে না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মানে না বরং সর্বদাই আল্লাহর উপর নির্ভর করে। তখন উক্কাশাহ ইবনু মিহসান (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমার জন্যে দু'আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তুমি তাদেরই একজন থাকবে। তারপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্যেও দু'আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরঃ এ সুযোগ লাভ উক্কাশাহ তোমার চাইতে অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বপ্নে আমার সামনে সকল উম্মতকে পেশ করা হয় ..... এভাবে বর্ণনাকারী হুসায়ন বর্ণিত হাদীসের অনুরূপই বর্ণনা করেন। কিন্তু হাদীসটির প্রথমাংশ উল্লেখ করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হান্নাদ ইবনু সারী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জিজ্ঞেস করলেন যে, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক চতুর্থাংশ হবে। (আবদুল্লাহ বলেন) এ শুনে আমরা (খুশিতে) আল্লা-হু আকবার ধ্বনি দিলাম। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? সাহাবা বলেন, আমরা আবার আল্লা-হু আকবর’ ধ্বনি দিলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে আমি আশা করি তোমরাই জান্নাতবাসীদের অর্ধেক হবে। আর এ সম্পর্কে তোমাদের অচিরেই বলছিঃ কাফিরদের ভীড়ে তোমাদের অবস্থান এমনই স্পষ্ট হবে, যেমন কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা একটি শ্বেত ষাঁড়ের গায়ে কালো পশম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা প্রায় চল্লিশজনের মতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একটি তাবুতে অবস্থান করছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, কসম তার যার হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা করি যে, অবশ্যই তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। কেননা, কেবল মুসলিমই সেখানে প্রবেশের অনুমতি লাভ করবে। আর মুশরিকদের মধ্যে তোমাদের অবস্থান হবে, যেমন কাল ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা লাল ষাঁড়ের গায়ে একটি কালো পশমের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি তার পৃষ্ঠদেশের সাহায্যে চামড়ার তাবুর সাথে হেলান দেয়া ছিলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান, মুসলিম ব্যতীত কেউই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি (অর্পিত দায়িত্ব) পৌছিয়েছি? হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো, তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ! হে আল্লাহর রাসূল! অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? তারা বললো, হ্যাঁ; হে আল্লাহর রাসূল! তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেনঃ হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি আশা রাখি যে, তোমরা হবে জান্নাতীদের অর্ধেক। বস্তুতঃ অন্যান্য উম্মতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যা হবে সাদা বলদের মধ্যে একটি কালো পশমের মতো অথবা তিনি বলেছেনঃ কালে বলদের মধ্যে একটি সাদা পশমের মতো (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ আবাসী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ (কিয়ামত দিবসে) আহবান করবে, হে আদম! তিনি উত্তরে বলবেন, আমি আপনার সামনে উপস্থিত, আপনার কাছে শুভ কামনা করি এবং সকল কল্যাণ আপনারই হাতে। মহান আল্লাহ বলবেনঃ জাহান্নামী দলকে বের কর। আদম (আঃ) জিজ্ঞেস করবেনঃ জাহান্নামী দল কতজনে? মহান আল্লাহ বলবেনঃ প্রতি হাজার থেকে নয়শ' নিরানব্বই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ এটা সে মুহুর্ত যখন বালক হয়ে যাবে বৃদ্ধ, সকল গর্ভবতী তাদের গর্ভপাত করে ফেলবে আর মানুষকে দেখবে মাতাল সদৃশ যদিও তারা নেশাগ্রস্ত নয়, বস্তুতঃ আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন। রাবী বলেন, কথাগুলো সাহাবাগণের কঠিন মনে হলো। তারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের মধ্যে কে সে ব্যক্তি? তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেনঃ আনন্দিত হও। ইয়া'জু্য ও মাজুযেরন সংখ্যা এক হাজার হলে তোমাদের সংখ্যা হবে একজন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ কসম সে সত্তার যার হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে। (সাহাবা বলেন,) আমরা আল্লাহর প্রশংসা করলাম এবং 'আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার তিনি বললেন, শপথ সে সত্তার, যার হাতে আমার জীবন! অবশ্যই আমি আশা রাখি, জান্নাতীদের মধ্যে তোমরা তাদের এক তৃতীয়াংশ হবে। সাহাবা বলেন, আমরা বললাম "আলহামদুলিল্লাহ' এবং 'আল্লা-হু আকবার ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কসম সে সত্তার, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে এবং তোমরা অন্যান্য উম্মতের মধ্যে কারো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের ন্যায় অথবা গাধার পায়ের চিহ্নের সদৃশ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বর্ণনা করেন, "তোমরা সকল মানুষের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের মতো হবে অথবা সাদা ষাড়ের গায়ে কালো পশমের মতো হবে।" তারা “গাধার পায়ের চিহ্নের মতো" এ কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)