ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, কুরায়শগণ এবং তাদের ধর্মের অনুসারীরা (জাহিলী যুগে) মুযদালিফায় অবস্থান করত। তারা নিজেদের নামকরণ করেছিল "আলহুম্স'। আর সমস্ত আরববাসীরা আরাফাতে অবস্থান করত। যখন ইসলামের আবির্ভাব হল, আল্লাহ তা'আলা তার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফায় অবস্থান করার ও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দেন। আল্লাহর বাণীর তাৎপর্যও তাইঃ "অতঃপর অন্যান্য লোক যেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে, তোমরাও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করবে”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৯৯)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২১, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (উরওয়াহ্) বলেন, আল-হুমস্ ব্যতীত সকল আরব উলঙ্গ অবস্থায় বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করত। কুরায়শ ও তাদের বংশধরগণকে 'আল-হুমস্’ বলা হতো। আরবরা উলঙ্গ অবস্থায়ই তওয়াফ করত। কিন্তু আল-হুমস্ তাদেরকে কাপড় দান করলে স্বতন্ত্র কথা। তাদের পুরুষরা পুরুষদের এবং মহিলারা মহিলাদের কাপড় দান করত। আল-হুমস্ মুযদালিফার বাইরে যেত না, আর সব লোক ‘আরাফায় চলে যেত। হিশাম বলেন, আমার পিতা (উরওয়াহ্) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, আল হুমস্- যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেছেনঃ “অতঃপর অন্যান্য লোক যেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে, তোমরাও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করবে”— (সুরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ১৯৯)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, লোকেরা আরাফাহ্ থেকে প্রত্যাবর্তন করত আর আল-হুমস মুযদালিফাহ্ থেকে প্রত্যাবর্তন করত। তারা বলত, আমরা কেবলমাত্র হারাম এলাকা থেকেই প্রত্যাবর্তন করব। অতঃপর যখন “তোমরা প্রত্যাবর্তন কর যেখান থেকে লোকেরা প্রত্যাবর্তন করে” আয়াত নাযিল হল, তখন থেকে তারা আরাফায় গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু মুতাইম (রাযিঃ) বলেন, আমার একটি উট হারিয়ে গেল। আরাফাহ দিবসে আমি তার খোঁজে বের হলাম। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে লোকদের সাথে আরাফায় অবস্থানরত দেখলাম। আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! ইনি তো হুমস্-এর অন্তর্ভুক্ত, কী ব্যাপার ইনি এখানে কেন? অথচ কুরায়শদেরকে হুমস্-এর মধ্যে গণ্য করা হতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2957 — Sahih Muslim 15:166
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُنِيخٌ بِالْبَطْحَاءِ فَقَالَ لِي " أَحَجَجْتَ " . فَقُلْتُ نَعَمْ . فَقَالَ " بِمَ أَهْلَلْتَ " . قَالَ قُلْتُ لَبَّيْكَ بِإِهْلاَلٍ كَإِهْلاَلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ " فَقَدْ أَحْسَنْتَ طُفْ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَأَحِلَّ " . قَالَ فَطُفْتُ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ أَتَيْتُ امْرَأَةً مِنْ بَنِي قَيْسٍ فَفَلَتْ رَأْسِي ثُمَّ أَهْلَلْتُ بِالْحَجِّ . قَالَ فَكُنْتُ أُفْتِي بِهِ النَّاسَ حَتَّى كَانَ فِي خِلاَفَةِ عُمَرَ - رضى الله عنه - فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا أَبَا مُوسَى - أَوْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ - رُوَيْدَكَ بَعْضَ فُتْيَاكَ فَإِنَّكَ لاَ تَدْرِي مَا أَحْدَثَ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ فِي النُّسُكِ بَعْدَكَ . فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَنْ كُنَّا أَفْتَيْنَاهُ فُتْيَا فَلْيَتَّئِدْ فَإِنَّ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ قَادِمٌ عَلَيْكُمْ فَبِهِ فَائْتَمُّوا . قَالَ فَقَدِمَ عُمَرُ - رضى الله عنه - فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ إِنْ نَأْخُذْ بِكِتَابِ اللَّهِ فَإِنَّ كِتَابَ اللَّهِ يَأْمُرُ بِالتَّمَامِ وَإِنْ نَأْخُذْ بِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَحِلَّ حَتَّى بَلَغَ الْهَدْىُ مَحِلَّهُ .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তিনি বাতহা নামক স্থানে উট বসিয়ে যাত্রা বিরতি করছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) নিয়্যাত করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি কী ধরনের ইহরাম বেঁধেছ? তিনি বললেন, আমি বলেছি- লাব্বায়কা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তদ্রুপ ইহরাম বাঁধলাম। তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছ। এখন বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) কর এবং সাফা-মারওয়ার সাঈ কর, অতঃপর ইহরাম খুলে ফেল। তিনি বলেন, আমি বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ করলাম, সাফা-মারওয়ার সাঈ করলাম, অতঃপর কায়স গোত্রের এক স্ত্রীলোকের নিকট এলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। আমি লোকদেরকে এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকলাম 'উমার (রাযিঃ) এর খিলাফাত পর্যন্ত। এ সময় এক ব্যক্তি তাকে বলল, হে আবূ মূসা অথবা (বলল) আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আপনার কিছু ফাতাওয়া আপাততঃ স্থগিত রাখুন। কারণ আমীরুল মু'মিনীন (উমার) আপনার পরে হজ্জ সম্পর্কে যে নতুন বিধান প্রবর্তন করেছেন, তা আপনি জ্ঞাত নন। তখন আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, হে লোক সকল! আমি যাদের ফাতাওয়া দিয়েছি (ইহরাম খোলা সম্পর্কে) তারা যেন অপেক্ষা করে। কারণ আমীরুল মু'মিনীন অচিরেই তোমাদের নিকট আসছেন, অতএব তার আনুগত্য করা তোমাদের কর্তব্য। রাবী বলেন, উমর (রাযিঃ) এলেন এবং আমি তার সামনে বিষয়টি উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, আমরা যদি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী চলি, তবে তা আমাদের নির্দেশ দেয় (হাজ্জ ও উমরাহ) পূর্ণ করার। আমরা যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের উপর আমল করি, তবে কুরবানীর পশু তার (কুরবানীর) স্থানে না পৌছা পর্যন্ত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম খুলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তিনি বাতহা নামক স্থানে উট বসিয়ে অবস্থান করছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কিসের ইহরাম বেঁধেছ? আমি বললাম, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুরূপ ইহরাম বেঁধেছি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি কুরবানীর পশু এনেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) এবং সাফা মারওয়ার মাঝে সাঈ করার পর ইহরাম খুলে ফেল। অতএব আমি বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করার পর ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর আমার গোত্রের এক মহিলার নিকট এলাম, সে আমার মাথার চুল আঁচড়িয়ে দিল এবং আমার মাথা ধুয়ে দিল। আমি আবূ বকর (রাযিঃ) ও উমর (রাযিঃ) এর খিলাফতকালে লোকদেরকে অনুরূপ ফাতাওয়া দিতাম। হাজ্জের (হজ্জের/হজের) মৌসুম আগত, এ সময় এক ব্যক্তি আমার নিকট এসে বলল, আপনি হয়ত জানেন না, আমীরুল মু'মিনীন (উমার) হাজের (হজ্জের/হজের) ব্যাপারে কী নতুন বিধান প্রবর্তন করেছেন। আমি বললাম, হে জনগণ! আমি যাদেরকে কতগুলো বিষয় সম্পর্কে যে ফাতাওয়া দিয়েছি- তারা যেন অপেক্ষা করে। কারণ, ইতোমধ্যেই আমীরুল মুমিনীন তোমাদের মধ্যে এসে পৌছবেন। তোমরা তার অনুসরণ করবে। তিনি (উমার) এসে পৌছলে আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনি হাজ্জের ব্যাপারে নতুন কী বিধান দিচ্ছেন? তিনি বললেন, আমরা যদি আল্লাহর কিতাব আঁকড়ে ধরি, তবে আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে হাজ্জ ও উমরাহ পূর্ণ কর”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৯৬)। আর আমরা যদি আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের অনুসরণ করি, তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাথে করে নিয়ে আসা পশু যবাহ না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 2960 — Sahih Muslim 15:169
وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَنِي إِلَى الْيَمَنِ قَالَ فَوَافَقْتُهُ فِي الْعَامِ الَّذِي حَجَّ فِيهِ فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا أَبَا مُوسَى كَيْفَ قُلْتَ حِينَ أَحْرَمْتَ " . قَالَ قُلْتُ لَبَّيْكَ إِهْلاَلاً كَإِهْلاَلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ " هَلْ سُقْتَ هَدْيًا " . فَقُلْتُ لاَ . قَالَ " فَانْطَلِقْ فَطُفْ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ . ثُمَّ أَحِلَّ " . ثُمَّ سَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ شُعْبَةَ وَسُفْيَانَ .
ইসহাক ইবনু মানসূর ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি যে বছর হজ্জ করেছিলেন, আমি সে বছর (হাজ্জ (হজ্জ/হজ)) এসে তার সঙ্গে মিলিত হলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, হে আবূ মূসা! ইহরাম বাঁধার সময় তুমি কী নিয়্যাত করেছিলে? আমি বললাম, লাব্বায়কা! আমার ইহরাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইহরামের অনুরূপ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তাহলে যাও, বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) কর, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ কর, অতঃপর ইহরাম খুলে ফেল। ... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত শুবাহ ও সুফইয়ানের হাদীস দু'টির অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তামাত্তু হাজ্জে (হজ্জে/হজে)র অনুকূলে ফাতাওয়া দিতেন। এক ব্যক্তি তাকে বলল, আপনি আপনার ফাতাওয়া স্থগিত রাখুন। আপনি হয়ত জানেন না, আপনার পরে আমীরুল মুমিনীন হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ব্যাপারে কী বিধান প্রবর্তন করেছেন। পরে তিনি (আবূ মূসা) তার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং (এ ব্যাপারে) তাকে জিজ্ঞেস করলেন। উমার (রাযিঃ) বললেন, আমি অবশ্যই জানি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ (তামাত্তু) করেছেন। কিন্তু আমি এটা পছন্দ করি না যে, বিবাহিত লোকেরা গাছের ছায়ায় স্ত্রীদের সাথে যৌন সঙ্গম করবে, অতঃপর এমন অবস্থায় হজ্জের জন্য রওনা হবে যে, তাদের মাথার চুল দিয়ে পানি টপকে পড়ছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) বলেছেন, উসমান (রাযিঃ) তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করতে নিষেধ করতেন। আর ‘আলী (রাযিঃ) তামাত্তু হাজ্জ করার নির্দেশ দিতেন। অতএব উসমান (রাযিঃ) আলী (রাযিঃ) এর সঙ্গে কথা বললেন। অতঃপর ‘আলী (রাযিঃ) বললেন, আপনি অবশ্যই জানেন, আমরা নিশ্চিত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ করেছি। উসমান (রাযিঃ) বললেন, হ্যাঁ; কিন্তু আমরা তখন আতঙ্কিত ছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৮, ইসলামীক সেন্টার)