আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জাহান্নামের সবচেয়ে কম আযাব সে ব্যক্তির হবে, যাকে আগুনের দুটি জুতা পরানো হবে, ফলে এ দু'টির উত্তাপের কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (চির) জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে আবূ তালিব এর। তাকে দুটি (আগুনের) জুতা পরিয়ে দেয়া হবে, ফলে এ দুটির কারণে তার মগজ পর্যন্ত উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বক্তৃতায় বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত দিবসে জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির যার দু' পায়ের তলায় দু'টি জ্বলন্ত কয়লা রাখা হবে, যার কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেছেনঃ জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব ঐ ব্যক্তির হবে, যার দু'টি জুতার ফিতা হবে আগুনের। ফলে তার দহনে (চুলা উপরে রাখা) পাতিলের ন্যায় তার মগজ উথলাতে থাকবে। আর তার অনুভব হবে যে, সে বুঝি সর্বাপেক্ষা বেশী শাস্তি ভোগ করছে অথচ এটি হচ্ছে সবচেয়ে হালকা ‘আযাব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইবনু জুদআন জাহিলী যুগে আত্মীয়-স্বজনের হক আদায় করত এবং দরিদ্রদের আহার দিত। (আখিরাতে) এসব কর্ম তার উপকারে আসবে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন উপকারে আসবে না। সে তো কোন দিন এ কথা বলেনি যে, হে আমার রব! কিয়ামতের দিন আমার অপরাধ ক্ষমা করে দিও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) ..... আমর ইবনু আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চুপে চুপে নয় স্পষ্ট বলতে শুনেছি যে, জেনে রেখ! অমুক বংশ (আত্মীয়তার কারণে) আমার বন্ধু নয়, বরং আল্লাহর এবং নেককার মুমিনগণই হলেন আমার বন্ধু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম ইবনু উবাইদুল্লাহ জুমাহী (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। জনৈক সাহাবা (উক্কাশাহ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন, আমাকে যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'আ করলেন, ইয়া আল্লাহ। ওকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। তারপর আরেকজন সাহাবা দাড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার জন্যও আল্লাহর কাছে দু'আ করুন, আমাকেও যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সুযোগ লাভে উক্কাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 521 — Sahih Muslim 1:427
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ زِيَادٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ . بِمِثْلِ حَدِيثِ الرَّبِيعِ .
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি ..... পরবর্তী অংশ উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 522 — Sahih Muslim 1:428
حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، حَدَّثَهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " يَدْخُلُ مِنْ أُمَّتِي زُمْرَةٌ هُمْ سَبْعُونَ أَلْفًا تُضِيءُ وُجُوهُهُمْ إِضَاءَةَ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ " . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَقَامَ عُكَّاشَةُ بْنُ مِحْصَنٍ الأَسَدِيُّ يَرْفَعُ نَمِرَةً عَلَيْهِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ مِنْهُمْ " ثُمَّ قَامَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " سَبَقَكَ بِهَا عُكَّاشَةُ " .
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মতের একটি দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা হবে সত্তর হাজার। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাদের ন্যায় চমকাতে থাকবে। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, তখন উক্কাশাহ ইবনু মিহসান আসাদী দাঁড়ালেন। তার গায়ে একটি চাঁদর ছিল। বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। এরপর আরেকজন আনসারী দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ এ সুযোগ লাভে উক্কাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তাদের একটি দলের চেহারা হবে চাদের মত (উজ্জ্বল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)